শেষ ভরসার নাম ‘ধৈর্য্যের পরীক্ষা’

0
435

নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২০৫ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় ও ম্যাচের চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করতে নামার আগে এরই মধ্যে আফগানিস্তানের পাহাড়সম রানের নিচে চাপা পড়ে আছে বাংলাদেশ দল। তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ৩৭৪ রানের লিড পেয়ে গেছে আফগানিস্তান, হাতে এখনো দুই উইকেট। এমন পরিস্থিতিতে জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখতে উইকেটে টাইগার ব্যাটসম্যানদের ধৈর্যের পরীক্ষা দেওয়ার বিকল্প দেখছেন না অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ।

Advertisment

চট্টগ্রাম টেস্টে শেষ পর্যন্ত কোথায় যেয়ে থামবে সফরকারীরা! তবে যেখানেই থামুক, এরই মধ্যে স্বাগতিকদের নাগালের বাইরে চলে গেছে রশিদ খানের দল। কেননা সাদা পোশাকের ক্রিকেটে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ দলের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ৪১৩ রান থাকলেও ২৫০ এর বেশি রানের লক্ষ্য টপকিয়ে কখনো জেতা হয়নি লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের।

শেষপর্যন্ত লক্ষ্যটা যেখানেই যেয়ে থামুক, হারের আগে হারতে নারাজ বাংলাদেশ দল। তৃতীয় দিনের খেলা শেষে স্বগতিক দলের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসা অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ বললেন অসাধ্যকে সাধন করতে হলে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটসমদেরকে দিতে হবে চরম ধৈর্যের পরীক্ষা, নিতে হবে চ্যালেঞ্জ।

মিরাজ বলেন, ‘টেস্ট ম্যাচ সবসমই চ্যালেঞ্জিং আর সবসমই কঠিন। চতুর্থ ইনিংসে অবশ্যই অনেক টান থাকে (উইকেটে)। আমার কাছে মনেহয় যে এখন আমাদের ব্যাটসম্যানদের ধৈর্যের পরীক্ষা আর চ্যালেঞ্জটা আরও বেশি নিতে হবে। আমাদের ধৈর্যটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং সেই ধৈর্যের পরীক্ষাটাই দিতে হবে আমার কাছে মনে হয়।’

দলের সবার মধ্যেই ঘুরে দাঁড়ানোর আত্মবিশ্বাসটা এখনো আছে বলেও জানান এই স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার, ‘প্লেয়ার হিসাবে আমরা যদি ভেঙ্গে পড়ি তাহলে দিনশেষে আমরাতো খেলতেই পারবো না, মাঠেই নামতে পারবো না। আমাদের সবারই আত্মবিশ্বাস আছে।’

‘ক্রিকেট খেলায় কিন্তু হার-জিত আছে। ম্যাচ জিতলে হাসিখুশি আবার হারলে একেবারে শেষ! আসলে এইরকম কোনকিছুই না। আমার কাছে মনেহয় এখনো সবাই খেলার ভিতরেই আছি। খেলা শেষে রেজাল্ট হয়তো একটা আসবে, সেইটা নিয়ে পরে চিন্তা। কিন্তু এখন আমরা স্টিল খেলার মধ্যেই আছি।’ সাথে যোগ করেন তিনি।