Scores

লিটনকে নিয়ে আশাবাদী মুশফিক

উইকেট কিপিংটা খুবই ভালো লাগার কাজ মুশফিকের কাছে। খালেদ মাসুদের পর দীর্ঘ সময় ধরে তিন ফরম্যাটেই উইকেটের পেছনে অন্যতম ভরসার নাম ছিল মুশফিকুর রহিম। তবে দীর্ঘ সময় পর এই ট্রেন্ডের পরিবর্তন এনেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ২০১৫ সালে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিষেক হয় আরেক উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান লিটন দাসের।

লিটনকে নিয়ে আশাবাদী মুশফিক

ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে উইকেটের পেছনে দায়িত্বটা মুশফিকের কাঁধে থাকলেও টেস্টে আপাতত উইকেটের পেছনে দাঁড়ানো হচ্ছেনা এই অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের। কেননা টেস্টে উইকেটের পেছনে দায়িত্বটা থাকছে লিটনের কাছেই। অভিষেকের পর সীমিত ওভারের ক্রিকেটে এখনো নিজেকে মেলে ধরতে না পারলেও টেস্টে নিজেকে প্রমাণ করেছেন লিটন।

Also Read - ফিক্সিং কেলেঙ্কারি ইস্যু মনে করছেনা মোহামেডান!


চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে কোন না করে সাজঘরে ফিরলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ৯৪ রানের ইনিংস খেলেন এই তরুণ উইকেটরক্ষক। তাঁর এই ইনিংসের উপর ভর করে বাংলাদেশের ড্রয়ের কাজটা কিছুটা সহজ হয়ে গিয়েছিলো। এর আগের সফরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টেও ৭০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন লিটন।

টেস্টে ব্যাট হাতে যেমন নিজেকে প্রমাণ করতে পেরেছেন, উইকেটের পেছনেও বেশ চঞ্চল লিটন। ইতোমধ্যে উইকেটের পেছনে ধরেছেন বেশ কয়েকটি অসাধারণ ক্যাচও। ব্যাটসম্যান লিটন ও উইকেটকিপার লিটনের ভূয়সী প্রশংসা করেন মুশফিক। মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে লিটনকে নিয়ে আশার কথা শুনিয়েছেন তিনি।

“লিটন ব্যাটিং ভালো করছে। কিপিংও ভালো হচ্ছে। আমি মনে করি, ইনশাল্লাহ— সামনের আট দশ বছর সে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে অনেক কিছু দিবে।”

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট ড্র করলেও সেখান থেকেও ইতিবাচক ব্যাপার পেয়েছেন মুশফিক। চতুর্থ দিন শেষে টেস্টটি বাংলাদেশের হাত থেকে ফসকে যাওয়ার আশঙ্কা জাগলেও মুমিনুলের সেঞ্চুরি ও লিটনের ৯৪ দলকে ড্রয়ের দিকে নিয়ে যায়। প্রথম টেস্টের ইতিবাচক দিকগুলো দ্বিতীয় টেস্টেও কাজে লাগবে বললেন মুশফিক।

শেষ টেস্ট থেকে আমরা অনেক ইতিবাচক দিক নিয়ে আসতে পেরেছি।  আমাদের অতীত পরিসংখ্যানে বেশ কিছু টেস্ট আমরা এই পজিশন থেকে হেরেছি।  এটা আমাদের অনেক বড় প্রাপ্তি, আমরা টেস্ট ম্যাচটি ড্র করেছি। এটা আমাদের খুবই দরকার ছিল। এখানে লিটন ও মুমিনুলের জুটিটা অসাধারণ ছিল। আমি মনে করি চট্টগ্রামের টেস্টের পর টিম আরও বেশি উৎসাহ পাবে।

কিপিংটা সবসময়ই উপভোগ করেছেন মুশফিক। এটি সবসময়ই বলেন এই অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক। উইকেটের পেছনে দাঁড়ানোর সুবিধাও বলেন তিনি। তবে নতুনত্বে খুশি মুশফিক।

“আমি সব সময়ই এনজয় করি। কিপিং করলে পিছন থেকে সব কিছু বোঝা যায়। প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং না করলে, আগেই উইকেট বোঝা যায়। সে দিক থেকে বলবো হ্যাঁ, একটু নতুনত্ব আছে। আমি এটা নিয়ে খুশি।”

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

আউট হলেন আরিফুল, চাপে সফরকারীরা

আফগানদের হারাতে যেভাবে প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য সহজ লক্ষ্য

মেহেদী হাসানে দিশেহারা ভারত

হাতে সেলাই নিয়েই অনুশীলনে বিপ্লব