‘রশিদকে খেলা যায় না এমন নয়’

এশিয়া কাপে গ্রুপ পর্বে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল রশিদ খান। সেই গ্রুপ পর্বেই আবারো রশিদের কাছে ধরাশায়ী হয়েছিল বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। তবে সুপার ফোরে পুরো উলটো দৃশ্য। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ইমরুল কায়েস অনায়াসেই খেলেছেন রশিদকে। জিতেছেন ম্যাচও। ম্যাচ শেষে মাহমুদউল্লাহ জানিয়েছেন রশিদ অন্যতম সেরা কিন্তু খেলা যায় না এমন নয়।

‘রশিদকে খেলা যায় না এমন নয়’

দেরাদুনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে রশিদ-মুজিব মিলে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের দাঁড়াতে দেয়নি। সেই রশিদ-মুজিব জুজু এসেছিলো এশিয়া কাপেও। গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার পাশাপাশি আরেক সঙ্গী ছিল আফগানিস্তান। শ্রীলঙ্কার ম্যাচে তামিমের ইনজুরি ও মুশফিক পাঁজরের ব্যথা নিয়ে খেলার কারণে দ্বিতীয় ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়া হয় মুশফিককে।

তামিম-মুশফিকবিহীন ব্যাটিং লাইনআপে ধ্বস নামিয়ে দিয়েছিলো রশিদ-মুজিবরা। এই দুইজনের কাছেই পাত্তাই পায়নি বাংলাদেশ। সুপার ফোরে তো রশিদকে ঠিকভাবে খেলার আগেই সাজঘরে ফিরে গিয়েছিলেন মুশফিক, সাকিব, লিটন, মিঠুন, শান্ত। তবে তাকে উইকেট না দিয়েই সাজঘরে ফিরেছেন এই পাঁচ ব্যাটসম্যান। এই ম্যাচে রশিদের বিপক্ষে খুব আত্মবিশ্বাস নিয়েই ব্যাটিং করেছেন মাহমুদউল্লাহ ও ইমরুল কায়েস।

Also Read - আর কত অবহেলিত হবেন ইমরুল কায়েস?

দলীয় ৮৭ রানে ৫ উইকেট পড়ার পর সেই উইকেটে যোগ করেছেন ১২৮ রান। যেটাতে রশিদকে আরামসেই খেলেছেন এই দুই ব্যাটসম্যান। তার মধ্যে রশিদকে মিড উইকেটে ছয়ও হাঁকিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। এই ম্যাচে রশিদও পাত্তা পায়নি। ১০ ওভারে ৪৬ রান দিয়ে পেয়েছেন মাত্র ১ উইকেট। ম্যাচ শেষে রশিদকে নিয়ে পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মাহমুদউলাহ।

“রশিদের বোলিং বৈচিত্র্য নিয়ে খুব বেশি অনুশীলন করিনি। চার দিনের ব্যবধানে তিনটি ম্যাচ খেললাম, তাই হাতে সময় ছিল না। মাথা থেকে সবকিছু ঝেড়ে ফেলে তাঁকে খেলার চেষ্টা করেছি। আমরা জানি, উইকেট নেওয়ায় সে বিশ্বের অন্যতম সেরা। কিন্তু তাঁকে খেলা যায় না, এমন নয়।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আগের ম্যাচে আমরা যেভাবে খেলতে চেয়েছি সেভাবে হয়তো পারিনি। আমাদের পরিকল্পনা ছিল রশিদকে উইকেট না দেওয়া। উইকেটে থিতু হয়ে শেষ পর্যন্ত থাকতে চেয়েছি।”

এতদিন ধরে যে রশিদ জুজু ছিল সেটি একটু হলেও কমেছে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মাঝে। মাহমুদউল্লাহ-ইমরুল যেভাবে সাবলীল ব্যাটিং করেছে রশিদের বিপক্ষে তাতে বুঝায় যায় রশিদকে খেলা খুব একটা কঠিন কিছু নয়।

আরও পড়ুনঃ আর কত অবহেলিত হবেন ইমরুল কায়েস?

Related Articles

এই মিরাজ অনেক আত্মবিশ্বাসী

মিঠুনের ‘মূল চরিত্রে’ আসার তাড়না

‘আঙুলটা আর কখনো পুরোপুরি ঠিক হবে না’

এক নয় মাশরাফির তিন ইনজুরি

‘বিশ্ব ক্রিকেটে সম্মানজনক জায়গা আদায় করেছে বাংলাদেশ’