SCORE

সর্বশেষ

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের জয়

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টির ৫ম আসরের চট্টগ্রাম পর্বে টানা জয় তুলে নিয়েছে রংপুর রাইডার্স। সিলেট সিক্সার্সকে ৪ উইকেটে পরাজিত করে মাশরাফির রংপুর রাইডার্স।

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের জয়

এর আগে টসে জিতে সিলেট সিক্সার্সকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় রংপুর অধিনায়ক মাশরাফি মুর্তজা। আগের দুই ম্যাচের জয়ের নায়ক থিসারা পেরেরাকে ছাড়াই মাঠে নামে রংপুর রাইডার্স। এইদিনে একাদশে বেশকিছু পরিবর্তন আনে রংপুর, বাদ দেওয়া হয় চলতি আসরে অফ-ফর্মে থাকা শাহরিয়ার নাফীসকে।

Also Read - আমরা একটা পরিবার হয়ে খেলছি: পুরান

দলের প্রয়োজনে দেশে ফিরে গিয়েছেন আগের দু’ম্যাচের রংপুরের জয়ের অন্যতম নায়ক থিসারা পেরেরা ও কুশল পেরেরা। থিসারা ব্যতীত বোলিংয়ের শুরুটা ভালোই করেন। এইদিনে নিজেদের ওপেনিং কম্বিনেশনে পরিবর্তন আনে সিলেট সিক্সার্স। ফ্লেচারের সঙ্গে ওপেনিং করতে আসেন নুরুল হাসান সোহান।

তাতেও খুব একটা লাভ হয়নি সিক্সার্সের। মাত্র ৫ রান করেই নাজমুল ইসলাম অপুর বলে সাজঘরে ফিরে যেতে হয় নুরুল হাসানকে। নাজমুল অপুর দ্বিতীয় শিকার হন সিক্সার্স অধিনায়ক নাসির হোসেন (৪)। দলের দ্রুত দুই উইকেট পতনে হাল ধরার চেষ্টা চালিয়ে যান বাবর আজম ও আন্দ্রে ফ্লেচার কিন্তু দু’জনের জুটি থেমে যায় মাত্র ২৩ রান যোগ করেই।

ফ্লেচারের বিদায়ে দলকে টেনে তুলেন চলতি আসরে দারুণ ফর্মে থাকা সাব্বির রহমান ও বাবর আজম। দুই ব্যাটসম্যানের অসাধারণ ব্যাটিং নৈপুণ্যে ভালো অবস্থানে পৌঁছায় দল। চলতি বিপিএলে প্রথম কয়েক ম্যাচে রানের দেখা না পেলেও বিগত কয়েক ম্যাচে বড় স্কোরের দেখা পেয়েছে সাব্বির। চলতি আসরে প্রথম ফিফটির দেখা পেয়েছেন বাবর আজম। অর্ধশতক তুলেই রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেন তিনি।

ফিফটি থেকে মাত্র ছয় রান দূরে থেকে মাশরাফির বলে বোল্ড আউট হন সাব্বির (৪৪)। তার বিদায়ে শেষদিকে ব্রেসনানের অপরাজিত ১৬ ও ওয়াইটলির অপরাজিত ১৭ রানে ১৭৩ রান সংগ্রহ করে সিক্সার্স। রংপুরের হয়ে একাই ৩টি উইকেট নেন নাজমুল অপু।

সিলেট সিক্সার্সের দেওয়া টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় রংপুর। মাত্র ৫ রান করা গেইলকে সাজঘরে ফেরান সোহেল তানভীর। এইদিনে সিলেটের পাশাপাশি ওপেনিং কম্বিনেশনে পরিবর্তন আনে রংপুরও। চলতি আসরে রানের দেখা না পাওয়া ম্যাককালাম ব্যাট করতে আসেন তিন নম্বর পজিশনে।

ব্যাট হাতে গেইলের কাজটা করেন জিয়াউর রহমান। ম্যাককালামকে সঙ্গে নিয়ে পাওয়ার-প্লে’তে ৫৯ রানের জুটি গড়েন জিয়াউর। ব্যক্তিগত ঝড়ো ১৮ বলে ৩৬ রানের ইনিংস খেলে আউট হন জিয়াউর। তবে চলতি আসরে অফ-ফর্মে থাকা ম্যাককালাম এই ম্যাচে রানের দেখায় পান।

মিঠুনকে নিয়ে গড়েন ২৯ রানের জুটি গড়েন তিনি। দলীয় ৯৫ রানে ১৮ করা মিঠুনকে ফেরান ব্রেসনান। ব্যক্তিগত ৪৩ রান করে আবুল হাসানের বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান ম্যাককালাম। তবে দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যান রবি বোপারা। তার করা ৩৩ রান দলকে জয়ের কাছে নিয়ে যায়। শেষদিকে এক ওভারে ৯ রান প্রয়োজন হলে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন খোদ অধিনায়ক মাশরাফি।

দেখুন মাশরাফির কল্যানে রংপুরের দুর্দান্ত বিজয়ের মুহুর্ত

টিম ব্রেসনানকে ছয় হাঁকিয়ে দলকে ৪ উইকেটের জয় উপহার দেন মাশরাফি মুর্তজা। সিলেট সিক্সার্সের হয়ে একটি করে উইকেট লাভ করেন সোহেল তানভীর, ব্রেসনান, সামিদ ও আবুল হাসান।

আরও পড়ুনঃ আমরা একটা পরিবার হয়ে খেলছি: পুরান

1 of 1

Related Articles

২-১ দিনের মধ্যেই জিম্বাবুয়ে সিরিজের সূচি

যুব দলে যুক্ত হচ্ছেন আরও ক’জন কোচিং স্টাফ

বৃহস্পতিবার সিরিজ জয়ের মিশনে নামছে ‘এ’ দল

২২ জুলাই যোগ দিচ্ছেন ম্যাকেঞ্জি

“মাহদি সুযোগ পেলে বাংলাদেশের হয়ে খেলবে”