সাকিব-মুস্তাফিজকে নিরাপদে দেশে পৌঁছানোর আশ্বাস ফ্র্যাঞ্চাইজিদের

করোনার প্রকোপে বন্ধ হয়ে গেছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। স্থগিত হওয়া আসরের বাকি অংশ কবে মাঠে গড়াবে সেই প্রশ্নের উত্তর এখন কারও জানা নেই। ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে খেলোয়াড়দের যার যার আবাসে ফেরার তোড়জোড়।

আইপিএলে সাকিব গেলে মুস্তাফিজকে বাধা কেন!

Advertisment

তবে বিপাকে পড়েছেন বিদেশি ক্রিকেটাররা। ভারতীয় ক্রিকেটাররা চাইলেই নিজ নিজ ঘরে ফিরতে পারবেন, কিন্তু বিদেশিদের সেই সুযোগ নেই। ভারতে এখন করোনার সংক্রমণ উদ্বেগজনক। ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে বেশিরভাগ দেশের সাথেই ভারতের যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধ।

বাংলাদেশের অবশ্য যোগাযোগব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ নয়। বিমান চলাচল বন্ধ থাকলেও স্থলবন্দর ব্যবহার করে দেশে ফেরার সুযোগ আছে। প্রশ্ন হল, আইপিএলের জন্য ভারতে যাওয়া সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমান কীভাবে দেশে ফিরবেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই দুই ক্রিকেটারের বিষয়ে দুই ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স ও রাজস্থান রয়্যালসের সাথে যোগাযোগ করেছে। বোর্ডকে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা জানিয়েছে, দুই ক্রিকেটারকে দেশে পাঠানোর বিষয়টি পুরোপুরি দেখভাল করছে তারা।

বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বিডিক্রিকটাইমকে বলেন, ‘সাকিব ও মুস্তাফিজের ফেরার ব্যাপার পুরোটাই সংশ্লিষ্ট ফ্র্যাঞ্চাইজি দেখছে। তারাই ওদের নিরাপদে পাঠাবে বলে আমাদের জানিয়েছে।’

তবে ভারত থেকে বাংলাদেশে এলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক। শ্রীলঙ্কা ফেরত টেস্ট দলের ক্রিকেটাররা বায়োবাবলে সুরক্ষিত থাকার কারণে তাদের কোভিড প্রটোকল শিথিল করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু সাকিব-মুস্তাফিজের আইপিএলের বায়োবাবলেই যে হানা দিয়েছিল করোনা। সেক্ষেত্রে দেশে ফিরে তাদের কোভিড নীতিমালা শিথিল করা হবে কি না তা এখনও নিশ্চিত নয়।

সাকিব ও মুস্তাফিজ তাই দেশে ফিরে কবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রস্তুতিতে যোগ দিতে পারবেন তা অনিশ্চিত। সুজন বলেন, ‘কোয়ারেন্টিন ইস্যুটা শিথিল করা বা না করা বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত। আমরা অনুরোধ করেছি সংশ্লিষ্টদের যাতে সুষ্ঠুভাবে সবকিছু সম্পন্ন হয়।’