৪ বছর পর নতুন কারো হাতে উঠলো পুরস্কার

জিম্বাবুয়েকে ৩ – ০ তে হারিয়ে সিরিজ জয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা একাধিক রেকর্ড গড়েছেন। লিটন দাস ও তামিম ইকবালের রেকর্ডই এখানে বেশি। শুধু রানের ব্যাপারেই না, সিরিজ সেরার পুরস্কার ও শতকের হিসেবেও হয়েছে রেকর্ড।

লিটন-তামিমের ধারে-কাছে নেই কেউ

Advertisment

২০১৬ সাল থেকে তামিম খেলেছেন এমন দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ দল জিতেছে চারটি। অবাক করা বিষয় চারটির মধ্যে তিনটিতেই সিরিজ সেরা হয়েছেন তামিম। তিনি বাদে এই ৪ বছরে বাংলাদেশের কোন খেলোয়াড় দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজে সিরিজ সেরার পুরস্কারে ভাগ বসাতে পারেনি ( যেই সকল সিরিজে তামিম খেলেছেন সেখানে )। এই প্রথম লিটন দাস সেই জায়গায় ভাগ বসালেন।

২০১৬ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ে সিরিজ সেরা হন তামিম ইকবাল। ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়ানডে সিরিজ জয়েও ( এওয়ে) সিরিজ সেরা হন বাঁহাতি এ ওপেনার। ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হোম ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পরও ম্যান অব দ্য সিরিজ পুরস্কার পান শাই হোপ যিনি ছিলেন পরাজিত দলের খেলোয়াড়।

সবশেষ ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ে ওয়ানডে সিরিজে ম্যান অব দ্যা সিরিজ হলেন তামিম ইকবাল ও লিটন দাস।  চার বছরে প্রথমবারের মতো তামিমের এ অর্জনে ভাগ বসাতে সক্ষম হলেন কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটার।

২০১৫ বিশ্বকাপের পর থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ওপেনারদের শতকের সংখ্যাতেও তামিম আছেন উপরের সারিতে। গত ৫ বছরে ওপেনারদের শতকের সংখ্যায় সবার আগে ভারতের রোহিত শর্মা। তার শতক ২৯টি। ২৮ শতক নিয়ে ২য় স্থানে আছেন ডেভিড ওয়ার্নার। রোহিতের সতীর্থ শিখর ধাওয়ান আছেন ৩য় স্থানে ১৪ শতক নিয়ে।

তামিম রয়েছেন চতুর্থস্থানে ১৩ শতক নিয়ে। বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের শতক সংখ্যা খুব কম। সাকিব আল হাসানসহ অনেক খেলোয়াড় ৯০ পার করে আউট হয়েছেন একাধিক বার। সেই জায়গায় তামিমের ১৩টি শতক গত ৫ বছরে নিশ্চয়ই স্বস্তির বিষয় বাংলাদেশ দলের ভক্তদের জন্য। ৭ হাজার রানের উপরে ওয়ানডেতে রান পাওয়া তামিম কোথায় গিয়ে থামেন ওয়ানডেতে সেটাই এখন দেখার বিষয় সকলের।