সোহানের ছক্কা বৃষ্টিতে শেখ জামালের দাপুটে জয়

0
867

ডিপিএলের সুপার লিগে সৈকত আলী ও দলের অধিনায়ক নুরুল হাসানের ব্যাটিং তাণ্ডবে প্রাইম ব্যাংককে ৭ উইকেটে হারিয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব।

সোহানের পাশাপাশি ব্যাট হাতে ৬০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন সৈকত আলীও।

টস হেরে আগে ব্যাট করে তামিমবিহীন প্রাইম ব্যাংকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। মোহাম্মদ মিঠুনের অপরাজিত ৪২ বলে ৬৭ এবং রকিবুল হাসানের ১৯ বলে ৩৪ রানের ঝোড়ো ইনিংসে স্কোরবোর্ডে ১৬৪ রান দাঁড় করায় প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই আশরাফুলকে হারায় শেখ জামাল।

Advertisment

প্রাইম ব্যাংককে প্রথম ব্রেক-থ্রু এনে দেন শরিফুল। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই আশরাফুলের স্ট্যাম্প উড়িয়ে দেন শরিফুল। তবে দীর্ঘদিন রান ক্ষরা কাটানোর পর ব্যাটে হেসেছে ইমরুলের। একপাশে সৈকত আলীর ঝোড়ো ব্যাটিং অন্যদিকে কায়েসের দায়িত্বশীল ব্যাটিং। দু’জনের ব্যাটেই বিপর্যয় কাটিয়ে বড় জুটি গড়েন কায়েস ও সৈকত।

দু’জনের ব্যাট থেকে আসে ১০০ রানের জুটি। তাঁদের জুটি ভাঙেন রুবেল হোসেন। ৩৬ বলে ৬০ রান সৈকতকে ফেরান তিনি। সৈকতের বিদায়ের পর সাজঘরে ফিরেন ইমরুলও। অর্ধশতক থেকে মাত্র ৬ রান দূরে থেকে নাহিদুলের বলে আউট হন তিনি। এ দুই ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফেরায় জয়ের কাজটা কঠিন হয়ে যায় শেখ জামালের জন্য।

তবে ১৬তম ওভারে শরিফুলের ওভারে ১৫ রান নেয় নুরুল ও তানভীর। নুরুল একাই দুই ছক্কার সাহায্যে ১৩ রান নেন দলের এ অধিনায়ক। ব্যাটিং তাণ্ডব চালান পরের ওভারেও। শরিফুলের পর মনিরের ওভার থেকেও ১৫ রান নেয় নুরুল-তানভীর। দুই ওভার থেকে ৩০ রান দিয়ে দলকে জয়ের আরও কাছে নিয়ে যান নুরুল।

শেষ ১২ বলে ৮ রানের প্রয়োজন হলে ১১ বল বাকি থাকতেই জয় তুলে নেয় শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। তিন ওভারে ৩৭ রান দিয়ে উইকেট শুন্য থেকেছেন মুস্তাফিজ। অন্যদিকে খরুচে বোলারদের মধ্যে রুবেল পেয়েছেন একটি উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

প্রাইম ব্যাংক ১৬৪/৩ (ওভার ২০)

মিঠুন ৬৭*, রকিবুল ৩৪*

সানি ২/২৯, জিয়াউর ১/২৯

শেখ জামাল ১৬৫/৩ (ওভার ১৮.১)

সৈকত আলী ৬০, নুরুল হাসান ৪৪*

নাহিদুল ১/২৩, শরিফুল ১/২৮