‘৫’ বছর ধরে নিজেকে প্রমাণের অপেক্ষায় ছিলাম : রিঙ্কু সিং

দীর্ঘদিন ধরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গী রিঙ্কু সিং। কিন্তু খেলার সুযোগ পান কালেভদ্রে। এবারও যখন নিলামে রিঙ্কুকে কেনা হয়েছিল, অনেকেই ভ্রূ কুঁচকেছিলেন। খাদের কিনারায় থাকা কলকাতাকে ৫ ম্যাচ হারের পর জয় এনে দিয়ে সেই রিঙ্কুই এখন পশ্চিমবঙ্গের নায়ক।

'৫' বছর ধরে নিজেকে প্রমাণের অপেক্ষায় ছিলাম রিঙ্কু সিং
দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়ছেন রিঙ্কু।

সোমবার (২ মে) রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ৪২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলকে দারুণ এক জয় এনে দিয়েছেন আলীগড়ের এই ক্রিকেটার। ধরছেন দারুণ দুটি ক্যাচও। ম্যাচ শেষে জানালেন, নিজেকে প্রমাণের এই দিনটির জন্য দীর্ঘ ৫ বছর ধরে অপেক্ষা করছিলেন তিনি।

Advertisment

২০১৮ সালে ৮০ লাখ রুপিতে কলকাতায় দলভুক্ত হওয়া রিঙ্কু খেলেন ৪টি ম্যাচ। পরের আসরে একটি ম্যাচ বেশি খেলার সুযোগ হয়। ২০২০ সালে খেলেন মাত্র একটি ম্যাচ, ২০২১ সালে একাদশে ছিলেন না একবারও। সেই রিঙ্কু এবার সুযোগ পেয়েছেন তিনটি ম্যাচে। গত দুই ম্যাচে রানের দেখা পেলেও জেতাতে পারেননি দলকে। এবার অবশ্য তিনিই দলের নায়ক।

৫৫ লাখ রুপির এই ক্রিকেটার বলেন, ‘আমি যেখানকার ছেলে, সেই আলীগড় থেকে অনেকেই রঞ্জি ট্রফি খেলেছে। কিন্তু আইপিএলে খেলার সুযোগ এখনও কেউ পায়নি, আমিই প্রথম। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট চুটিয়ে খেলি। কিন্তু আইপিএলের চাপ আলাদা। এখানে অনেক বেশি প্রত্যাশার চাপ সামলাতে হয়। গত পাঁচ বছর ধরে নিজেকে প্রমাণ করার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। কঠোর পরিশ্রম করেছি। চোট পেয়েছিলাম। সেখান থেকে ফিরে এসেছি। ঘরোয়া ক্রিকেটেও ভালো খেলেছি।’

চরম অর্থাভাবে একসময় ঝাড়ুদারের কাজ করতে রিঙ্কু। বাবা সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি করেন। ঘরে চার ভাইবোন। অভাব ঘুচাতে রিঙ্কু ক্রিকেটকে বেছে নেন। সফল হয়ে এখন তিনি আঁধার ঘরের মানিক।

রিঙ্কুর এই উত্থানে খুশি কলকাতার অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারও। তিনি বলেন, ‘যেভাবে নিজের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নেমেই রিঙ্কু মাথা ঠান্ডা রেখে খেলল, অসাধারণ। কলকাতার ভবিষ্যত সম্পদ হতে চলেছে ও। মনেই হচ্ছে না মাত্র একাদশে এসেছে।’

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।