সত্তর মিনিট টিকে থাকার সামর্থ্য নেই বাংলাদেশের!

0
884

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে রেকর্ড ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ দল। বৃষ্টিও বাঁচাতেও পারল না বাংলাদেশকে। সাকিব অবশ্য দুষছেন নিজেদেরকেই। এমনকি নিজেরদের সামর্থ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

শেষ বিকালে প্রথম বলেই আউট হন সাকিব। ছবিঃ এএফপি

 

Advertisment

পঞ্চম দিনে বড় প্রশ্ন ছিল সারাদিন কী টিকতে পারবে বাংলাদেশ নাকি ইতিহাস গড়ে টেস্ট জিতবে আফগানিস্তান? সেসব প্রশ্ন যখন ঘুরপাক খাচ্ছিল তখনই বৃষ্টি হানা দেয় ম্যাচে। এ যেন প্রকৃতিও বাংলাদেশের পক্ষে যাচ্ছে। কেননা এ উইকেটে সারাদিন টিকে থাকা যে একবারেই অসম্ভব ব্যাপার। মাঝের সময়টায় হালকা খেলা হলেও আবারও বৃষ্টি বাগড়া দেয় ম্যাচে।

শেষ বিকেলে বৃষ্টি থামলে ম্যাচ শুরু হয়। এ ম্যাচ ‘ড্র’ করতে হলে কমপক্ষে বাংলাদেশকে খেলতে হবে ১৮ ওভারের মত আর মিনিট হিসাব করলে প্রায় সত্তর মিনিটের মত ক্রিজে টিকে থাকতে হবে বাংলাদেশকে। কিন্তু সে আর হলো কই! সত্তর মিনিটের আগেই সব উইকেট হারিয়ে লজ্জাজনকভাবে হারে বাংলাদেশ। তাই তো প্রশ্ন উঠেছে বাংলাদেশের সামর্থ্য নিয়ে। সংবাদ সম্মেলনে সাকিব বলেন,

“ফলাফল যদি তাহলে বলবো অবশ্যই সামর্থ্য নাই। সে সামর্থ্য যদি থাকত তাহলে ফলাফল অন্যরকম হতো। তাইজুলের আউটটা দুর্ভাগ্য বলবো আমি। মিরাজ যদি রিভিউটা নষ্ট না করত তাহলে হয়ত সেটা তাইজুল নিতে পারত। ও আগের ইনিংসে ভালো ব্যাটিংই করেছে। সৌম্য ধরেন রানটা নিয়ে মাথায় হাত দিয়েছিল, ও বুঝতেই পারছিল ওর রোলটা কী… কী করা উচিৎ। এ জিনিসগুলো থেকে অনেক কিছু শেখার আছে এখন কতদিন লাগবে সেটাও একটা বড় ব্যাপার।”

শেষ বিকালে ম্যাচ ‘ড্র’ করতে হলে সাকিবের টিকে থাকা খুবই প্রয়োজন ছিল। কিন্তু তিনিই যেন করলেন উল্টো কাজ। দ্বিতীয় দফায় ম্যাচ শুরু হওয়ার প্রথম বলেই অফ স্ট্যাম্পের বাইরের বল কাট করতে গিয়ে কিপারের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। সেটির ব্যাখ্যাও দিয়েছেন সাকিব।

“আমার মাইন্ডসেট যেটা ছিল তখন অনেক নার্ভাস লাগতেছিল যেটা কিনা দুপুরে ব্যাটিং করার সময় মনে হয়নি। স্বাভাবিকভাবে চেয়েছিলাম প্রথম বলটা ভালোভাবে খেলি কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে গিয়েছি।”