Scores

সাকিবের উপর মূল আস্থা হাথুরুসিংহের

Hathurusingha

মোঃ সিয়াম চৌধুরী

সেই ২০০৯ সাল থেকে বলতে গেলে সাকিব একাই টেনে নিয়ে যাচ্ছেন দেশের ক্রিকেটকে। মাঝেমধ্যে তাঁর সঙ্গী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ আশরাফুলরা। প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে আশরাফুল নেই নিষেধাজ্ঞার কারণে। বিশ্বকাপে দলে আছেন মুশফিক, তামিম, মাশরাফি, মাহমুদল্লাহ, নাসিরের মতো ‘প্রতিপক্ষের আতঙ্ক’স্বরূপ খেলোয়াড়েরা। তবে চলতি বিশ্বকাপে হাথুরুসিংহের সবচেয়ে বড় আস্থা সাকিবই।

Also Read - টপ অর্ডারে ভালো করাটা গুরুত্বপূর্ণ- মাহমুদুল্লাহ


বিশ্বকাপে ভালো করার ব্যাপারে বেশ আশাবাদী হাথুরুসিংহে। দেশে থেকে অস্ট্রেলিয়া উড়াল দেওয়ার আগে এবং অস্ট্রেলিয়া পৌঁছে পৃথক দুটি সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ন্যূনতম কোয়ার্টার ফাইনালে খেলতে চান। যদিও শ্রীলঙ্কান এই কোচের অধীনে গত বছরের শেষাংশে জিম্বাবুয়েকে সবগুলো সিরিজ হারানো ছাড়া আর কোনো বলার মতো সাফল্য নেই দলের। তবুও আশাবাদী ও আত্মবিশ্বাসী কোচ।

বিশ্বকাপে সাকিব আল হাসানই বাংলাদেশকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিবেন বলে বিশ্বাস হাথুরুসিংহের। একই সাথে তাঁর চোখ নতুন ও তরুণ ক্রিকেটারদের দিকেও। তাঁর প্রত্যাশা, দলের উঠতি ক্রিকেটাররা বড় মঞ্চে নিজেদের মেলে ধরতে পারবেন দারুণভাবে।

গত ৬-৭ বছরে বাংলাদেশ দলের উন্নতির পরিসংখ্যানে সবচেয়ে বড় অবদান সাকিবের। গত মাসে প্রথমবারের মতো অর্জন করেন ক্রিকেটের সব ফরম্যাটে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হওয়ার খেতাব। বিশ্বকাপের আগে বিশ্বকাপের ভেন্যু অস্ট্রেলিয়ায় বিগব্যাশ উপলক্ষে মেলবোর্ন রেনেগেডসের হয়ে খেলেছেন কয়েকটি টি-২০ ম্যাচও, যেগুলো সাকিব ও দলের জন্য বেশ কাজে আসবে বিশ্বকাপের সময়। সব মিলিয়ে সাকিবই হাথুরুসিংহের চোখে দলের সেরা খেলোয়াড়।

অস্ট্রেলিয়ায় দলের অনুশীলনের সময় সংবাদমাধ্যমের সাথে আলাপকালে হাথুরুসিংহে বলেন, ‘আমাদের কিছু বিশ্বসেরা ক্রিকেটার রয়েছে। আমাদের আছে সব ফরম্যাটের সেরা অলরাউন্ডার। তরুণ খেলোয়াড়দের ব্যাপারেও আমি আশাবাদী এবং দেখতে চাই বড় মঞ্চে তাঁরা কেমন করে। যদিও কিছু খেলোয়াড়েরা এখানে খেলেছে কিন্তু অস্ট্রেলিয়ায় বেশীরভাগ ক্রিকেটারই প্রথমবারের মতো খেলতে যাচ্ছে। আমরা ভালো করার জন্য কেবল সামনে তাকাচ্ছি।’

সাকিবকে ‘বিস্ফোরক’ ব্যাটসম্যান ও ‘অত্যন্ত বুদ্ধিমান’ বোলার আখ্যা দিয়ে কোচ বলেন, ‘আমি আশা করছি সাকিব দলের পারফরমেন্সে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিবে। আপনারা সবাই হয়ত তাঁকে মেলবোর্ন রেনেগেডসের হয়ে খেলতে দেখেছেন। সে একজন বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান যে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে ম্যাচকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। সে অনেক বুদ্ধিমান একজন বোলার।’

বিশ্বকাপের চাপকে স্বাভাবিক উল্লেখ করে হাথুরুসিংহে জানালেন উদ্বেগের কথা, ‘আমরা সবাই কিছুটা নার্ভাস। আমরা ভালো করতে আশাবাদী। আমি মনে করি কিছুটা দুশ্চিন্তা বোধ করা ভালো, এখন তা অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড বা আফগানিস্তান যে কারো বিপক্ষে হোক। যার বিপক্ষেই আমরা শুরু করি, কোনো পার্থক্য নেই। গুরুত্বপূর্ণ হল প্রথম ম্যাচটি জেতা।’

প্রস্তুতি ম্যাচের হারগুলোকে বিপজ্জনক বলতে নারাজ বাংলাদেশের কোচ। তাঁর মতে, দল নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিশ্লেষণ করায়ই পারফরমেন্সে প্রভাব পড়েছে।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে হাসপাতালে মাশরাফি

এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতলো ভারত

মেডিকেল রিপোর্টের উপরেই নির্ভর করছে সাকিবের এনওসি

শঙ্কা কাটিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলছেন মুস্তাফিজ

দুদকের শুভেচ্ছাদূত হলেন সাকিব