হোল্ডারের নৈপুণ্যে বার্বাডোজের জয়

ব্যাট হাতে বিপর্যয়ে পড়া দলকে পথ দেখিয়েছেন। বল হাতে কোনো উইকেট না নিলেও ৪ ওভারে ৫.৭৫ ইকোনমিতে রান দিয়েছেন মাত্র ২১। জেসন হোল্ডারের এমন দারুণ পারফরমযান্সে ভর সিপিএলে জয় দিয়ে শুভসূচনা করেছে তার দল বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস। ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টসের বিপক্ষে ১৭ রানের জয় পেয়েছে বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস।

হোল্ডারের নৈপুণ্যে বার্বাডোজের জয়
টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিগ্নয়ের সিদ্ধান্ত নেয় সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টস। ইনিংসের  দ্বিতীয় ওভারেই দলকে আনন্দের উপলক্ষ্য এনে দেন শেলডন কটরেল। তার বলে বোল্ড হন বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টসের ওপেনার জনসন চার্লস। ৬ বলে ৪ রান করে বিদায় নেন তিনি। এক বল পরেই ফিরিয়ে দেন কোরি অ্যান্ডারসনকে। রানের খাতা না খুলেই ফিরে যান তিনি। ৮ রানে দুই উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস।

Advertisment

পরের ওভারে ওপেনার সাই হোপের উইকেট তুলে নেন সোহেল তানভীর।  ৮ রানে তিন উইকেট হারিয়ে দিশেহারা হয়ে যায় বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস। সেখান থেকে হাল ধরেন কাইল মেয়ার্স এবং জেসন হোল্ডার। তাদের ৬১ রানের জুটি সামাল দেয় বিপর্যয়। এ জুটি ভাঙেন রায়াদ এমরিট। ২০ বলে ৩৭ রান করে ফেরত যান মেয়ার্স। পরের বলেই রান আউট হন জোনাথান কার্টার। ফের বিপদে পড়ে বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস।

এক প্রান্ত আগলে রাখেন হোল্ডার। রেমন্ড রেইফার ২ রান করে  এমরিটের বলে ফেরত যাওয়ার পর মিচেল স্যান্টনারকে সাথে নিয়ে ২২ রান যোগ করেন হোল্ডার। দলীয় সর্বোচ্চ ৩৮ রান করে ইস শোধির বলে আউট হন হোল্ডার। দ্রুত ফিরে যান অ্যাশলে নার্স। স্যান্টনার করেন ১৮ বলে ২০ রান। সময়োপযোগী ব্যাটিং করেন রশিদ খান। এই টেলএন্ডারের ব্যাট থকে আসে ২০ বলে ২৬ রান। সেই সুবাদে ১৫৩ রানের পুঁজি পায় বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস।

ক্রিস লিন আর এভিন লুইস- টি-২০ ক্রিকেটের টপ অর্ডারের দুই বড় ব্যাটসম্যান। তবে তারা কেউই বড় স্কোর গড়তে পারেননি। সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টসের হয়ে তাদের ওপেনিং জুটির স্থায়ীত্ব ছিল ২৮ বল। সেই জুটি থেকে রান হয়েছে ৩০। ১৭ বলে ১৯ রান করে স্যান্টনারের ওয়ালশ জুনিয়রের হাতে ক্যাচ দেন লিন। শুরু থেকেই মন্থর ব্যাটিং করা লুইস ১৯ বলে ১২ রান করে হন রান আউট।

বেন ডাঙ্ক আর  নবাগত জশুয়া ডি সিলভার ৫০ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টস। দলীয় ৮৭৯ রানের মাথায় এ জুটি ভাঙেন স্যান্টনার। ২১ বলে ৩৪ রান করে ফিরেন ডাঙ্ক। বড় শট খেলার প্রচেষ্টা নিলেও ব্যাটে-বলের সংযোগ ঠিকঠাক না হলে তা জমা পড়ে কাইল মেয়ার্সের হাতে।

অভিজ্ঞ দীনেশ রামদিনও প্রত্যাশা মেটাতে পারেননি। ১৩ বলে ১৩ রান করে ফেরত যান তিনি। পরের বলেই জাহমার হ্যামিল্টনকে বোল্ড করে পঞ্চম উইকেটের পতন ঘটান রশিদ। এরপর ১৫ বলে দরকার ছিল ৩০ রান। সোহেল তানভীর আর জশুয়া ডি সিলভা মিলে যোগ করতে সক্ষম হয়েছেন ২৭ রান। ৪১ বলে ৪১ রান করে অপরাজিত ছিলেন জশুয়া ডি সিলভা। এক চার আর এক ছক্কা মারা সোহেল তানভীর অপরাজিত ছিলেন ১০ বলে ১৬ রান করে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: বার্বাডোজ ট্রাইটেন্ডস ১৫৩/৯, ২০ ওভার
হোল্ডার ৩৮, মেয়ার্স ৩৭, রশিদ ২৬*
কটরেল ২/১৬, এমরিট ২/১৬, তানভীর ২/২৫

সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টস ১৪৭/৫, ২০ ওভার
জশুয়া ৪১*, ডাঙ্ক ৩৪, লিন ১৯
স্যান্টনার ২/১৮, রশিদ ২/২৭


বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।