Scores

হোয়াইটওয়াশ এড়াতে বাংলাদেশের লক্ষ্য ৩৭০

ইস্ট লন্ডনে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩৭০ রান। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ ওয়ানডেটি তাই হয়ে দাঁড়িয়েছে নিয়ম রক্ষার ম্যাচ।

CRICKET-RSA-BAN-ODI

টেস্ট সিরিজে দুই ম্যাচেই টস জিতেছিল বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচেও তাই। তবে টাইগারদের টস জয়ের ধারাবাহিকতা ভাঙল তৃতীয় ওয়ানডেতে এসে। এদিন টস জিতলেন দক্ষিণ আফ্রিকান অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিসই। আর টসজয়ী অধিনায়ক সিদ্ধান্ত নিলেন প্রথমে ব্যাট করার।

Also Read - সরফরাজ নেওয়াজকে বাজিকরদের হুমকি!


এই সফরের পরিসংখ্যান বলছে, গেলো চার ম্যাচের একটিতেও জয়ী হয়নি টস জেতা দল (এবং সেটি বাংলাদেশ)। পরিসংখ্যানে বিশ্বাসী বাংলাদেশি সমর্থকরা যখন জয়ের আশা নিয়ে ম্যাচ দেখতে বসবেন, তখন বাধা হয়ে দাঁড়ালেন দুই ওপেনার। ১১৯ রানের ওপেনিং জুটি বাংলাদেশের জয়ের প্রত্যাশার খুঁটি অনেকটাই দুর্বল করে দিলো। ৪৮ রানে টেম্বা বাভুমাকে সাজঘরে ফিরিয়ে ফিফটি বঞ্চিত করতে পারলেও সেটি সম্ভব হয়নি আরেক ওপেনার কুইন্টন ডি ককের ক্ষেত্রে। তলোয়ারের মতো ব্যাট চালিয়ে থামেন ৭৩ রান করে। দুজনকেই ফিরিয়েছেন ম্যাচে ফেরা মেহেদী হাসান মিরাজ।

বাংলাদেশের বোলার-ফিল্ডার-সমর্থকদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিয়ে সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস। তবে দলীয় ২৮৩ ও ব্যক্তিগত ৯১ রানের মাথায় প্রোটিয়া অধিনায়ককে মাঠ ছাড়তে হয় রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে। তাতেও স্বস্তি আসেনি বাংলাদেশ শিবিরে। নতুন ব্যাটসম্যানরা এসেও খেলতে থাকেন মারমুখো হয়ে, সেই সাথে ছিল অ্যাইডেন মারক্রামের ৬৬ রানের ঝমঝকে ইনিংস, যা থেমেছে ইমরুলের অসাধারণ থ্রু-তে।

মারক্রামের বিদায়ের পর কিছুটা সাফল্যের দেখা পান বাংলাদেশের বোলাররা। তবে সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের কৃতিত্বের চেয়ে প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানদের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের দায়ই বেশি। এবি ডি ভিলিয়ার্স ২০ রানের ছোট কিন্তু কার্যকরী ইনিংস খেলে রুবেলের শিকার হয়ে বিদায় নেন। মিডল অর্ডারদের চাপে পড়ার মুহূর্তকে কাজে লাগিয়ে উইলেম মাল্ডার ও অ্যান্ডিলে ফেলুকায়োকে ফেরান তাসকিন আহমেদ। শেষদিকে কাগিসো রাবাদা ও ফারহান বেহারডিনের ঝড়ো ২৩ ও ৩৩ রানের ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৬৯।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

দক্ষিণ আফ্রিকাঃ ৩৬৯/৬ (৫০ ওভার)

ফাফ ডু প্লেসিস ৯১*, কুইন্টন ডি কক ৭৩, অ্যাইডেন মারক্রাম ৬৬, টেম্বা বাভুমা ৪৮

মেহেদী হাসান মিরাজ ৫৯/২, তাসকিন আহমেদ ৬৬/২

  • সিয়াম চৌধুরী, প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটাইম
নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

ইনজুরির কারণে টি-২০ সিরিজে নেই ডু প্লেসিস

প্রোটিয়াদের মুখে খুশির ঝিলিক

সাকিবে ভরসা মাশরাফির

‘দেশের ক্রিকেটের জন্য বিপদসংকেত’

নাসিরের বদলে মিরাজকে চান সালাউদ্দিন