স্বল্প সময়ে ব্যাটসম্যানদের মাঝে বড় পরিবর্তন চান না প্রিন্স

0
797

জন লুইসকে সরিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নতুন ব্যাটিং কোচ হিসেবে অ্যাশওয়েল প্রিন্সকে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সাবেক এই দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যানের সাথে বিসিবির চুক্তির মেয়াদ মাত্র এক মাস। তাইতো এই স্বল্প সময়ে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে বিশেষ কিছু পরিবর্তন আনতে চান না তিনি।

Advertisment
ডমিঙ্গোর সুপারিশেই ব্যাটিং কোচের দায়িত্বে প্রিন্স
বাংলাদেশের নতুন ব্যাটিং কোচ প্রিন্স।

 

শনিবার (২৬ জুন) টাইগারদের নতুন স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে রাঙ্গনা হেরাথ ও ব্যাটিং কোচের ভূমিকায় অ্যাশেওয়েল প্রিন্সের নিয়োগ চূড়ান্ত করে বিসিবি। হেরাথের সঙ্গে চুক্তি আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত হলেও প্রিন্সের সাথে বিসিবির চুক্তির মেয়াদ কেবল মাত্র জিম্বাবুয়ে সফরের জন্যই।

এত অল্প সময়ে ব্যাটসম্যানদের মধ্যে বিশেষ কোন পরিবর্তন আনার পক্ষে নন প্রিন্স। বরং ম্যাচের জন্য ব্যাটসম্যানদের তৈরি ও প্রধান কোচ রাসেল ডোমিঙ্গোর কাজে সহায়তা করতে চান বলে ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোকে জানিয়েছেন তিনি।

প্রিন্স বলেন, “এটা এক মাসের স্বল্পমেয়াদী একটি চুক্তি এবং খুব কম সময় পাওয়া যাবে। আদর্শগতভাবে এই সময়ের মধ্যে আপনি কোন ব্যাটসম্যানের মধ্যে তেমন কিছু পরিবর্তন আনতে চাইবেন না। আমার ভূমিকা যেভাবে দেখছি সেটা হলো, প্রধান কোচ রাসেল ডোমিঙ্গোকে যতটা সম্ভব সহায়তা করা এবং শর্ত অনুযায়ী প্রতিটি ম্যাচে নিজেদের প্রস্তুত করতে খেলোয়াড়দের যা প্রয়োজন সেটা নিয়ে কাজ করা।”

তবে এই স্বল্প সময়ে নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে খেলোয়াড়দের সাথে ব্যাটিং কৌশল নিয়ে আলোচনা করতে চান টাইগারদের নতুন ব্যাটিং কোচ। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, “ব্যাটিংয়ের দৃষ্টিকোণ থেকে কৌশল, খেলার পরিকল্পনা এবং আরও সুনির্দিষ্টভাবে বললে ব্যাটিংয়ের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করব যেন যে কেউ সেটার ছাপ রাখতে পারে । ব্যক্তিগতভাবে খেলোয়াড়দের মাঝে সেটা আছে। কিন্তু খেলোয়াড় হিসেবে আমার অভিজ্ঞতা থেকে বুঝেছি কখনও কখনও কোচিং স্টাফদের কাছে অনুমোদনের প্রয়োজন হয় এবং এটা নিশ্চিত করা যে, আমরা সবাই একই চিন্তা করছি।”

২০১৩ সালে সর্বশেষ জিম্বাবুয়ে সফরে গিয়েছিল বাংলাদেশ। প্রায় আট বছর পর আবারও জিম্বাবুয়ে সফরে যাচ্ছে টাইগাররা। তাইতো সেখানকার আবহাওয়া নিয়ে বাড়তি চিন্তা থাকছেই। তবে প্রিন্সের ভাষ্য অনুযায়ী আবহাওয়া নিয়ে বাড়তি চিন্তা না করলেও চলবে। জুলাইয়ে জিম্বাবুয়েতে উপমহাদেশের মতোই ক্রিকেট খেলার উপযোগী পরিবেশ থাকবে বলে মনে করছেন এই দক্ষিণ আফ্রিকান।

“জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ের আবহাওয়া জোহানসবার্গের মতোই থাকবে। বৃষ্টি হলেও সেটি খুব সামান্যই হবে। গ্রীষ্মের চেয়ে তাপমাত্রাও তুলনামূলক কম থাকবে। আমি বেশ উৎসাহ পাচ্ছি, কারণ সেখানে পিচ গ্রীষ্মের চেয়েও শুকনো ও মন্থর থাকবে। উপমহাদেশের আবহাওয়ার মতো এখানেও ভালো খেলার সুযোগ থাকবে।” যোগ করেন টাইগারদের নতুন ব্যাটিং কোচ।