সাকিব-তামিমদের ছাড়াই ঘরোয়া ক্রিকেট আয়োজনের পরিকল্পনা

ঘরোয়া ক্রিকেটে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের খেলার বিষয়ে বিগত দিনে কঠোর অবস্থান ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। তবে টাইগারদের আন্তর্জাতিক সূচির ব্যস্ততার কারণে কিছুটা নরম হচ্ছে বোর্ডের সুর। নিকট ভবিষ্যতে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ছাড়াই ঘরোয়া ক্রিকেট আয়োজনের পরিকল্পনা বিসিবির।

সাকিব-তামিমের নৈপুণ্যে জয় দিয়ে বাংলাদেশের প্রত্যাবর্তন

Advertisment

জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। তবে জাতীয় দলে থিতু হয়ে গেলে অনেকেই ঘরোয়া ক্রিকেটে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। বোর্ড অবশ্য ক্রিকেটারদের ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার জন্য পরোক্ষ এক চাপের মুখে রেখেছে। যার ফলস্বরূপ জাতীয় দলের সব ক্রিকেটার টানা ক্রিকেটের ধকল ভুলে খেলছেন চলমান ঢাকা প্রিমিয়ার লিগেও।

তবে করোনাকালে টানা ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়া চাট্টিখানি কথা নয়। বিষয়টি অনুধাবন করছে বিসিবিও। এ বছর অনুষ্ঠিত হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, তার আগে একটি অ্যাওয়ে সিরিজ ও তিনটি হোম সিরিজ। এতসব খেলার কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের ছাড়াই ঘরোয়া টুর্নামেন্টগুলো আয়োজন করতে চায় বিসিবি।

বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন আশা প্রকাশ করেন, আন্তর্জাতিক সূচির কারণে ঘরোয়া ক্রিকেটে কোনো প্রভাব পড়বে না। তিনি বলেন, ‘ঘরোয়া ক্রিকেট আয়োজনে প্রভাব পড়বে না। আমরা একটা নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছি যে, আগামীতে যদি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সাথে ঘরোয়া ক্রিকেটের সংঘর্ষ হয় তাহলে আমাদের আন্তর্জাতিক খেলার বাইরের খেলোয়াড়দের নিয়েই ঘরোয়া ক্রিকেট করতে হবে। আমাদের এই সীমাবদ্ধতার মধ্যেই খেলা চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সূচি একসাথে পড়ে গেলে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ঘরোয়া ক্রিকেটে পাওয়া যাবে না।’

কোনো সফরের আগে এখন দীর্ঘ সময় কোয়ারেন্টিন করতে হয় ক্রিকেটারদের। এমনকি দেশের মাঠে খেললেও আছে বায়োবাবলের ভোগান্তি। মূলত এসব কারণেই ঘরোয়া ক্রিকেটের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের ছাড় দেওয়ার ভাবনা বিসিবির।

সুজন বলেন, ‘সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল লজিস্টিকাল ও অন্যান্য এরেঞ্জমেন্ট নিয়ে কোয়ারেন্টিনের সময় নিয়ে সফর চালিয়ে যাওয়া। আপনারা দেখছেন কোনো কেনো ক্ষেত্রে প্র্যাকটিস সেশন পর্যন্তও কাটছাঁট করতে হচ্ছে। এটাই বাস্তবতা। এসব বিষয় এখন কম্প্রোমাইজ করতে হচ্ছে। আমাদের যা করতে হচ্ছে অন্যদেরও তা করতে হচ্ছে।’