SCORE

সর্বশেষ

দ্বিশতকের পথে খুলনার এনামুল-মেহেদি

ঢাকা বিভাগকে ১১৩ রানে অলআউট করার পর এখন ব্যাটিংয়ে আধিপত্য বিস্তার করেছে খুলনা বিভাগ। দিনশেষে তাদের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩৭০ রান। আর এ বড় সংগ্রহের নেপথ্যে রয়েছে এনামুল হক বিজয় ও মেহেদি হাসানের ২৮১ রানের বিশাল জুটি। দ্বিশতক থেকে এনামুল ৩৩ এবং মেহেদি রয়েছেন ৩২ রানের দূরে।

১৬৭ রান করে অপরাজিত আছেন বিজয়
১৬৭ রান করে অপরাজিত আছেন বিজয়

 

বিনা উইকেটে ২৩ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে খুলনা বিভাগ। এনামুল হক বিজয় ১২ এবং সৌম্য সরকার ১১ রানে অপরাজিত ছিলেন। সেখান থেকে এনামুল হক ও সৌম্য সরকার ৬৬ রান যোগ করেন। দলীয় ৮৯ রানের মাথায় আউট হন সৌম্য সরকার। ৫ চারের সাহায্যে ৫৩ বলে ৩০ রান করেন সৌম্য। তাকে ফেরান মোহাম্মদ শরীফ।

Also Read - টি-টোয়েন্টিতে ব্রাভোর অভিনব অর্জন

এরপর থেকে শুরু হয় মেহেদি হাসান আর এনামুল হকের বিশাল জুটি। দুজনই ব্যাটিং করতে থাকেন ওয়ানডে মেজাজে। ঢাকা বিভাগের বোলিং আক্রমণকে নখদন্তহীনে পরিণত করেন দুজন। সারাদিনে মাত্র ৬৩.১ ওভার খেলা হলেও খুলনা দ্বিতীয় দিনে রান তুলেছে ৩৪৭ রান। এর মধ্যে ২৮১ রানই এসেছে এ জুটিতে।  মাত্র ২৯৫ বলে ২৮১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন এনামুল হক ও মেহেদি হাসান।

দিনশেষে এনামুল হক অপরাজিত আছেন ১৬৭ রানে। তিনি মোকাবেলা করেছেন ২০৬ বল। ইনিংস সাজিয়েছেন ১৮ চারে এবং ৪ ছক্কায়। অন্যদিকে মেহেদি হাসানের সংগ্রহ ১৬৮। ১৬৮ রান করতে তিনি খেলেছেন মাত্র ১৫১ বল। মেহেদি হাসানের স্ট্রাইক রেট ১১১.২৫। ৯২ রানই মেহেদি সংগ্রহ করেছেন বাউন্ডারি থেকে।  চার মেরেছেন ২০ টি এবং ছক্কা ২ টি।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ক্যারিয়ারে এনামুল পূর্ণ করলেন ১৪ তম শতক। তার সর্বোচ্চ ২১৬। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজেকে ছাড়িয়ে যেতে আরো ৫০ রান করতে হবে বিজয়কে। অন্যদিকে মেহেদি হাসান তার ২৩ তম প্রথম শ্রেণির ম্যাচে হাঁকালেন চতুর্থ শতক। তার সর্বোচ্চ ১৭৭। আর ১০ রান করলেই হবে নিজের নতুন সর্বোচ্চ ইনিংস। দ্বিশতকের চৌকাঠ পার করে ফেললে তা হবে ক্যারিয়ারে প্রথমবার।

৩৭০ রান সংগ্রহ করা খুলনা বিভাগ এগিয়ে আছে ২৫৭ রানে।

আরও পড়ুনঃ ‘বিপিএল খেললে নিজের লেভেলটা বোঝা যায়’

1 of 1

Related Articles

ছুটি কমেছে টাইগারদের

ঘরোয়া লঙ্গার ভার্শনে মনোযোগ মাশরাফির

মাইলফলকের সামনে রাজ্জাক

অল্পের জন্য তামিমকে ছাড়িয়ে যেতে পারলেন না মিজানুর

নিজেকেও ছাড়িয়ে গেলেন মুমিনুল