SCORE

সর্বশেষ

‘যে দৌড় চলবে তো চলবেই, থামবে না’

১৯৯৭ সনের মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে আইসিসি ট্রফির ফাইনালের কথা মনে আছে? মনে থাকারই কথা। সেদিন যে ইতিহাস তৈরি করেছিল নাইমুর দুর্জয়, আকরাম খান, খালেদ মাসুদ পাইলটরা। সেদিন ফাইনালে কেনিয়াকে দুই উইকেটে হারিয়ে আইসিসি বিশ্বকাপের টিকেট নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। ঐদিন আনন্দে মেতে উঠেছিল পুরো বাংলাদেশ।

প্রমীলা ক্রিকেট টাইগ্রেস বাঘিনী নারী ক্রিকেট নারী ক্রিকেট দল

কেনিয়ার বিপক্ষে শেষ বলে এক রানের দরকার হলে হাসিবুল শান্ত ও খালেদ মাসুদ পাইলটরা রানের জন্য যে দৌড়টা দিয়েছিলেন সেটি মনে থাকবে আজীবনই। সেদিন জয়ের পর পাইলট, হাসিবুল শান্তর সঙ্গে উদযাপনে মেতে উঠতে দৌড় দিয়েছিলেন বাউন্ডারি লাইনের বাইরে থাকা আকরাম, দুর্জয়রা। কী অদ্ভুত ব্যাপার সেটি যেন ফিরে এলো গতকাল!

Also Read - উইন্ডিজ সফরেও নেই মুস্তাফিজ

মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত নারীদের টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাঘিনীরা। শেষ বলে দুই রানের প্রয়োজন হলে জাহানারা, সালমা সফলভাবেই কাঙ্ক্ষিত দুইটি রান নিতে পেরেছেন। ১৯৯৭ সালের মতো আকরাম, দুর্জয়রা যে দৌড়টা দিয়েছিল ঠিক একইভাবে ম্যাচ জয়ের পর দৌড় দিয়েছে রুমানা, ফারজানারা।

নারী দলের এমন বাঁধভাঙ্গা উল্লাস ও দৌড় মনে করিয়ে দেয় ১৯৯৭ আইসিসি ট্রফির কথা। নিজের সত্যায়িত ফেসবুক পেইজে নারীদের এই জয় নিয়ে একটি পোস্ট দেন মাশরাফি। প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের শিরোপা জেতাতে অভিনন্দন জানান সালমা, রুমানাদের। সেই সাথে জয়ের পর দৌড়টা চলবেই জানান মাশরাফি।

‘১৯৯৭ সালের শান্ত ভাই আর পাইলট ভাইয়ের দৌড়ের পর আমার মতো অনেকেই আজ দৌড়ায়, আর এই ২০১৮ এর সালমা আর জাহানারার দৌড় দেখে বাংলাদেশে ঘরে ঘরে অনেকেই দৌড়ানোর অপেক্ষায় আছে, যে দৌড় চলবে তো চলবে আর থামবে না ইনশাল্লাহ। আজ শুধু অভিনন্দন অনেক কম আপনাদের জন্য… বাংলাদেশ।’

নারী দলের এই সাফল্য ড্রেসিং রুমে বসে সতীর্থদের সঙ্গে দেখেছেন ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি। ভারতকে হারানোর পর বাঘিনীরা যেমন উল্লাস করতে থেমে থাকেনি ঠিক তেমনি টিভি সেটের সামনে বসেই সালমাদের জয়ের উল্লাস করেছেন মাশরাফি, মুশফিক, তামিমরা।

আরও পড়ুনঃ উইন্ডিজ সফরেও নেই মুস্তাফিজ

Related Articles

বিশ্বকাপ খেলতে মরিয়া সালমারা

সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানালেন বাংলাদেশ অধিনায়ক