শহিদুলকে সাইফউদ্দিনের ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ হিসেবে দেখছেন ডমিঙ্গো

বাংলাদেশ দলে একজন পেস অলরাউন্ডারের ঘাটতি অনেক দিন ধরে। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন আশা জাগালেও চোটের কারণে দলে নিয়মিত থাকতে পারছেন না তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তাই আবির্ভূত হয়েছেন আরেক তরুণ শহিদুল ইসলাম। 

নির্বাচকদের বিশ্বাস ধরে রাখতে চান শহিদুল
শহিদুল ইসলাম। ফাইল ছবি

শহিদুল নজর কেড়েছিলেন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট দিয়ে। শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়েছিলেন টেস্ট দলের সাথে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজে স্ট্যান্ডবাই খেলোয়াড় হিসেবে দলের সাথে আছেন।

Advertisment

মূলত পেসার হিসেবে খ্যাতি অর্জন করলেও নিজেকে পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে গড়ে তুলছেন শহিদুল। তাই তাকে সাইফউদ্দিনের ভূমিকায় ভাবছে জাতীয় দলের টিম ম্যানেজমেন্ট।

গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে পেস বোলিং অলরাউন্ডারদের বিষয়ে ডমিঙ্গো বলেন, ‘সাইফউদ্দিন সম্প্রতি চোটে অনেক ভুগেছে। সে দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। শহিদুল ব্যাকআপ খেলোয়াড় হিসেবে আছে। সাইফউদ্দিনের সাথে তার ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।’

শহিদুলের মত সাইফউদ্দিনেরও মূল ভূমিকা বোলিংয়ে। তবে ব্যাট হাতে কম যান না। ডমিঙ্গো অবশ্য এখনই সাইফউদ্দিনকে ব্যাটিং অর্ডারের অংশ অর্থাৎ স্পেশালিষ্ট ব্যাটসম্যান হিসেবে গণ্য করতে নারাজ/

তিনি বলেন, ‘সাইফউদ্দিন বোলিং অলরাউন্ডার, বোলিংয়েও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মারকুটে ব্যাটিং পারে, তবে শীর্ষ ছয়ে ব্যাট করার মত হয়ে ওঠেনি এখনও। অতীতে বাংলাদেশের হয়ে দেশের মাটিতে ভালো করেছে। সময় পক্ষে না থাকলে পারফরম্যান্স দিয়ে পক্ষে আনতে হয়, এটাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট।’ 

ব্যাটিংয়ে সাইফউদ্দিন বা শহিদুলের মত অলরাউন্ডারদের কাজ লোয়ার মিডল অর্ডারে শক্তি জোগানো। শহীদুল প্রথম দুই ওয়ানডের মূল স্কোয়াডে নেই, তাই এই সিরিজে সাইফউদ্দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী শহিদুল নন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। লড়াই হতে পারে আফিফ হোসেন ধ্রুবর সাথেও!

ডমিঙ্গো জানান, ‘আমরা সাত নম্বরের জন্য এমন কাউকে চাচ্ছিলাম যে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি স্পিন পারবে। আফিফ, মোসাদ্দেক এই ভাবনা থেকেই। সৌম্য পেস বোলিং পারে, সে টপ অর্ডারেও আসতে পারে। মোসাদ্দেক লোয়ার মিডল অর্ডারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। সে এমন কেউ যে ম্যাচ শেষ করে আসতে পারবে, ভালো ফিল্ডার, বোলিং-ব্যাটিং পারে, ভালো প্যাকেজ।’