Scores

সাইফউদ্দিনের অগ্নিঝরা বোলিং, কাপালি-নাঈমের ব্যাটিং দৃঢ়তা

মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে আরও একবার বল হাতে দ্যুতি ছড়ালেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় পাঁচ উইকেটের দেখা পেয়েছেন তিনি। তার এমন অগ্নিঝরা বোলিংয়ের দিন অর্ধশতক হাঁকিয়ে দলের মান বাঁচিয়েছেন অলক কাপালি ও নাঈম হাসান।

 

ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় পাঁচ উইকেটের দেখা পেলেন সাইফউদ্দিন
ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় পাঁচ উইকেটের দেখা পেলেন সাইফউদ্দিন।

টস হেরে প্রতিপক্ষের আমন্ত্রণে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে রাইম ব্যাংক। আগের তিন ইনিংসের মতো এদিনও সুবিধা করতে পারেননি এনামুল হক। সাইফউদ্দিনের গতিতে পরাস্ত হয়ে বল আঘাত হানে প্যাডে। আর তাতেই আসরের তৃতীয় গোল্ডেন ডাক পুঁজি করে মাঠ ছাড়েন তিনি।

Also Read - দল নিয়ে সন্তুষ্টির প্রশ্নে নিরুত্তর রোডস


এরপর প্রথম স্পেলে আরও একবার দলকে উদযাপনের উপলক্ষ এনে দেন সাইফউদ্দিন। ডানহাতি এ পেসারের সাথে সাফল্যর মিছিলে যোগ দেন অধিনায়ক মাশরাফিও। একে একে তুলে নেন সালমান হোসেন ও জাকির হাসানের উইকেট। ৩৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে প্রাইম ব্যাংক।

বিপর্যয় কমার বদলে উটো বাড়ে এর কিছুক্ষণ পর। মিরাজের বলে আল-আমিন জুনিয়র (১৮) ও সৌম্যর বলে আরিফুল হক (৯) আউট হলে ৬৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে দলটি।

অল্প রানে গুঁটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় যখন তখন সপ্তম উইকেটে স্বস্তির বার্তা দেন কাপালি ও নাঈম। দুজনে মিলে গড়েন ১১৪ রানের জুটি। যা সম্মানজনক পুঁজির পথে এগিয়ে নেয় প্রাইম ব্যাংককে। ১১২ বল মোকাবেলায় ৮০ রান করে কাপালি সৌম্যর শিকারে পরিণত হলে বিচ্ছিন্ন হয় মূল্যবান এ জুটির।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮০ রান করেন অলক কাপালি।
প্রাইম ব্যাংকের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলেন অলক কাপালি।

আউটের আগে ১২৮ মিনিট ক্রিজে থেকে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি খেলেন কাপালি।

তার বিদায়ের পর হাল ধরে খেলতে থাকেন নাঈম। অষ্টম উইকেট জুটিতে মনির হোসেনের সাথে যোগ করেন ২৯ রান। দ্রুতগতিতে রান তুলতে থাকা মনিরের উইকেট তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু এনে দেন সাইফউদ্দিন। সেই সাথে ছন্দপতন ঘটান প্রতিপক্ষের ইনিংসের।

এরপর অর্ধশতক পূর্ণ করেন নাঈম। তবে সতীর্থ ব্যাটসম্যানদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সহযোগিতা না পাওয়ায় বেশি বড় করতে পারেননি দলের পুঁজির ভান্ডার। আব্দুর রাজ্জাকের পর আল-আমিন হোসেনের উইকেট তুলে নিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় পাঁচ উইকেট প্রাপ্তি নিজের নামের পাশে যোগ করেন সাইফউদ্দিন।

তার অগ্নিঝরা বোলিংয়ে ৩ বল বাকি থাকতেই ২২৬ রানে অলআউট হয় বিজয়রা। শেষ পর্যন্ত ৭৬ বল মোকাবেলায় ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন নাঈম। ৫ চারে ইনিংসটি সাজান তিনি।

৩২ রান খরচায় সাইফউদ্দিন ৫টি উইকেট লাভ করেন। আবাহনীর বাকি বোলারদের মধ্যে দুটি করে উইকেট শিকার করেন মাশরাফি ও সৌম্য। তাছাড়া একটি উইকেট নেন মিরাজ।

সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড-

প্রাইম ব্যাংক: ৪৯.৩ ওভারে ২২৬-১০।
কাপালি ৮০, নাঈম ৫১*, মনির ১৯; সাইফউদ্দিন ৯-০-৩২-৫, সৌম্য ৯-০-৪২-২, মাশরাফি ১০-০-৫০-২।

প্রথমবারের মত বিডিক্রিকটাইম নিয়ে এলো অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন। বাংলাদেশ এবং সকল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বল বাই বল লাইভ স্কোর, এবং সাম্প্রতিক নিউজ সহ সবকিছু এক মুহূর্তেই পাবেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় অনলাইন পোর্টাল BDCricTime এর অ্যাপে। অ্যাপটি ডাউনলোড করতে গুগল প্লে-স্টোর থেকে সার্চ করুন BDCricTime অথবা ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

‘লোভের বশে’, ‘লুকিয়ে’ ডিপিএল খেলেছেন সাইফউদ্দিন!

সৌম্যকে যেভাবে সাহায্য করেছেন জাফর

ওয়াসিম জাফরের পরামর্শ কাজে লাগানোর প্রত্যাশা

তাণ্ডবের আগে ‘নার্ভাস’ ছিলেন সৌম্য

গর্বিত ‘অধিনায়ক মোসাদ্দেক’, কৃতিত্ব মাশরাফিকে