সাকিবকে যেতে হচ্ছে শল্যবিদের ছুরির নিচে

বছরের শুরুতে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলার সময় ফিল্ডিং করতে গিয়ে বাম হাতের কড়ে আঙুলে চোট পেয়েছিলেন সাকিব। সেই চোটের কারণে বেশ কিছুদিন ক্রিকেট থেকেও ছিলেন দূরে। সাকিবের কড়ে আঙুলের সেই চোট পুরোপুরি সেরে ওঠেনি এখনও। তাই নিকট ভবিষ্যতে তাকে যেতে হবে শল্যবিদের ছুরির নিচে।

সাকিবের হাতে চারটি সেলাই
সাকিব আল হাসান, ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলার সময় যখন পেয়েছিলেন চোট। © বিডিক্রিকটাইম

ঐ ইনজুরির পর সাকিবের অস্ত্রোপচার হয়নি। ভেবে নেওয়া হচ্ছিল, সহসাই সুস্থ হয়ে উঠবেন তিনি। দুই মাসের বিরতির পর সাকিব মাঠে ফিরেছিলেন ঠিকই। তবে কড়ে আঙুল এখনও পুরোপুরি সমস্যা বা চোটমুক্ত হয়নি। আর তাই সাকিবকে করতে হবে অস্ত্রোপচার, যা কারণে আরও মাসদুয়েক থাকতে হবে মাঠের বাইরে।

এক্ষেত্রে বর বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের আঁটসাঁট ক্রিকেটীয় শিডিউল। উইন্ডিজ সিরিজ শেষ করে এশিয়া কাপ। এরপর জিম্বাবুয়ে সিরিজ, তার পরপরই উইন্ডিজকে দিতে হবে আতিথেয়তা। নতুন বছরের শুরুতে বিপিএল, এরপর নিউজিল্যান্ড সফর শেষ করে মনোযোগ দিতে হবে বিশ্বকাপে। সাকিব তাই এমন সুযোগ পাচ্ছেনই না- যাতে কোনো ম্যাচ বা সিরিজ বাদ না দিয়ে অস্ত্রোপচার করান যাবে।

Also Read - বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়লেন আকমল-শেহজাদ


এক্ষেত্রে সাকিব অস্ত্রোপচার ও এর পরবর্তী পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার জন্য বেছে নিতে পারেন অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রতিপক্ষের বিপক্ষে কোনো লড়াইকে। সেই হিসেবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজের সময়টাতেই অস্ত্রোপচার হতে পারে সাকিবের।

কড়ে আঙুলে সাকিবের এই ব্যথা উইন্ডিজ সফরের শুরু থেকেই কষ্ট দিচ্ছে তাকে। সাকিব বলেন, আঙুলের ব্যথাটা পুরো সফর ধরেই ভোগাচ্ছেএত দিন ওষুধ খেয়ে চালিয়েছিকিন্তু ব্যথা বাড়তে থাকায় আজ ইনজেকশন নিলামএবার অপারেশন করানো লাগবে।’

অস্ত্রোপচারের পর মাঠের বাইরে থাকতে হবে প্রায় দুই মাস। সাকিব বলেন, এ ধরনের অপারেশনের পর ছয় থেকে আট সপ্তাহ (সুস্থ হতে) লাগে। সামনে তো অনেক খেলাহয়ত সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ সিরিজটার সময় অপারেশন করাবসেটা বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করেই নেব।’

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন