১ম টি-টোয়েন্টি ছয় উইকেটে জিতল লংকানরা

বৃষ্টির হানা দেয়া প্রথম টি টোয়েন্টিতে ছয় উইকেটে বাংলাদেশকে হারিয়ে দুই ম্যাচ সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল শ্রীলংকা।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের ২য় বলেই সাজঘরে ফেরেন তামিম। মালিংগার সুইংয়ে ভড়কে হয়ে যান বোল্ড। এরপর শুরুর ধাক্কা সামাল দিতে থাকেন দুই তরুণ সৌম্য ও সাব্বির। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে খেই হারায় বাংলাদেশ। ষষ্ঠ ওভারে দৌড়ে রান নিতে গিয়ে ১৬ রানে কাটা পরেন সাব্বির। একই ওভারের পঞ্চম বলে সঞ্জায়াকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে লন অনে পেরেরার হাতে ধরা পড়েন সৌম্য। ২০ বলে তিন চার এক ছয়ে সৌম্য করেন ২৯ । চাপে পরে বাংলাদেশ।

Also Read - কতটুকু সঠিক মাশরাফির সিদ্ধান্ত?


সে চাপকে আরো বাড়ায় মুশফিকের আউট। গুনারত্নাকে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হয়ে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন সাদা পোশাকের কাপ্তান। এরপর মাত্র ১১ রান করে সাকিবও আউট হলে মাত্র ৮২ রানেই অর্ধেক ব্যাটসম্যান হারায় টাইগাররা।

এরপর সে পাহাড়সম চাপকে সামাল দেন মোসাদ্দেক ও মাহমুদুল্লাহর জুটি। ৫৫ রান আসে এ জুটির কাছ থেকে। মালিঙ্গার বলে বোল্ড হওয়ার আগে রিয়াদের ব্যাট থেকে আসে ৩১ রান। মাশরাফি ৯ রানে ক্যমিওতে ১৫০ এর কোটা পার করে টাইগাররা। মোসাদ্দেক অপরাজিত থাকেন ৩৪ রানে। লংকানদের হয়ে দুই উইকেট নেন মালিঙ্গা।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে লংকানরা।  কুশল পেরেরা ও থারাঙ্গার ব্যাটে চলে বাউন্ডারি ওভার বাউন্ডারির ফুলঝুরি। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে ৫৭ রান তোলে সপ্তম ওভারে আঘাত হানেন শেষ সিরিজ খেলতে নামা মাশরাফি। মুস্তার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট ২৩ বলে ২৪ করা থারাঙ্গা।

এরপর আবার ইনিংসের ৯ম ও নিজের ৩য় ওভারে মুনাবীরাকে আউট করেন ম্যাশ। এবার ক্যাচও নেন নিজেই। তব একপাশ আগলে রেখে ফিফটি তুলে নেন কুশল পেরেরা। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয় নি লংকানদের। ১৪৭ রানে কুশল পেরেরা আউট হওয়ার সময় জয়ের বন্দরে লংকানরা। সাত বল বাকি থাকতে ছয় উইকেটের জয় তুলে নেয় তারা।

বাংলাদশের হয়ে সর্বোচ্চ দুই উইকেট নেন মাশরাফি। পরের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ৬ই এপ্রিল।

  • রাইয়ান কবির, প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটাইম

 

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন