রিয়াদ-সাকিবের ইতিবাচক মনোভাবে সাহস পান শরিফুল

পিচ যেমনই হোক, উইকেট শিকার করাকে যেন নিয়মে পরিণত করেছেন শরিফুল ইসলাম। যদিও বল হাতে ভালো শুরু তিনি হরহামেশা পান না। প্রত্যাশিত শুরু করতে না পারলেও শেষদিকে ছন্দ খুঁজে পাওয়ার ব্যাপারে সবসময় আশাবাদী থাকেন তরুণ এই পেসার।

ইতিহাস গড়া জয়ে টুইটারে প্রশংসার জোয়ারে ভাসছে টাইগাররা

Advertisment

শুধু বাংলাদেশ দলের হয়ে নয়, শরিফুলের সাথে এমন ঘটনা ঘটেছে ঘরোয়া কিংবা বয়সভিত্তিক ক্রিকেটেও। আর তাই প্রতিবাদ খারাপ শুরুর পরও চেষ্টা চালিয়ে যান, কীভাবে শেষদিকে ঘুরে দাঁড়ানো যায়। এমন মানসিকতার কারণে গুরুত্বপূর্ণ ওভারগুলোতেও দলের আস্থার জায়গা হয়ে উঠছেন তিনি।

শরিফুল বলেন, “আমি প্রায় ম্যাচে এরকম পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি যে প্রথম দিকে রান দেই। অনূর্ধ্ব-১৯, ‘এ’ দল বা জাতীয় দল- যাইই বলুন না কেন। যখন শুরুর দিকে রান দেই তখন ভাবি- আমার হাতে এখনও ১২ বল আছে কামব্যাক করার। আমি একটা ভালো ব্রেকথ্রু দিলে দলের জন্য ভালো হবে।”

সেই ব্রেক্তহ্রু শরিফুল নিয়ম করেই এনে দিচ্ছেন অস্ট্রেলিয়া সিরিজে। এর পেছনে শুধু নিজের নয়, দলের দুই সিনিয়র ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সাকিব আল হাসানের ইতিবাচক মনোভাবেরও কৃতিত্ব আছে। ম্যাচের পরিস্থিতি যেমনই হোক, রিয়াদ-সাকিবের ইতিবাচক মানসিকতা সাহস যোগায় শরিফুলের মত তরুণদের।

শরিফুল বলেন, “রিয়াদ ভাই, সাকিব ভাই সবসময়ই ইতিবাচক থাকেন। স্কোর যতই হোক না কেন, আমরা নামার আগে খুব ইতিবাচক কথা বলি। যখন কোন সিনিয়র জুনিয়র কাউকে কোনো ইতিবাচক কথা বলেন তখন এমনিতেই আমাদের মধ্যে সাহস আসে। একটা ইতিবাচক কথা সবসময়ই খেলার অনেক কিছু বদলে দেয়।”

“আমার ইতিবাচক মনোভাব থাকে- দুই ওভারে ভালো করে দলকে অনেক ভালো জায়গায় নিয়ে যাব। অনূর্ধ্ব-১৯ থেকেই এরকম ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে”– বলেন শরিফুল।

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।