রিয়াদের কাছে দুই পার্টনারশিপই সমান গুরুত্বপূর্ণ

দুই-দুইবার টেস্টের নবম উইকেট পার্টনারশিপের বিশ্বরেকর্ড নিজেদের করে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। খুব কাছে গিয়েও সেই রেকর্ড আর হয়নি। তবে নবম উইকেটে বিশ্বের দ্বিতীয় ও চতুর্থ সেরা পার্টনারশিপই বাংলাদেশের দখলে। দুইবারই এক প্রান্তে ছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

রিয়াদের কাছে দুই পার্টনারশিপই সমান গুরুত্বপূর্ণ

Advertisment

২০১২ সালে খুলনা টেস্টে আবুল হাসান রাজুকে নিয়ে রিয়াদ যোগ করেছিলেন ১৮৪ রান। চলমান হারারে টেস্টে রিয়াদ ও তাসকিন মিলে করেছেন ১৯১ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার ১৯৫ রানের বিশ্বরেকর্ড ছোঁয়া হয়নি, তবে তাতে কমছে না টাইগারদের মাহাত্ম্য।

কাব্যের ছন্দের মত সুন্দর সেই পার্টনারশিপ নিয়ে রিয়াদ কথা বললেন এক দিন পর। তিনি জানালেন, রাজুর সাথে গড়া আগের সেই পার্টনারশিপ আর তাসকিনের সাথে এই পার্টনারশিপ সমান গুরুত্বপূর্ণ।

রিয়াদ বলেন, ‘দুইটা ইনিংসই উপভোগ্য ছিল। কারণ সবসময় ৬-৭ নম্বরে ব্যাট করতে হয়। অনেক সময় টেল এন্ডারদের নিয়ে ব্যাট করতে হয়। প্রথম পার্টনারশিপ যখন রাজুর সাথে হয়েছিল, রাজুর অবিশ্বাস্য ইনিংস ছিল। এই ম্যাচে আমরা দেখেছি তাসকিন অসম্ভব ভালো ব্যাটিং করেছে। তাসকিনের সমর্থন ছাড়া আমারও হয়ত রান এত বড় করা হত না। পাশাপাশি লিটনের সমর্থনও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দুইটা ইনিংসই দলের জন্য কার্যকরী ছিল এটাই বড় কথা।’

তাসকিন ব্যাট হাতে আনকোরা- এতদিন এমনটিই জানতেন সবাই। সেই তাসকিন রিয়াদের সঙ্গ পেয়ে যোগ করেন ৭৫ রান। তাসকিন নিজেই জানিয়েছিলেন, রিয়াদ দেড়শ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলার পথে কীভাবে আগলে রেখেছিলেন তাকে।

এ বিষয়ে রিয়াদ বলেন, ‘তাসকিন যেন মানসিকভাবে স্টেবল থাকে এটা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি। আর বলেছি স্ট্যাম্পের বল যেন বেশি ফোকাস করে। কারণ পিচ তখন কিছুটা স্লো হয়ে আসছিল। বাউন্স ততটা কার্যকরী হত না। সে ভালো ব্যাট করছিল। ওকে এই আত্মবিশ্বাসই দিচ্ছিলাম যেন এলবিডব্লিউ বা বোল্ড না হয়। আর সুযোগ থাকলে বাইরের বল সবগুলো জোরে খেলে আর স্কোর করার চেষ্টা করে।’

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।