Scores

রান, উইকেট ও ক্যাচ সব শূন্য; তবুও ম্যাচসেরা

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের কারনে সকল ধরনের ক্রিকেট আপাতত বন্ধ। আইসিসি তাদের বিভিন্ন বাছাইপর্বের খেলা আগামী জুন মাস পর্যন্ত বন্ধ রেখেছে। লম্বা সময় ক্রিকেট ভক্তদের জন্য থাকছেনা কোনো ক্রিকেট। এই বিরতিতে তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক ক্রিকেটের স্মরনীয় কিছু ম্যাচ ও খেলোয়াড়দের অর্জনের ব্যাপারে। সেই ধারাবাহিকতায় আজকের গল্প অস্বাভাবিক এক ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কারের।

রান, উইকেট ও ক্যাচ সব শূন্য ; তবু ম্যাচসেরার পুরস্কার
ক্যামেরন কাফি

ম্যান অব দ্য ম্যাচ খেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মূলত ম্যাচে সবচাইতে ভালো পারফরম্যান্সের জন্য বা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অবদান রাখার জন্য দেওয়া হয়ে থাকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ। অনেক সময় শুধু জয়ী দলের খেলোয়াড়রা নয়, পরাজিত দলের খেলোয়াড়রাও পেয়ে থাকেন ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার খেলায় অসাধারণ ভূমিকার জন্য। যেমন বাংলাদেশের লিটন দাস পেয়েছিলেন এশিয়া কাপের ফাইনালে ম্যাচ হারার পরও।

Also Read - করোনায় ঘরবন্দী লঙ্কান ক্রিকেটারদের ভিন্নধর্মী 'চ্যালেঞ্জ'


সাধারণত বেশিরভাগ সময় বড় রান বা খুব বেশি উইকেট পেলে দেওয়া হয় ম্যান অব দ্য ম্যাচ। অনেক সময় ফিল্ডিং দিয়েও ম্যান অব দ্য ম্যাচ পেয়ে থাকেন অনেকে, যেমন দক্ষিণ আফ্রিকার জন্টি রোডস। তবে কোন রান বা উইকেট না পাওয়ার পরও ম্যাচ সেরা হওয়ার বিরল ঘটনাও রয়েছে।

এই বিরল ঘটনাটি হয় ২০০১ সালে। ২০০১ সালে হারারেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিম্বাবুয়ে ম্যাচে কোন রান বা উইকেট না পেয়েও ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান ক্যামেরন কাফি।

ব্যাট হাতে তার নামারই সুযোগ হয়নি, বল হাতেও ছিলেন উইকেট শূন্য। জন্টি রোডসের মতো কোনো ক্যাচও ধরেননি। এরপরও তার ম্যাচ সেরা হওয়ার কারন কি ছিলো? এর উত্তর লুকিয়ে আছে সেই ম্যাচের ২য় ইনিংসে।

হারারেতে সেই ওয়ানডেতে প্রথমে ব্যাট করে ড্যারেন গঙ্গা, ক্রিস গেইল ও শিবনারায়ণ চন্দরপলের ফিফটিতে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৬৬ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সর্বোচ্চ ৬৬ রান করেন ড্যারেন গঙ্গা। জবাবে ৫০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৩৯ রান করতে সক্ষম হয় জিম্বাবুয়ে। ম্যাচটি ২৭ রানে জিতে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বোলার ক্যামেরন কাফি কোন উইকেট পাননি। তবে রান দিয়েছিলেন তিনি কম।

১০ ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়েছিলেন কাফি। এছাড়া বিগনটকে ২৫ রানের মাথায় রানআউটও করেন তিনি। বোলারদের মাঝে ডিলন ও স্যামুয়েলস পেয়েছিলেন ৩টি করে উইকেট। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে দিন শেষে ম্যাচ সেরার পুরস্কার তুলে নেন ক্যামেরুন কাফি। মূলত তার ১০ ওভারের স্পেলটি জিম্বাবুয়ের ইনিংসের গতি কমিয়ে দেয় ও তাদের ব্যাটসম্যানদের আটকে ধরে। এই আটোসাটে বোলিংয়ের জন্যই উইকেট না পেলেও ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেন কাফি।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

এবার ইংলিশদের নেতৃত্ব দিবেন স্টোকস!

বিশ্বকাপের সেরা মুহূর্ত হিসেবে নির্বাচিত হল বাংলাদেশের জয়

চার প্রক্রিয়ায় অনুশীলনের পরিকল্পনা সাজিয়েছে ভারত

মাঠে ফিরছে ক্রিকেট, ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সূচি চূড়ান্ত

সেই বাদ পড়াই বদলে দেয় তামিমের ক্রিকেট জীবন