হাতি-আতঙ্কে মাসাকাদজা-মালিঙ্গারা!

0
2850

জিম্বাবুয়ে-শ্রীলঙ্কা পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচ শেষ। দুই দল একটি করে ম্যাচ জেতায় সিরিজে এখন বিরাজ করছে সমতা।

Advertisment

সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা ও সফরকারী জিম্বাবুয়ে দল এখন পাড়ি জমাবে হাম্বানটোটায়। শুধু তৃতীয় ম্যাচই নয়, সিরিজের বাকি সবগুলো ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে এখানে।

তবে শ্রীলঙ্কার প্রত্যন্ত অঞ্চলে নির্মিত হাম্বানটোটা স্টেডিয়ামে খেলার আগে আতঙ্ক নিয়ে থাকতে হচ্ছে দুই দলের ক্রিকেটারদের। আর সেটা বন্য হাতির আক্রমণের আতঙ্ক! কলম্বো থেকে ২৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হাম্বানটোটা স্টেডিয়ামটি দাঁড়িয়ে আছে জঙ্গল ঘেঁষে, যেখানে সবসময় অবাধ চলাফেরা ২৫-৩০টি বন্য হাতির।

শঙ্কার বিষয়, হাতিগুলো নাকি বিচরণ করে স্টেডিয়ামের ভেতরেও! বেশ কয়েকবার স্টেডিয়ামের বেষ্টনী ভেঙে মাঠে ঢুকে পড়ার কীর্তি তো আছেই, আছে মাঠ-উইকেট মাড়িয়ে দেওয়ার রেকর্ডও!

সিরিজের শেষ তিন ম্যাচ চলাকালে হাতির আক্রমণ ঠেকাতে এবার বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট- এসএলসি। এই কয়েকদিন স্টেডিয়ামের চারপাশে সজাগ দৃষ্টি রাখবেন ১০ জন বনকর্মী, যাদের কাজ থাকবে অনাহূত দর্শক হাতির স্টেডিয়ামে ঢুকে যাওয়া ঠেকানো! শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডের এক কর্মকর্তা এ প্রসঙ্গে এএফপিকে বলেন, হাতি ঠেকাতে বনরক্ষক নিয়োগ দিচ্ছে এসএলসি। বেষ্টনী ভেঙে রাতে হাতির দল মাঠে ঢুকে পড়ার ঘটনা আছে। স্টেডিয়াম থেকে একশ মিটার দূরেই জঙ্গল। সমর্থকরা যাতে এদিক-ওদিক না গিয়ে হাতিদের খেপিয়ে না তোলে, সেটি নিশ্চিত করতে আমরা ১০ বনরক্ষক নিয়োগ দিচ্ছি।

তবে শুধু হাতি ঠেকিয়েই নিস্তার পাওয়া যাবে- এমন নিশ্চয়তা নেই। যে জঙ্গলে হাতির বাস, সেখানে অজস্র ভীমরুলের চাক। ভীমরুলের অনাহূত আক্রমণ দেখা দিলে তা রোধ করা সম্ভব হবে না বনকর্মী দিয়েও।

  • সিয়াম চৌধুরী, প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটাইম