শান্ত থেকে চাপ উপভোগ করেন মুশফিক

তিন ম্যাচে ২৩৭ রান করে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের সিরিজসেরা হয়েছেন বাংলাদেশের মুশফিকুর রহিম। যে দুই ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছে সে দুই ম্যাচেই চাপ সামাল দিয়ে করেছেন দুর্দান্ত ব্যাটিং, দুই ম্যাচেই হয়েছেন ম্যাচসেরা। সিরিজশেষে মুশফিক জানালেন, চাপটা উপভোগ করেন তিনি।

শান্ত থেকে চাপ উপভোগ করেন মুশফিক
প্রথম ম্যাচে লিটন দাস ও সাকিব আল হাসানের দ্রুত বিদায়ের পর তামিম ইকবালকে নিয়ে হাল ধরেন মুশফিকুর রহিম। এরপর জুটি গড়েন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সাথে। খেলেন ৮৪ রানের অসাধারণ ইনিংস।

Advertisment

দ্বিতীয় ম্যাচে দুই অভিজ্ঞ তামিম-সাকিব শুরুতেই বিদায় নিলে ফের হাল ধরেন মুশফিক। প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল তো দেনই, টিকে থাকেন একদম শেষ পর্যন্ত।  তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৮ম শতক, করেন ১২৫ রান। নামের সাথে জুড়ে যাওয়া “মি. ডিপেন্ডেবল” যে বড্ড মানানসই  তারই যেন প্রমাণ এ দুই ইনিংস।  

দুই ইনিংসে বিপর্যয় সামাল দেওয়া মুশফিক জানালেন চাপের সময় শান্ত থেকে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা আদায় করার চেষ্টায় থাকেন তিনি।

মুশফিক বলেন, “আমি চাপটা বেশ উপভোগ করি। যখনই চাপ বা প্রত্যাশা থাকে তখন আমি শান্ত থাকার চেষ্টা করি। আমি জানি প্রতিপক্ষও হয়তো আমাকে বড় প্লেয়ার ভাবে। এটা আমাকে বাড়তি সুবিধা দেয়।”

কিছুদিন আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬ বছর পূর্ণ করা মুশফিকের এখন লক্ষ্য প্রতি ম্যাচে দলের হয়ে অবদান রাখা। তিনি বলেন,   “১৫ বছরের বেশি সময় ধরে আপনি যদি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেন, তখন আপনাকে দেশের হয়ে অনেক বেশি অবদান রেখে যেতে হবে। প্রতি ম্যাচে আমি এটাই করার চেষ্টা করি।”


এ সিরিজের আগের আন্তর্জাতিক দশ ম্যাচে কোনো জয় ছিল না বাংলাদেশের। এ সিরিজ জয় পেয়ে যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন ক্রিকেটাররা। তবে সিরিজ জিতলেও হোয়াইটওয়াশ না করতে পারার খানিকটা আক্ষেপ রয়েছে মুশফিকের মনে।

তিনি বলেন,  “আমার মনে হয় ছেলেরা খুব ভালো করছে। তারা এ সিরিজের জন্য অনেক পরিশ্রম করেছে। গত দুই মাস ধরে আমরা আমাদের সেরা ক্রিকেটটা খেলতে পারিনি। কিন্তু ভাগ্যবশত প্রথম দুই ম্যাচে আমরা আমাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারছি। দূর্ভাগ্যজনক যে আমরা শেষটা ভালো করতে পারিনি।