সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে আইসিসি

0
894

গত ফেব্রুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচের ভেন্যু ‘হোম অব ক্রিকেট’ মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামকে ডিমেরিট পয়েন্ট দিয়েছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা, আইসিসি। ম্যাচ রেফারি ডেবিড বুনের আনা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে এই ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছিল মিরপুর স্টেডিয়াম।

Advertisment

এর আগে ডিমেরিট পয়েন্ট জুটেছিল চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রথম টেস্টেও। নতুন এক পয়েন্ট যোগ হওয়ার পর মিরপুরের ডিমেরিট পয়েন্ট দাড়িয়েছিল ‘৩’। আইসিসির দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে আপিল করেছিলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিষয়টি পুনরায় বিবেচনা করার জন্য আইসিসিকে জানিয়েছে বিসিবি।

তবে বিসিবির আপিলের পর নতুন করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। আপাতত মিরপুরের ডিমেরিট পয়েন্টের সিদ্ধান্তটি বহাল রেখেছে আইসিসি। গত ফেব্রুয়ারিতে বুন মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম নিয়ে অভিযোগ তুলেছিলেন পুরো ম্যাচ জুড়েই ছিল বাউন্স, টার্ন ছিল অধারাবাহিক।

“প্রথম দিন থেকেই বলে উইকেটের উপরিভাগে ক্ষত সৃষ্টি হতে দেখা গেছে, যেটির কারণে ম্যাচ জুড়ে বাউন্স ছিল অসমান। পাশাপাশি টার্ন ছিল অধারাবাহিক, কখনও কখনও যেটা ছিল মাত্রাতিরিক্ত রকমের। পিচ থেকে বোলাররা খুব বেশি সহায়তা পেয়েছে; ব্যাটসম্যানদের তাদের দক্ষতা দেখানোর যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া হয়নি।”

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী কোন স্টেডিয়ামের পাশে পাঁচ বছরের মধ্যে ১০ ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ হলে পরবর্তী ২৪ মাস কোন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করা থেকে বিরত থাকবে এবং ৫ ডিমেরিট হলে ১২ মাস কোন ম্যাচ আয়োজন করতে পারবেনা বোর্ড। অবশ্য এর আগেও মিরপুরের আউটফিল্ডকে বাজে বলে আখ্যায়িত দিয়েছিল আইসিসি। ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট চলাকালীন এমনটা জানিয়েছিল আন্তর্জাতিক এই ক্রিকেট সংস্থাটি।

তবে বর্তমানে আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে মিরপুরের আউটফিল্ডের অবস্থা। চলতি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) এর ম্যাচ চলাকালীন আউটফিল্ডের উন্নতির বিষয়টি লক্ষণীয় ছিল। মিরপুরের আউটফিল্ডের বিষয়টি বিসিবিকে নতুন করে আশা দিতেই পারে।

আরও পড়ুনঃ ফিরছেন সাকিব!