Scores

৫২ ওভারে বোলার ১১ জন!

বিসিএলের তৃতীয় পর্বে ‘ড্র’ হয়েছে পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের মধ্যকার ম্যাচটি। খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ব্যাটিং সহায়ক পিচ পেয়ে নিজেদের মন মতো ব্যাটিং করতে পেরেছেন ব্যাটসম্যানরা। এমন মরা উইকেটে ম্যাচ জয়ের চেয়ে ‘ড্র’ করার সম্ভবনা বেশি। মধ্যাঞ্চলের বিপক্ষে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেট হারিয়ে করেছে ৭৩৫ রান।

৫২ ওভারে বোলার ১১ জন!

এই ম্যাচে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন লিটন দাস, করেছেন ১১২ রান। লিটন ছাড়াও প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন আরো দুই ব্যাটসম্যান।  ইয়াসির আলী করেছেন ১৩২ রান ও অলক কাপালি করেছেন অপরাজিত ১৬৫ রান। ডাবল শতকের দেখা পেয়েছেন জাকির হাসান, করেছেন ২১১ রান।

Also Read - ফাইনালের প্রতিপক্ষের খোঁজে মাঠে নামছে বাংলাদেশ


প্রথম ইনিংসে মধ্যাঞ্চলের হয়ে শতকের দেখা পাননি কেউই। রকিবুলের ৮৫, শুভগতের ৭৩, সাদমান ৫৬, তানভীর হায়দার করেন ৫৬ রান। এদের অর্ধশতকে ৪২৮ করে মধ্যাঞ্চল। দুই দলের প্রথম ইনিংস শেষ হতেই লাগে সাড়ে তিন দিনের মতো। মূলত মজাটা শুরু হয়েছে তৃতীয় ইনিংসে।

তৃতীয় ইনিংসে পূর্বাঞ্চল ব্যাট করতে এসে ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে বিনা উইকেটেই ২২৬ রান তোলে রানের খাতায়। ইনিংস শেষ হওয়ার আগে একটু মজা করে মধ্যাঞ্চলের করা ৫২ ওভারের মধ্যে ১১ জনকে দিয়েই বোলিং করিয়েছেন দলটির অধিনায়ক। কিপার ইরফান শুক্কুর করেছেন ৩টি ওভার। তাঁর বোলিংয়ের সময় স্ট্যাম্পের পেছনে দাঁড়িয়েছেন শুভাগত হোম ও সাদমান অনিক।  মূলত বাকি বোলাররা ক্লান্ত হওয়াতে সবাইকে পরখ করে নিয়েছেন মধ্যাঞ্চল অধিনায়ক।

অন্যদিকে ‘ড্র’ হয়েছে উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যকার ম্যাচটি। এই ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৪০৮ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণাঞ্চল। এই দলের হয়ে সেঞ্চুরির দেখা পান সদ্য বাবা হওয়া জুনায়েদ সিদ্দিকি (১৩৭) ও মিজানুর রহমান (১০৬)। এই ইনিংসে ফিফটি করেন তাইজুল ইসলাম (৫৪) ও ধীমান ঘোষ (৬৫)।

প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ইমরুল কায়েস ও তুষার ইমরানের সেঞ্চুরির সাহায্যে ৪৩৩ রান করে দক্ষিণাঞ্চল। কায়েস করেন ১১৮ রান ও তুষার করেন ১৪৮ রান। দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হন সৌম্য সরকার, মোসাদ্দেক হোসেন নুরুল হাসান সোহান। তৃতীয় ইনিংসেও সেঞ্চুরি হাঁকান উত্তরাঞ্চলের জুনায়েদ সিদ্দিকি।

তৃতীয় ইনিংসে ১৫০ রান করেন এই বা-হাতি ব্যাটসম্যান। সিদ্দিকি ছাড়াও তৃতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরির দেখা পান আরিফুল হক, খেলেন ১০৩ রানের ইনিংস। এছাড়াও নাঈম ইসলাম করেন ৬১ রান। ম্যাচের কোন ফলাফল না আসায় ‘ড্র’ ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুনঃ বড় কীর্তির সামনে সাকিব  

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

মুস্তাফিজ-কায়েসের দলে না থাকার কারণ

বৃষ্টির কল্যাণে রক্ষা পেল বাংলাদেশ ‘এ’ দল

কায়েসের পর আফিফের ব্যাটে লড়ছে বাংলাদেশ

আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেন ইমরুল

বিজয়-নাইমের ব্যাটে বাংলাদেশের প্রতিরোধ