১৮ বছর পর পাকিস্তান সফরে আগ্রহী নিউজিল্যান্ড

0
1566

২০০৩ সালের পর গত প্রায় ১৮ বছরে এক বারের জন্যও পাকিস্তান সফর করেনি নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল। তবে এবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পাকিস্তানে সফর করার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড (এনজেডসি)।

ইংল্যান্ডকে সরিয়ে ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে নিউজিল্যান্ড (2)

Advertisment

২০০৩ সালে ক্রিস কেয়ার্নসের নেতৃত্বে সর্বশেষ পাকিস্তান সফর করেছিল নিউজিল্যান্ড। ঐ সফরে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে পাকিস্তানের কাছে ধবলধোলাই হয়েছিল কিউইরা।

এরপর ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় পাকিস্তানে বন্ধ হয়ে যায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। ২০১৫ সালে জিম্বাবুয়ের সফরের মধ্য দিয়ে আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরে দেশটিতে। ২০০৯ সালে হামলার শিকার হওয়া শ্রীলঙ্কা ২০১৯ সালে দুই দফায় পাকিস্তান সফর করেছে। গত বছর বাংলাদেশও দুই দফায় দেশটিতে সফর করে।

এবার নিউজিল্যান্ড দীর্ঘ ১৮ বছর পর পাকিস্তানে সফর করতে আগ্রহী বলে নিশ্চিত করেছেন এনজেসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডেভিড হোয়াইট। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে ইতোমধ্যেই সফর সংক্রান্ত আলোচনা শুরু করেছে এনজেডসি।

এই প্রসঙ্গে হোয়াইট বলেন, “আমরা পাকিস্তানে সফরের পরিকল্পনা করছি। এবং এই বিষয়ে তাদের (পিসিবি) ও সরকারি সংস্থাগুলোর সাথে কথাবার্তা চলছে।”

এছাড়া পাকিস্তানের সফরের আগে সবচেয়ে বড় ইস্যু নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এনজেডসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। “সবকিছু ভালোই মনে হচ্ছে। এটা নিশ্চিত করছি যে, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, আমরা সন্তুষ্ট। আমরা পাকিস্তান সফরের ব্যাপারে আশাবাদী।” যোগ করেন হোয়াইট।

আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পাকিস্তানে সফর করতে চায় দেশটি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কিউইদের এই সফরে কেবল টি-টোয়ন্টি ম্যাচই থাকছে। তবে নিউজিল্যান্ডের পাকিস্তান সফরের সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

পাকিস্তান সফর ছাড়াও আগামী এক বছর ক্রিকেট মাঠে ব্যস্ত সময় কাটবে উইলিয়ামসনদের। সদ্য টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপজয়ীরা এই সময়ের মধ্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ছাড়াও বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নয়টি ম্যাচ খেলবে। আগামী জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ও একটি টি-টোয়েন্টি খেলবে কিউইরা। এছাড়া আগামী ১২ মাসে কিউইদের আরও বেশ কিছু দ্বিপাক্ষিক সিটিজের সূচি নিয়ে আলোচনা চলছে।