Scores

সাকিব-মাশরাফির অভিমত, বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কিছু দেখছেন না সুজন

মন্তকদিন আগেই বিসিবিতে বোর্ড পরিচালকদের বিরুদ্ধে গুরুত্বর অভিযোগ আনেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের দুই আইকন মাশরাফি মুর্তজা ও সাকিব আল হাসান। তবে খালেদ মাহমুদের ভূয়সী প্রশংসা করলেও তাঁদের কথার বেশি গুরুত্ব দিতে ইচ্ছুক নন বিসিবির এই পরিচালক।

‘অধিনায়কত্ব’ ইস্যুতে ভীষণ চটেছেন সুজন!
খালেদ মাহমুদ সুজন। ফাইল ছবি: বিডিক্রিকটাইম

ভিআইপি প্রেস-বক্সে ক্রিকেটারদের উলঙ্গ করা হয়- এমন গুরুত্বর অভিযোগ এনেছিলেন মাশরাফি। এটি বাদেও আরও বেশ কয়েকটি অভিযোগ আনেন মাশরাফি। বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়কের মতো বোর্ড পরিচালকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন সাকিবও। বোর্ডে বসে নিজেদের দায়িত্ব পালন করছেন না বলে জানান।

তবে দুজনেই ব্যতিক্রম ছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজনের বেলায়। তারা দুজনেই মনে করেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নতির পেছনে সুজনের অবদানের জন্য যতটানা সম্মান প্রাপ্য ততটুকু পাননি তিনি। এছাড়াও যুব বিশ্বকাপ জয়ের পেছনেও যে সুজনের অবদান কর বড় সেটিও তুলে ধরেন তারা। বোর্ড পরিচালকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার পর এখনও মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেননি কেউই।

Also Read - মুশফিককে নিয়ে শঙ্কা, অধরা জয়ের খোঁজে বাংলাদেশ


তবে শনিবার মিডিয়ার সঙ্গে আলাপ করেছেন খালেদ মাহমুদ। মাশরাফি এবং সাকিব কোন দুঃখ থেকে অভিযোগগুলো করেছেন কি না সেই সম্পর্কে কোন ধারণা নেই তার।

“আমি আসলে ওইরকম মন্তব্য করতে চাই না। আমি যেটা বলতে চাই বিব্রতকর তো একটু লাগবেই। দুজনেই তো আমাদের ক্রিকেটের আইকন। মাশরাফি তো বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক এবং কিংবদন্তী। বাংলাদেশ দলকে একদম খাদের কিনারা থেকে তুলে আনা অধিনায়ক। আর সাকিব তো বিশ্বসেরা। দুজনেই তো দলের সেরা পারফর্মার, সবদিক থেকেই।

“যে ব্যাপারটা ওরা বলেছে, কেন বলেছে…. সবারই ভালোবাসা থাকে, ক্ষোভ থাকে, দুঃখ থাকে। কোন দুঃখ থেকে কথাগুলো এসেছে কি না আমি জানিনা। আমি মনে করি খুবই বিব্রতকর। বোর্ডের যেসব পরিচালক রয়েছেন সবাই সম্মানীত লোক। যারাই বোর্ডে কাজ করেন না কেন সবাই নিজের জায়গা থেকে চেষ্টা করে। অনেক সময় সফল হন আবার হন না। কাউকে আপনি আলাদা করে বলতে পারবেন বিসিবিতে সময় কাটাতে আসে না।

খালেদ মাহমুদের পাশাপাশি বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে ভাবেন কেবলই নাজমুল হাসান- এমনটাই জানিয়েছিলেন সাকিব, মাশরাফি। খালেদ মাহমুদ মনে করছেন যে বোর্ডে নাজমুল হাসানের মতো লোক রয়েছেন, সেই বোর্ডে এমন সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

“ওদের ব্যক্তিগত অভিমত জানিয়েছে। এটাকে আমরা যতটা গুরুত্ব দিচ্ছি ততটা গুরুত্ব দেওয়ার কিছু নেই। খুবই সামান্য একটা বিষয় যেটা কিনা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেই ঠিক করে নেওয়া যায়। এটা নিয়ে আলোচনা করাও ঠিক না। তাছাড়া যে বোর্ডে পাপন ভাইয়ের মতো লোক রয়েছেন, সে বোর্ডে আসলে এমন সমস্যা হওয়ার কথা না। কারণ উনি এমন একটি ব্যক্তি যে কিনা বাংলাদেশের ক্রিকেটের খুঁটিনাটি সবই জানেন। উনি যে কোন পরিস্থিতি বেশ ভালোভাবে সামাল দিতে পারেন। তিনি হয়ত ব্যক্তিগত কারণে বের হচ্ছেন না। যখন হবে তখন ছোটোখাটো সমস্যার সমাধান হবে।”

Related Articles

ডমিঙ্গোকে ‘বলির পাঁঠা’ না বানানোর আহ্বান সুজনের

জুনিয়র ক্রিকেটারদের পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সুজন

তাসকিনের নিবেদন দেখে মুগ্ধ সুজন

এক বছর ড্র করতে পারলে টেস্ট ম্যাচ জেতা শিখব : সুজন

কোয়ারেন্টিনের ভালো দিকও দেখছেন সুজন