সাকিব-রিয়াদদের কাছে পেয়ে পরিবারের শূন্যতা ভুলে গেছেন শরিফুল

বয়স মাত্র ২০, এখনই দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। জৈব সুরক্ষা বলয়ের কঠিন নীতিমালা মাথায় নিয়ে দেশের হয়ে খেলছেন আন্তর্জাতিক ম্যাচ। শরিফুল ইসলাম তার কচি কাঁধেও এই চাপ বয়ে বেড়াতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন না। তাতে বড় ভূমিকা সাকিব-রিয়াদদের।

বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ে শরিফুল

Advertisment

শরিফুল যখন স্কুলের শিক্ষার্থী ছিলেন, তখনই বাংলাদেশ দলে প্রতিষ্ঠিত সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা। একসময় টিভিতে খেলা দেখতেন, এখন শরিফুলই তাদের সতীর্থ। তাদের সাহচর্য ‘স্বপ্নপূরণ’ আখ্যায়িত করে শরিফুল জানালেন, সবাই একসাথে থাকায় পরিবারের শূন্যতা টের পান না।

শরিফুল বলেন, ‘যখন ছোট ছিলাম, ক্লাস ফোর-ফাইভে পড়তাম, সবার খেলা দেখেছি। তামিম ভাই, সাকিব ভাই, মুশফিক ভাই, রিয়াদ ভাই সবার খেলা দেখেছি। এখন তো তাদের সাথে খেলছি, এটা একটা স্বপ্নপূরণ। আল্লাহর রহমতে খুব ভালো সম্পর্ক হয়ে গেছে। আমরা সবাই মিলে একটা পরিবারের মত আছি। পরিবারের বাইরে আছি বলে মনে হচ্ছে না।’

শরিফুল এমন এক সময়ে জাতীয় দলে এসেছেন, যখন করোনা মহামারীর কারণে জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা বাধ্যতামূলক ক্রিকেটারদের। বলয়ে থেকে খেলা চালিয়ে যাওয়া মানসিক চাপের ব্যাপার হলেও শরিফুল জানালেন, এই পরিস্থিতিতেও মানিয়ে নিয়েছেন। তাই বায়োবাবল নিয়ে বেশি ভাবতে চান না।

তিনি বলেন, ‘বায়োবাবল প্রথম দিকে খুবই খারাপ লাগত। এখন কিছুটা হলেও খাপ খাইয়ে নিয়েছি। এটা পালন করতেই হবে, এছাড়া খেলা অসম্ভব। পরিস্থিতির শিকার। এটা নিয়ে যত চিন্তা করি ততই খারাপ লাগে। তাই চিন্তা না করাই ভালো।’

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।