SCORE

সর্বশেষ

জোর করে অবসর নেওয়ানো হয়েছিল শচীনকে!

শচীন টেন্ডুলকার- ক্রিকেটে তার অবদান বোঝা যায় ক্রিকেট উন্মাদ ভারতীয়দের তাকে ডাকা ‘ঈশ্বর’ শব্দটা থেকে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ব্যাটিংয়ের প্রায় সব রেকর্ডই নিজের করে রেখেছেন, যেগুলো আবার তার পরের ক্রিকেটারদের অনেকটাই ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।

শতক উদযাপনে শচীন টেন্ডুলকার

২০১৩ সালের ১৪ নভেম্বর নিজের ২০০তম টেস্ট খেলে অবসর গ্রহণ করেন শচীন টেন্ডুলকার। মাস্টার ব্লাস্টার খ্যাত এই ক্রিকেটার অবশ্য আগেই জানিয়েছিলেন, এটিই হতে যাচ্ছে তার জীবনের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেই ম্যাচে ভারতের একমাত্র ইনিংসে ৭৪ রান আসে শচীনের ব্যাট থেকে।

Also Read - বিপ টেস্ট দিয়ে বুধবার থেকে শুরু প্রস্তুতি ক্যাম্প

সম্প্রতি শচীনের অবসর নিয়ে বোমা ফাটিয়েছেন ভারতের সাবেক প্রধান নির্বাচক সন্দীপ পাতিল। তার দাবি, শচীনকে অনেকটা জোর করেই অবসর নেওয়ানো হয়েছিল তখন। তা না হলে দল থেকেই বাদ দেওয়া হতো তাকে!

অবশ্য সেটি টেস্ট ফরম্যাটে নয়, একদিনের ক্রিকেটে। ব্যাটিংয়ে ধার কিছুটা কমে গেলে শচীনকে ওয়ানডে দল থেকে বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়। এটি জানানোও হয় ইতিহাসের সেরা এই ব্যাটসম্যানকে।

সন্দীপের ভাষ্য, ‘২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে আমরা (নির্বাচকমণ্ডলী) শচীনকে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে জিজ্ঞাসা করি। শচীন আমাদের জানিয়েছিল, তিনি তখনও অবসরের কথা ভাবেননি। তবে ম্যানেজমেন্ট এবং বোর্ড তাঁকে নিয়ে যে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে কথা স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়।’

তাদের নিষ্ঠুর বার্তা শচীন যে বুঝতে পেরেছিলেন, সেটিও জানান সন্দীপ, ‘শচীন বুঝতে পারে এবং একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়। শচীন তখন সরে না গেলে, তাকে দল থেকে বাদ দেওয়া হত।’

বোর্ডের চাপে ২০১২ সালেই সীমিত ওভারের ক্রিকেট থেকে অবসর নেন শচীন। এর পর থেকে তার মনোযোগের জায়গা হয়ে ওঠে টেস্ট ফরম্যাট।

সন্দীপ বলেন, ‘মাস্টার ব্লাস্টার টেস্ট ক্রিকেটেই মনোনিবেশ করেছিল। আমার এবং সঞ্জয়ের (সেই সময়ের বিসিসিআইয়ের সেক্রেটারি) সঙ্গে কথা বলেই একদিনের আন্তর্জাতিক থেকে অবসর নেওয়ার কথা জানান শচীন।’

আরও পড়ুনঃ ‘উইকেট-কন্ডিশনের অজুহাত দিতে চাই না’

1 of 1

Related Articles

ওয়ানডে থেকেও অবসর নিচ্ছেন ধোনি?

রুট-মরগানের ব্যাটিংয়ে সিরিজ জিতল ইংল্যান্ড

অধিনায়ক কোহলির নতুন রেকর্ড

সিরিজে সমতা ফেরাল ইংল্যান্ড

চলে এলেন ‘ক্রিকেটের নেইমার’!