Scores

সাকিবের রেকর্ডে ভাগ বসালেন রশিদ

চট্টগ্রাম টেস্টে এক রেকর্ড গড়েছেন আফগানিস্তানের টেস্ট অধিনায়ক রশিদ খান। একই ইনিংসে ফিফটি ও পাঁচ উইকেট শিকার করে এ রেকর্ড গড়েন আফগান অধিনায়ক।

প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট শিকার করেছেন রশিদ। ছবিঃ বিডিক্রিকটাইম

টেস্ট ক্রিকেটে সবে নতুন আফগানিস্তান ক্রিকেট দল। সাদা পোশাকের ক্রিকেটে নতুন হলেও সীমিত ওভারের ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা দিয়ে বাংলাদেশের মাটিতে স্বাগতিকদের বেশ ভোগাচ্ছে আফগানিস্তান। রশিদ খান বিশ্ব ক্রিকেটে মূলত বোলার হিসেবেই বেশ পরিচিত। তবে ইদানিং বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাটটাও ভালোই চালান এ আফগান তারকা ক্রিকেটার।
বাংলাদেশের বিপক্ষে টস করতে নেমেই নতুন এক রেকর্ড গড়েছিলেন রশিদ খান। টেস্ট ক্রিকেটে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে অধিনায়ক হওয়ার নতুন রেকর্ড গড়েছেন তিনি। এতদিন এ রেকর্ডের মালিক ছিলেন জিম্বাবুয়ের টাইবু। টেস্টে সর্বকনিষ্ঠ অধিনায়ক হিসেবে রেকর্ড গড়ার পর চট্টগ্রাম টেস্টে নতুন আরেক রেকর্ড গড়েছেন তিনি।

চট্টগ্রাম টেস্টে আগে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছিলেন রশিদ। আসঘর আফগান আউট হওয়ার পর আফসার জাজাই, কাইস আহমেদ, জহির খানদের সঙ্গে জুটি গড়ে দলীয় সংগ্রহ বড় করেছেন রশিদ। সেই সাথে ব্যাট হাতে ফিফটির দেখাও পেয়েছেন তিনি। ৬১ বলে ৫১ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে আউট হলে বোলিংয়ের বল হাতে একাই বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে ধ্বস নামিয়ে দিয়েছেন তিনি।

Also Read - শুধু প্রতিপক্ষ নয়, সামলাতে হবে ‘গ্যালারির দর্শকদেরও’


ব্যাট হাতে ৫০ করার পর বল হাতে তুলে নিয়েছেন পাঁচ উইকেটও। দুই বিভাগে অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্সের জন্য আরও একটি রেকর্ড গড়েছেন তিনি। টেস্টে অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক ম্যাচ একই টেস্টে ফিফটি ও পাঁচ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েছেন রশিদ খান।

রশিদ বাদেও এ রেকর্ডে রয়েছে সাকিবের নামও। ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে বল হাতে পাঁচ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাটিং ৯৬ রান করে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন সাকিব। তিনি বাদেও রয়েছেন পাকিস্তানের ইমরান খান ও স্ট্যানলি জ্যাকসন।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

নেই ব্রড-রুট ও ওপেনার, বিতর্কিত টেস্ট দল সাজালেন পূজারা

জেদের বশে ধোনির মাথায় বল ছুঁড়েছিলেন শোয়েব

রান না করলে এটাই ছিল আমার শেষ ম্যাচ : বাটলার

পাকিস্তানের ২০ বছরের রেকর্ড ভেঙে ইংল্যান্ডের রোমাঞ্চকর জয়

ইংল্যান্ড স্কোয়াডে যুক্ত হলেন আরও এক পেসার