Scores

‘শচীন-সৌরভদের বিপক্ষে খেলা স্বপ্নের মতো ছিল’

২০০৭ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে এক দারুণ জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকে চমকে দেয় বাংলাদেশ। সেই ম্যাচ জয়ের মূল কাণ্ডারি ছিলেন সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও তামিম ইকবাল। তাদের অবদান ছিল ব্যাট হাতে। বল হাতে আগুন ঝরিয়ে ছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ভারতের বড় বড় তারকাদের বিপক্ষে খেলায় তখন সাকিবের কাছে স্বপ্নের মতো ছিল।

'শচীন-সৌরভদের বিপক্ষে খেলা স্বপ্নের মতো ছিল'

সম্প্রতি ক্রিকবাজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সাকিব জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটে তার দেখা সবচেয়ে সেরা তিন মুহূর্তের কথা। যদিও তার মধ্যে প্রথম ম্যাচটা সরাসরি দেখার সুযোগ সাকিবের হয়নি। তখনকার যুগে যুগে আর বর্তমান সময়ের মতো ঘরে ঘরে টিভি ছিল না। রেডিও ছিল অল্প কিছু বাড়িতে কিংবা দোকানপাটে রেডিওতে মানুষ খেলার ধারাভাষ্য শুনতো। রেডিওতে শোনার সৌভাগ্যও হয়েছিল না সাকিবের।

Also Read - তামিম-মুশফিকের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা উপভোগ করেন সাকিব

সরাসরি নিজ চোখে দেখা বা কানে শোনার সুযোগ না হলে কী হবে, সেই ম্যাচ জয়ের কথা শুনে আশেপাশের মানুষের সাথে তিনিও জয় উদযাপনে নেমেছিলেন। সেই স্মৃতিচারণ করে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার বলেন,

‘১৯৯৭ সালের অর্জন সবসময় উপরে থাকবে। সেখান থেকেই সাফল্য শুরু হয়েছিল। ম্যাচটা টিভিতে দেখা হয়নি, রেডিওতে শোনা হয়নি। বাংলাদেশে থেকে শুধু শুনেছিলাম বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জিতে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে। মানুষ রাস্তাঘাটে উল্লাস করছিল। আমিও তাদের সাথে যোগ দিয়েছিলাম, মজা করছিলাম, রঙ নিয়ে খেলছিলাম। এটাই মনে আছে। এখন চাইলেই ম্যাচটা ইউটিউবে দেখা যায়। কিন্তু তখন টিভি বা রেডিওতে দেখা-শোনা হয়নি, মনে আছে।’

এছাড়া ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তান ও ২০০৭ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে জয় সাকিবের কাছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সেরা মুহূর্ত, ‘১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারানোর ম্যাচ দেখেছিলাম। ২০০৭ সালে আমিই আবার দলের অংশ। আমার জন্য সেরা তিন মুহূর্ত।’

২০০৭ সালে ভারতকে হারানোর ম্যাচে তো বাংলাদেশ দলেরই অংশ ছিলেন এই বাঁহাতি ক্রিকেটার। যাদের দেখে বড় হয়েছেন এবার তাদের বিপক্ষে বিশ্বকাপ খেলার পালা, সাকিবের কাছে তো স্বপ্নের মতোই ছিল ব্যাপারটা। সে ম্যাচে অর্ধশত রান করে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি। সাকিব জানান, তখন ভারতীয় অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলির সাথেও টুকটাক কথা হতো তাদের। একই হোটেলে থাকার সুবাদে প্রায়ই দেখা হওয়ার সুযোগ ছিল।

সাকিবের ভাষায়, ‘২০০৭ বিশ্বকাপে আমরা একই হোটেলে ছিলাম। দুপুর বা রাতের খাবারের সময় শচীন, দাদা (সৌরভ) তাদের কাছ দিয়ে যেতাম। বাংলা ভাষাভাষী হওয়ায় দাদা আমাদের সাথে কিছু কথা বলতেন। দ্রাবিড়, শেবাগ- সব বড় বড় তারকারা সেখানে, যাদের খেলা দেখে বড় হয়েছি। আমরা খেলবো তাদের বিপক্ষে- এটাই স্বপ্নের মত ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভাবছিলাম- কী হতে যাচ্ছে! আমি, তামিম ও মুশফিক তখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক বছরও ঠিকমত পার করিনি। ৫ থেকে ১০টা ওয়ানডে খেলেছি একেকজন। ভারতের তারকাদের বিপক্ষে খেলতে পারব ভেবেই খুশি ছিলাম।’

একসময় হাফপ্যান্ট পরে যাদের খেলা টিভিতে দেখতেন তাদের বিপক্ষে সরাসরি খেলাটা উপভোগ করেছিলেন সাকিব, ‘১৯৯৮-৯৯ সালে যখন বাচ্চা ছিলাম, হাফপ্যান্ট পরে কারও বাসায় গিয়ে দেখতাম ভারত-পাকিস্তান, ভারত শ্রীলঙ্কা খেলছে। সময়টা উপভোগ করছিলাম। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাদের একটু নির্ভার রেখেছিল, যা কাজে দিয়েছে।’

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

Related Articles

রেকর্ড গড়া হাফিজের হাড়কিপটে বোলিংয়ে জিতল পাকিস্তান

কোহলি-রোহিতদের কোচ হওয়ার ভাবনা নেই দ্রাবিড়ের

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন উদানা

১ লাখ মার্কিন ডলার পুরস্কার পেলেন শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটাররা

মাথায় আঘাত পেয়ে ছিটকে গেলেন আজম খান