Score

সাকিবের দেশে ফেরায় প্রধান ভূমিকা পাপনের!

জাতীয় দলের শক্ত খুটি হিসেবে পরিচিত সাকিব আল হাসান। তাই তার ইনজুরিতে পরে দীর্ঘ সময়ের জন্য মাঠের বাইরে ছিটকে পড়া নিয়ে সরগরম হয়ে উঠেছে ক্রিকেটমহল। দলের ফিজিও, টিম ম্যানেজমেন্টের সাথে নানা প্রশ্নে জর্জরিত হয়েছেন বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপনও।

"একাধিক বিয়ে করলে বিসিবির কিছু করার নেই"

এবার সেসব বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমের সাথে কথা বলেছেন তিনি। জানালেন এশিয়া কাপে সাকিব খেলবে কিনা তা জানতেনই না তিনি।  কেউই তাকে নিশ্চিত করেনি সাকিবের অংশ নেয়ার বিষয়ে।  তিনি বলেন, “সাকিব টিমের সাথে জয়েন করবে না, এখন অ্যামেরিকা যাচ্ছে, ওখান থেকে ডাইরেক্টলি সে এশিয়া কাপে খেলার জন্য আসবে।  তখন প্রথম শুনলাম সাকিব খেলছে।  আমরা কিন্তু জানিই নি। সাকিব যে খেলবে কি খেলবে না এই ডিসিশনতো কেউ দিচ্ছে না, হয় ডাক্তারকে বলতে হবে অথবা সাকিবকে বলতে হবে অথবা কাউকেতো বলেতে হবে অথবা ফিজিওকে। ”

Also Read - আশরাফুলের সাবধানী শুরু

এশিয়া কাপ শেষ না করেই সাকিবের দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন তিনিই। এছাড়া সাকিবের চিকিৎসা নিয়েও ধোয়াশার মধ্যে ছিলেন তিনি।  এ বিষয়ে তিনি বলেন, “পাকিস্তানের সাথে খেলার আগের দিন আমি চলে আসি মাঠ থেকে। খেলা শেষ করে ওইদিনই আবু ধাবি থেকে দুইটার ফ্লাইট ধরে ঢাকায় আসি। পরবর্তী দিন আবার ফেরত চলে যাই। তখন হোটেলে গিয়ে দেখি সাকিব আরও কয়েকজন বসা। ওখানে ওর হাতটা দেখে আমি অবাক হই। হাতটা অনেক ফোলা। এর আগেও ওর হাতটা আমি দেখেছি কিন্তু এরকম অবস্থা দেখিনি।  ও তখন কথায় কথায় বলছে আমি খেলতে পারব না। কিন্তু কয়েকজন পাশ থেকে বলছে, না খেলতেই হবে এটা সেমিফাইনাল, যে করেই হোক আপনার খেলতে হবে। ন্যাচারালি এটা সবাই বলে। এটাই আমাদের সেমিফাইনাল এটা জিতলে আমরা ফাইনালে যাব, এই সমস্ত কথাবার্তা। আমি তখন ক্লিয়ারকাট বলেছি সাকিব তুমি এক্ষণ যাও। এক্ষণ তুমি এখান থেকে কোথায় যাবা বলো। বলে অ্যামেরিকায় যাব। আমি বলছি আজকেই যাও। তোমার ফ্যামিলি কোথায়। বলল ঢাকায়, বলছি ঢাকায় পাঠায় দেও।”

তখন এ পর্যন্তই সাকিবের সাথে পাপনের শেষ কথাবার্তা হয় বলে জানান তিনি।  তিনি জানতেন সাকিব অ্যামেরিকায় গিয়েছেন। কিন্তু তখন অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি সাকিব।  এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি পরদিন শুনলাম যে ও অ্যাপোলো হাসপাতালে। আমি কিন্তু জানি ও অ্যামেরিকায়। কারণ ও আমাকে বলেছে ও অ্যামেরিকায় যাচ্ছে। হয়তো কোন কারণ ডেফিনেটলি আছি, আমি ওকে ব্লেইম করছি না।”

পরে দেশে ফিরে সাকিবের সাথে দেখা করতে হাসপাতালে যান তিনি।  অভিজ্ঞতা থেকে ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলে দিয়েছেন ওষুধ পরিবর্তন করার পরামর্শও। ভয় পেলে সাকিবের পাশে থেকে সাহসও যুগিয়েছেন তিনি।  তিনি বলেন, “আমি পরে ওখানকার ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বললাম। জানতে পারলাম ওরা আঙুল থেকে পুঁজ বের করবে, ও ভয় পাচ্ছে। আমি ওকে বললাম, দেখো ওরা কিছু করবে না। তবে পুঁজ থাকাটা কিন্তু খুব রিস্কি। এক্ষুণি বের করে ফেলো, কিচ্ছু হবেনা। তো করলো, আমি পরে কথা বললাম ও বললো ভালো আছে।”

Related Articles

অস্ত্রোপচার নাও লাগতে পারে সাকিবের!

বোর্ডের মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠছে ক্রিকেটারদের চোট

৬০-৭০ ভাগ সেরে উঠলেই খেলতে পারবেন সাকিব

‘সাকিব মানসিকভাবে শক্ত, একজন যোদ্ধা’

কবে শেষ হবে তামিমের পুনর্বাসন?