Scores

“হয়তো হাথুরুসিংহের প্রিয় হয়ে উঠতে পারিনি”

 সম্প্রতি সব ধরণের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন রবিউল ইসলাম। টেস্টে দারুণ পারফরম্যান্স করেও ব্রাত্য হতে হয়েছিল তাকে। ক্রিকেট ক্যারিয়ার, অবসরের কারণসহ নানান কথা বললেন বিডিক্রিকটাইমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে।

বিডিক্রিকটাইম: কেমন আছেন?
রবিউল ইসলাম: জ্বি, ভালো।

বিডিক্রিকটাইম: অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন। অনেকটা কি হঠাৎ করেই?
রবিউল ইসলাম:  হ্যাঁ। চার-পাঁচ মাসে আগে একবার ভেবেছিলাম। কিন্তু তখন মনে হয়েছিল চেষ্টা করতে থাকি। ডিপিএলের নিলাম হলো, দল পাইনি। জেলা চ্যাম্পিয়নশিপে সাতক্ষীরার ৩৪ জনের দলেও নেই। তাই মনে হলো ক্রিকেটের সময় আর আমার নেই।

Also Read - কিউইদের বিপক্ষে টেস্টে সেরা পাঁচ টাইগার ব্যাটসম্যান


বিডিক্রিকটাইম: অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্তটা কতটা কঠিন ছিল?
রবিউল ইসলাম : কঠিন তো অবশ্যই। সেই স্কুল লেভেল থেকেই ক্রিকেট খেলছি। প্রায় ১৮ বছর ধরে খেলছি বলা যায়।

বিডিক্রিকটাইম: আপনার কি মনে হয় আপনি ফিট ছিলেন? ফিটনেসজনিত কোনো সমস্যা কি ছিল?
 রবিউল ইসলাম:  ফিটনেসজনিত সমস্যা ছিল। তবে আমি সেরে উঠেছিলাম।

সতীর্থ রিয়াদের সাথে রবিউলের উদযপাওন।

বিডিক্রিকটাইম: ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে একটু যাই। আপনার অভিষেক তো হয় লর্ডসে। সে সময়টার কথা যদি বলতেন…
রবিউল ইসলাম: অভিষেক হয় ২০১০ সালে। ইংল্যান্ড সফরে আমি তিনটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিলাম। ৮১ ওভার বোলিং করেছিলাম। ১২ টা উইকেট নিয়েছিলাম।  আমি ছাড়া অন্য ফাস্ট বোলাররা এত ফিট ছিল না। আমিই তিনটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিলাম ।

ইংল্যান্ড  সফরের  প্রথম শ্রেণির তিন প্রস্তুতি ম্যাচে রবিউল ইসলামের বোলিং ফিগার :  ৩/৬৭, ০/৪৭ বনাম সারে, ৪/৭৭, ২/৩৩ বনাম ইসেক্স, ৩/৭২, ০/১৭ বনাম ইংল্যান্ড লায়ন্স।

বিডিক্রিকটাইম:  এরপর…
রবিউল ইসলাম : লর্ডসে অভিষেক হলো। প্রথম টেস্টে ডাক পেলাম। উইকেট পাইনি। দ্বিতীয় টেস্টে দলে ছিলাম না।

বিডিক্রিকটাইম : আপনাকে তো টেস্ট দলেই দেখা যেত। ওয়ানডে, টি-২০ খেলেছেন কম। সেটা নিয়ে আক্ষেপ ছিল না?
রবিউল ইসলাম : না। সব ফরম্যাটে খেলতে চেয়েছিলাম। তবে আমি সব সময় টেস্ট খেলাটা উপভোগ করতাম। আমি  আগেও যত সাক্ষাৎকার দিয়েছি, সব সময় বলেছি আমি লঙ্গার ভার্সন ক্রিকেট উপভোগ করি।

বিডিক্রিকটাইম : ২০১০ এ অভিষেক টেস্টের পর তো এক বছরের মত বিরতি… 
রবিউল ইসলাম : আমাদের তেমন টেস্ট খেলা হতো না। এরপর প্রায় অনেক দিন কোনো টেস্ট হয়নি। ২০১১-১২ সালে তো  বাংলাদেশের তেমন টেস্ট ছিল না। ২০১১ সালে জিম্বাবুয়ের সাথে একটা ম্যাচে আমি তিন উইকেট নেই। প্রথম দিন ইমরুল কায়েস আমার ক্যাচ মিস করেছিল। পরে আমাকে মন খারাপ না করে ভাল বোলিং চালিয়ে যেতে বলেছিলেন। ঐদিন একটা বিষয় ভালো লেগেছিল যে সাকিব আল হাসান আমাকে বলেছিলেন, “রবিউল ভাই, আপনার যত ইচ্ছা বোলিং করেন।”

ঐ ম্যাচটা হেরেছিলাম। ভালোই বোলিং করেছিলাম। ২০১১ সালের শেষ দিকে অথবা ২০১২ সালের শুরুর দিকে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট খেলি। ঐ ম্যাচে এক উইকেট নিলেও ইকোনমিক্যাল থাকার চেষ্টা করেছি।

আক্ষেপ ঝরল রবিউলের কণ্ঠে।

২০১১ সালের অক্টোবর পর্যন্ত মাত্র একটি টেস্ট খেলে বাংলাদেশ। পরের দুই মাসে চার টেস্ট হয়। ২০১২ সালে পুরো বছরে বাংলাদেশ খেলে দুইটি টেস্ট। ২০১১ সালের পর রবিউল ইসলাম ফের খেলেছেন ২০১৩ সালে।

বিডিক্রিকটাইম : বিপিএলে কোনো দল আপনি পাননি, ঐ সময়টায় কী করেছেন?
রবিউল ইসলাম : 
হ্যাঁ, বিপিএলে নিলামে আমি দল পাইনি। তখন কোচ ছিলেন শেন জার্গেনসেন। তিনি আমাকে ফোন দিয়ে জিজ্ঞাসা করেন আমি কোথায় আছি। আমি সাতক্ষীরায় ছিলাম। আমাকে ঢাকায় আসতে বলেন। তিনি আমাকে বলেন, “আমি জানি তুমি টেস্টে আমাদের সেরা পেসারদের একজন। তুমি যেহেতু খেলতে পারছো না এখানে এসে অনুশীলন করো।” একজন কোচ যখন এভাবে আপন করে নেন তখন কলিজাটা অনেক বড় হয়ে যায়। আমি এসে অনেক অনুশীলন করেছি। রিচার্ড আর স্টুয়ার্ট- এ দুইজন ট্রেইনার আমাকে খুব সাহায্য করেছে। আমি ফিটনেস নিয়েও কাজ করেছি।

বিডিক্রিকটাইম: এরপর…
রবিউল ইসলামঃ  ২০১৩ সালে জাতীয় দলের হয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে যাই। সেখানে চার উইকেট নেই এক টেস্টে। প্রথম টেস্টে আমাকে সুযোগ দেয়নি। দ্বিতীয় টেস্টে চার উইকেট নেই। ঐ টেস্টে বাংলাদেশের সেরা বোলার ছিলাম।

২০১৩ সালের শ্রীলঙ্কা সফরে দ্বিতীয় টেস্টে স্বাগতিকদের ১৩ উইকেটের মধ্যে ৪ টি করে উইকেট নেন সোহাগ গাজী ও রবিউল ইসলাম।তবে বোলিং ফিগার সবচেয়ে ভালো ছিল রবিউল ইসলামের। ২৪ ওভারে ৯৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। প্রথম ইনিংসে তিলাকরত্নে দিলশান ও লাহিরু থিরিমান্নে দুজনেই ০ রান করে ফিরে যান রবিউলের বলে। 

বিডিক্রিকটাইম : এরপর জিম্বাবুয়ে  যাওয়া। সেটা তো আপনার ক্যারিয়ারের সেরা সিরিজ। 
রবিউল ইসলাম : হ্যাঁ। ওখানে প্রথম টেস্টে পেলাম নয় উইকেট। প্রথম ইনিংসে তিন, পরের ইনিংসে ছয়। কিন্তু ম্যাচটা আমরা হেরে যাই।

দ্বিতীয় টেস্টে প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট ও দ্বিতীয় ইনিংসে এক উইকেট নিলাম।

ক্ষোভ থেকেই অবসরের সিদ্ধান্ত রবিউলের।

বাংলাদেশের প্রথম পেসার হিসেবে রবিউল ইসলাম সিরিজসেরা হয়েছিলেন ঐ সিরিজে। প্রথম পেসার হিসেবে করেছিলেন কোনো টেস্ট সিরিজে শতাধিক ওভার। সিরিজসেরা হওয়ার পর রবিউল খেলেছেন মাত্র তিন টেস্ট।


বিডিক্রিকটাইম
: এরপর হালকা ছন্দপতন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে উইকেট পাননি…
রবিউল ইসলাম : জিম্বাবুয়ের পর দেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ ছিল। উইকেট না পেলেও আমি ভালো  বোলিং করেছি। অনেক ইকোনমিক্যাল ছিলাম। মুশফিক ভাই বলেছিলেন উইকেট না পেলেও যেন ইকোনমিক্যাল থাকি। পরের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভালো করতে পারিনি। খারাপও করিনি খুব। ছন্দপতন সবার ক্যারিয়ারেই থাকে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঐ ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ১৩ ওভারে ২৩ রান দেন রবিউল। পরের ইনিংসে দেন ৪ ওভারে মাত্র ৯।  শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘরের মাঠে ঐ টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। ৬ উইকেটে ৭৪০ করেছিল স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। বোলিংয়ে পুরো দলই ছিল বিবর্ণ।

বিডিক্রিকটাইম : এরপর থেকে ধীরে ধীরে বাইরে… 
রবিউল ইসলাম : মাঝে অল্প কিছু ওয়ানডে আর টি-২০ খেলেছিলাম। ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে নতুন কোচ আসে। চন্ডিকা হাথুরুসিংহে কোচ হন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে তিনি আমাকে দলে চাননি।  ফারুক ভাই, আকরাম ভাইরা তাকে বলেছিলেন আমি দেশের টেস্টের সেরা পেসারদের একজন। তাদের কথায় আমাকে নেওয়া হয়। তারা বলেছিলেন যেন তাদের বিশ্বাসটা রাখতে পারি। আমি বলেছিলাম, “চেষ্টা করব।”

ওখানে প্রথম টেস্ট আমাকে খেলায় না। দ্বিতীয় টেস্টে দুই উইকেট পাই। আল-আমিন আর শফিউল তিনটা করে উইকেট পায়।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে সুযোগ পেয়েছিলেন রবিউল ইসলাম। প্রথম ইনিংসে দুই উইকেট পান তিনি। প্রথম ইনিংসে সবচেয়ে ভালো ইকোনমি ছিল তার (২.৪২)। 

বিডিক্রিকটাইম : তারপর বাদ পড়লেন। হাথুরুসিংহে কেন খেলাতে চাইত না?
রবিউল ইসলাম : প্রত্যেক কোচেরই কিছু পছন্দের খেলোয়াড় থাকে। আমি হয়তো তার পছন্দের খেলোয়াড় হয়ে উঠতে পারিনি।  আমি বাদ পড়িনি, আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলতেন আমি নাকি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য ফিট না। আমি তাকে বলেছিলাম, “একটা প্রশ্ন করতে পারি।” তিনি বললেন, “নিশ্চয়ই।” আমি জিজ্ঞাসা করলাম “১৪০ কিলোমিটার বেগে সুইং ছাড়া বোলিং করার চাইতে ১৩০-১৩৫ কিলোমিটার বেগে বোলিং করে সুইং করাতে পারাটা বেশি দরকারি না? যেটা খেলতে ব্যাটসম্যানের সমস্যা হয়?” তিনি আমার কথার কোনো জবাব দেননি।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে রবিউলের উইকেট উদযাপন।

আর আমি বাদ পড়িনি। খারাপ খেলে সুযোগ না পেলে বলতাম বাদ পড়েছি। আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

জিম্বাবুয়ে সিরিজে আমি খেলার সুযোগ পাইনি। টেলর-সিবান্দারা জিজ্ঞাসা করেছিল আমি নাই কেন। আমি বলেছিলাম আমি আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য ফিট না। তারা বলে, “কে বলেছে?” জবাব দেই, “আমার কোচ।” তারা অনেক অবাক হয়। আক্ষেপ হয়ে গালিগালাজও করে।

বিডিক্রিকটাইম : ফেরার জন্য কি কি করলেন?
রবিউল ইসলাম :  উইন্ডিজ সিরিজ থেকে ফেরার পর একবার শোল্ডাড় ডিসলোকেটেড হয়ে যায়। একারণে খেলার বাইরে ছিলাম কিছুদিন। এরপর অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছিলাম। এনসিএল খেলছিলাম নিয়মিত। ডিপিএলে ২০১৬ সালে কলাবাগান একবার আমাকে দলে নেয়। ২০১৭ সালে ব্রাদার্স ইউনিয়ন আমাকে দল নেয়। ঐবার আমি এক ছাদে ওঠার পর পায়ে পেরেক ঠুকে যায়। আমি কিছুদিন অনুশীলন করতে পারিনি। আর মাঠে নামা হয়নি। তবে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিলাম তিনটা। সাতটার মত উইকেট পেয়েছিলাম। বিপিএলে রংপুর রাইডার্সের মালিক ছিল সাতক্ষীরার। তিনি আমাকে নিতে চেয়েছিলেন।  দেশের ১৩ জন ক্রিকেটার নেওয়ার নিয়ম ছিল। আমি ফর্ম পূরণের আগেই ঐ ১৩ জনের কোটা সম্পন্ন হয়ে যায়। আমার আর খেলা হয়নি। মাঝে এনসিএলে খেলেছি।

ডিপিএলে কম দেখা গেলেও রবিউল ইসলাম ছিলেন জাতীয় ক্রিকেট লিগ আর বিসিএলের নিয়মিত মুখ। নানান সময় হয়েছেন জয়ের নায়ক। ৭৭ টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলে পেয়েছেন ২২৪ উইকেট। 

বিডিক্রিকটাইম : একটু ভিন্ন প্রসঙ্গ। আমাদের দেশে টেস্ট ক্রিকেটের জন্য পেসাররা নিজেদের প্রস্তুত করতে পারেন কি? প্রথম শ্রেণির ক্রিকেতে ওরকম উইকেট আছে? সবসময় শীর্ষ উইকেট শিকারী থাকেন স্পিনাররা।

রবিউল ইসলাম :
শুধু উইকেটকে দোষ দেওয়া  যাবে না।আবহাওয়াটাও ফ্যাক্টর। আমাদের দেশে তো কখন বৃষ্টি হয়, কখন রোদ হয় ঠিক নাই। কিউরেটর চাইলেও অনেক সময় স্পোর্টিং উইকেট বানাতে পারে না। স্পোর্টিং উইকেট হলো যেখানে ব্যাটসম্যান ব্যাটিং করে মজা পাবে আর বোলার বোলিং করে মজা পাবে।। এখানে বল হঠাৎ লাফ দেয়, হঠাৎ নিচু হয়।  সাথে আমাদের পেস বোলারদের চেষ্টাটাও কম বলে আমার মনে হয়। আমি মনে করি, আমাদের পেসারদের যদি চেষ্টা আর ইচ্ছা থাকে তবে একদিন পেসারদের ওপরেও ভরসা করা হবে।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে রবিউলের উইকেট উদযাপন।

বিডিক্রিকটাইম: ক্যারিয়ারে বেশি ম্যাচ খেলেননি। আফসোস নিয়েই শেষ করলেন?
রবিউল ইসলাম: সুযোগ না পেলে তো আফসোস হয়ই। তবে বিসিবির কারো প্রতি আমার কোনো রাগ নেই। মুশফিক এখনো বলেন, রবিউলই বাংলাদেশের সর্বশেষ পেসার হিসেবে টেস্টে এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়েছে।

জিম্বাবুয়ে সফরে তার পাঁচ উইকেট শিকারের পর অনেকদিন কেটে গেলেও আর কোনো বাংলাদেশি পেসার  টেস্টে এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট পাননি।

বিডিক্রিকটাইম: অবসরের পর ক্রিকেট নিয়েই থাকার ইচ্ছা?
রবিউল ইসলাম: ইচ্ছা আছে। কোচিং লেভেল-১ আর ২ শেষ করার। সাতক্ষীরায় একটা ক্রিকেট একাডেমী করার। আমার মধ্যে যা আছে তা তরুণদের দেওয়ার। বিসিবি থেকে ডাক পেলে সেখানেও থাকার ইচ্ছা আছে।

বিডিক্রিকটাইম : ক্রিকেটার্স ক্যাফে নামক একটা রেস্টুরেন্ট দিয়েছেন।
রবিউল ইসলাম: হ্যাঁ, সাতক্ষীরায়। এটার বয়স দুই মাস। এখন কোনো কাজ নাই দেখে এটাতে সময় দিচ্ছি।

বিডিক্রিকটাইম : অনেক ধন্যবাদ।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

একই সাথে চলছে দুই দলের অনুশীলন

ছয় মাসের মধ্যেই টি-টোয়েন্টি দলে ভারসাম্য আসবে!

“জানি না দেশের ক্রিকেট কোন দিকে যাচ্ছে”

সাইফের নেতৃত্বে ভারত যাচ্ছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল

স্কোয়াডে রদ-বদলের কারণ জানালেন প্রধান নির্বাচক