১৩৪ কিমি. গতির বলের আঘাতেও পড়ল না বেল, অবাক শচীন-ওয়ার্নরা

স্ট্যাম্পের বেলগুলো বসানো হয় যেন স্টাম্পে বল আঘাত করলে তা বোঝা যায়। তবে ১৩৪.১ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টার একটি বল স্পষ্টভাবে স্টাম্পে আঘাত করার পরও যদি বেল না নড়ে? এমনই এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে অ্যাশেজে।

১৪২ কিমি. গতির বলের আঘাতেও পড়ল না বেল, অবাক শচীন-ওয়ার্নরা
এভাবেই স্টাম্পে লেগে বেল না ফেলেই চলে যাচ্ছিল বলটি।

অ্যাশেজের চতুর্থ টেস্টের তৃতীয় দিন স্ট্রাইকে তখন বেন স্টোকস। ৩১তম ওভারে বল করছিলেন ক্যামেরন গ্রিন। ওভারের প্রথম বলটি গ্রিন ছুঁড়েন ১৩৪.১ কিমি./ঘণ্টা গতিতে।

Advertisment

সেই বল এসে আঘাত করে উইকেটে। কিন্তু অবাক কাণ্ড! স্টাম্পে আঘাত করলেও বল বেল উপড়ে ফেলতে পারেনি। আম্পায়াররাও আর আউট দেননি। টিভি রিপ্লেতে বিষয়টি দেখার পর স্টোকস হাসতে হাসতে লুটোপুটি খাওয়ার মত অবস্থা!

এত গতির একটি বল স্টাম্পে আঘাতের পরও বেল না পড়ায় অন্য সবার মত বিস্মিত হয়েছেন ভারতের কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারও। তিনি মনে করেন, স্পষ্টত স্টাম্পে আঘাত করলে বেল পড়ার ধার না ধেরে আউট দেওয়া উচিৎ, অন্তত বোলারের কথা বিবেচনা করা হলেও!

১৪২ কিমি. গতির বলের আঘাতেও পড়ল না বেল, অবাক শচীন-ওয়ার্নরা
ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া স্টোকস যেন হেসে খুন হওয়ার জোগাড়!

এক টুইট বার্তায় শচীন লিখেছেন, ‘বল স্টাম্পে লেগে বেল উপড়াতে না পারলে কি হিটিং দ্যা স্টাম্পস নামে নতুন একটি আইন করা উচিৎ? তোমাদের কী মনে হয়? অন্তত বোলারের প্রতি তো সুবিচার হবে!’

সেই টুইটের প্রতুত্ত্যরে অস্ট্রেলীয় কিংবদন্তি শেন ওয়ার্ন লিখেছেন, ‘বেশ মজার এবং বিতর্ক করার মত বিষয় বন্ধু। এটা নিয়ে ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটিতে আলোচনা করে আমি তোমাকে জানাব। আজকের মত এমন আগে দেখিনি। গ্রিনের বলটির গতি ছিল ১৪২ (আসলে ১৩৪), আর স্টাম্পে বেশ জোরে আঘাত করেছিল!’

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনের চ্যাটে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime Crickey সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।