SCORE

সর্বশেষ

ক্যাফে ব্যবসায় মোঃ আশরাফুল

সিচুয়ান গার্ডেন রেস্টুরেন্টের পর এবার একই নামে ক্যাফে খুললেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। রাজধানীর পুরান ঢাকার ওয়ারীতে খোলা হয় ক্যাফেটি।

মোহাম্মদ আশরাফুলের সেই সেঞ্চুরী (২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে)

 

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু ক্যাফেটির উদ্বোধন করেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক অধিনায়ক শফিকুল হক হীরা, সাবেক ক্রিকেটার জাভেদ ওমর ও ধারাভাষ্যকার জাফর উল্লাহ শারাফাত। রেস্টুরেন্ট এবং ক্যাফের পাশাপাশি একটি ট্রাভেল এজেন্সি রয়েছে আশরাফুলের।

Also Read - পরিবর্তন আসছে জাতীয় দলে?

পুরো দেশ এখন বুঁদ বিপিএল উন্মাদনায়। চার-ছক্কার টি টোয়েন্টি ক্রিকেটে গা ভাসিয়েছে সবাই। অন্যদিকে অনেকটা নিভৃতেই হচ্ছে ৩৮তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ। দেশের প্রায় সব জেলা অংশগ্রহণ করলেও, কখনোই এই টুর্নামেন্ট আসেনি স্পট লাইটে। তবে এবার কিছুটা হলেও তারকা ছোঁয়া পেয়েছে জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ।

সৈয়দ রাসেল, তুষার ইমরান, মেহরাব জুনিয়ররা ছাড়াও খেলছেন, টেস্ট ক্রিকেটের সর্ব কনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান মোহাম্মদ আশরাফুল। মুন্সিগঞ্জ জেলার হয়ে প্রথমবারের মত এই আসরে খেললেও, পুরো আয়োজনে মুগ্ধ সাবেক এই অধিনায়ক। দিলেন কিছু পরামর্শও।

তিনি বলেন, ‘আমি বলবো, আয়োজনটা খুবই চমৎকার। সুযোগ-সুবিধা বলেন আর কোয়ালিটি বলেন সব দিক থেকেই। প্রত্যেক দলে এখন পাঁচ জন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার খেলতে পারে। তাই প্রত্যেকটা টিমেই দেখা যাচ্ছে, কেউ না কেউ খেলছে। এই টুর্নামেন্টের আগে যদি ৬৪টি জেলায় লিগ হতো তাহলে আমাদের আরও ভালো হতো।’

আগামী আগস্টে উঠে যাচ্ছে নিষেধাজ্ঞা। এরপরই মুক্ত আশরাফুল। জাতীয় দলের সঙ্গে বিবেচিত হবেন ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক লিগেও। সেই কথা মাথায় রেখেই নিজেকে ফিট রাখতে খেলছেন বিভিন্ন টুর্নামেন্ট। জাতীয় দলে আবারো ফেরার স্বপ্ন দেখেন বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম প্রতিভাবান এই ব্যাটসম্যান। যেই বিপিএল দিয়ে তার নির্বাসনে যাওয়া, আবারো ফিরতে চান সেই টুর্নামেন্টে।

আশরাফুল জানান, ‘যেখানেই সুযোগ পাচ্ছি সেখানেই ম্যাচ খেলার চেষ্টা করছি। যাতে ফিটনেসটা ঠিক রাখতে পারি। যদি আমাকে ন্যাশনাল টিমে খেলতে হয় তবে আমি মনে করি, আরও ৫০ ভাগ ফিটনেস বাড়াতে হবে। আশা করি পরবর্তী দশ মাসে এই কাজগুলো করবো।’

বিপিএলের কথা তুলতেই আশরাফুল বলেন, ‘বিপিএল তো অবশ্যই মিস করি। সেখানে ভালো ক্রিকেট খেলতে পারলে ফোকাস পাওয়াটা খুবই সহজ হয়ে যায়।’

উল্লেখ্য স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকায় আশরাফুলকে আট বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে বিসিবির বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। ২০১৪ সালে আশরাফুলের আপিলের পর নিষেধাজ্ঞা পাঁচ বছরে নামিয়ে আনা হয়। ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট শুরু হয় এই শাস্তি, যার মেয়াদ শেষ হলো এ বছরের ১৩ আগস্ট (দুই বছর স্থগিত নিষেধাজ্ঞা)।

আরো পড়ুনঃ

খুলনাকে হারিয়ে শেষ চারে রংপুর

1 of 1

Related Articles

অন্যরকম মাইলফলকের অপেক্ষায় মুশফিক

আশরাফুলের রেকর্ড স্পর্শ মুশফিকের

আশরাফুলের টাকা এখনো পরিশোধ করেনি কলাবাগান

কলাবাগানের তিন ক্রিকেটারকে পারিশ্রমিক না দেয়ার অভিযোগ

লিটনের ব্যাটে লড়ছে ইস্ট জোন