SCORE

সর্বশেষ

শরীফের হ্যাটট্রিকে রূপগঞ্জের জয়

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) এর এবারের আসরে নিজেদের চতুর্থ জয় তুলে নিয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে বৃষ্টি আইনে ৫ উইকেটে পরাজিত করে রূপগঞ্জ। এই ম্যাচে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেন রূপগঞ্জের পেসার মোহাম্মদ শরীফ।

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) এর এবারের আসরে নিজেদের চতুর্থ জয় তুলে নিয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে বৃষ্টির আইনে ৫ উইকেটে পরাজিত করে রূপগঞ্জ। এই ম্যাচে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেন রূপগঞ্জের পেসার মোহাম্মদ শরীফ। এর আগে সকালে ৯টায় ম্যাচ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে ঘন্টাখানেক পিছিয়ে আরম্ভ হয় দুই দলের মধ্যকার ম্যাচটি। বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত ওভার থেকে ১৭ ওভার কমিয়ে আনা হয় ৩৩ ওভারের ম্যাচে। টস জিতে বোলিং নেওয়া রূপগঞ্জের হয়ে শুরুতেই জোড়া আঘাত আনেন পেসার শরীফ। দলীয় ১২ রানে ওপেনার আবদুল্লাহ আল মামুন ও মুমিনুল হককে কোন রান করতে না দিয়েই সাজঘরে ফেরান শরীফ। ম্যাচে নিজের তৃতীয় শিকার করেন গাজী গ্রুপ দলের অধিনায়ক ইমরুল কায়েসকে। ২২ রান করে সাজঘরে ফিরেন এই ওপেনার। নাদিফকে নিয়ে কিছুটা হাল ধরার চেষ্টা করেন মনোজ তিওয়ারি। তবে দলীয় ৭৬ রানে নিজের চতুর্থ শিকার তিওয়ারিকে ফেরান শরীফ। জাকের আলীকে নিয়ে ৬৪ রানের জুটি গড়েন নাদিফ। ব্যক্তিগত ৩৭ করে আউট হন জাকের। ১৮৩ রানে ৭ উইকেট হারালে পরের তিনটি উইকেট পেয়ে হ্যাট্রিক করেন শরীফ। একাধারে রাজিবুল, ৭৫ করা নাদিফ ও রুহেলকে আউট করেন এই পেসার। ১৯১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৭ রানেই উইকেট হারিয়ে বসে রূপগঞ্জ। শুন্য রানেই মোহাম্মদ নাইমকে ফেরান আবু হায়দার রনি। দলীয় ৩৪ রানে আব্দুল মজিদকে (২২) ফেরান তরুণ স্পিনার মেহেদি হাসান। অধিনায়ক নাঈম ইসলাম ও মুশফিকুর রহিম মিলে দলের জয়ের অবস্থান কিছুটা শক্ত করেন। দুই জনের ৫১ রানের জুটি ভাঙেন নাইম হাসান। ৩৯ করে বিদায় নেন নাঈম ইসলাম। দলীয় এক রান যোগ করতেই ব্যক্তিগত ২২ রান করে সাজঘরে ফিরেন মুশফিক। দলের হয়ে বাকি কাজটা করে দেন তুষার ইমরান ও পারভেজ রাসুল। দু’জনের ১০২ রানের জুটিতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রূপগঞ্জ। ৩৮ করে তুষার আউট হলেও ৬১ রান করে অপরাজিত থাকেন পারভেজ। গাজী গ্রুপের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি পান নাইম হাসান। এই জয়ে ৬ ম্যাচে ৪ জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ।
ছবিঃ সংগৃহীত

এর আগে সকালে ৯টায় ম্যাচ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে ঘন্টাখানেক পিছিয়ে আরম্ভ হয় দুই দলের মধ্যকার ম্যাচটি। বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত ওভার থেকে ১৭ ওভার কমিয়ে আনা হয় ৩৩ ওভারের ম্যাচে। টস জিতে বোলিং নেওয়া রূপগঞ্জের হয়ে শুরুতেই জোড়া আঘাত আনেন পেসার শরীফ।

দলীয় ১২ রানে ওপেনার আবদুল্লাহ আল মামুন ও মুমিনুল হককে কোন রান করতে না দিয়েই সাজঘরে ফেরান শরীফ। ম্যাচে নিজের তৃতীয় শিকার করেন গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের  অধিনায়ক ইমরুল কায়েসকে। ২২ রান করে সাজঘরে ফিরেন এই ওপেনার। নাদিফকে নিয়ে কিছুটা হাল ধরার চেষ্টা করেন মনোজ তিওয়ারি।

Also Read - বিসিবিকে মাশরাফির 'না'

তবে দলীয় ৭৬ রানে নিজের চতুর্থ শিকার তিওয়ারিকে ফেরান শরীফ। জাকের আলীকে নিয়ে ৬৪ রানের জুটি গড়েন নাদিফ। ব্যক্তিগত ৩৭ করে আউট হন জাকের। ১৮৩ রানে ৭ উইকেট হারালে পরের তিনটি উইকেট পেয়ে হ্যাটট্রিক করেন শরীফ। একাধারে রাজিবুল, ৭৫ করা নাদিফ ও রুহেলকে আউট করেন এই পেসার।

১৯১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৭ রানেই উইকেট হারিয়ে বসে রূপগঞ্জ। শূন্য রানেই মোহাম্মদ নাইমকে ফেরান আবু হায়দার রনি। দলীয় ৩৪ রানে আব্দুল মজিদকে (২২) ফেরান তরুণ স্পিনার মেহেদি হাসান।

অধিনায়ক নাঈম ইসলাম ও মুশফিকুর রহিম মিলে দলের জয়ের অবস্থান কিছুটা শক্ত করেন। দুই জনের ৫১ রানের জুটি ভাঙেন নাইম হাসান। ৩৯ রান করে বিদায় নেন নাঈম ইসলাম। দলীয় এক রান যোগ করতেই ব্যক্তিগত ২২ রান করে সাজঘরে ফিরেন মুশফিক। দলের হয়ে বাকি কাজটা করে দেন তুষার ইমরান ও পারভেজ রাসুল।

দু’জনের ১০২ রানের জুটিতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রূপগঞ্জ। ৩৮ রান করে তুষার আউট হলেও ৬১ রান করে অপরাজিত থাকেন পারভেজ। গাজী গ্রুপের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি পান নাইম হাসান। এই জয়ে ৬ ম্যাচে ৪ জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ১৯০ (ওভার ৩২.৪)

নাদিফ ৭৫, অনিক ৩৭ঃ শরীফ ৩৩-৬

লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ ১৯১-৫ (ওভার ৩২.১)

পারভেজ ৬১*, নাঈম ৩৯ঃ নাইম হাসান ৩-৩৮

ফলাফলঃ ৫ উইকেটে জয়ী রূপগঞ্জ।

ম্যাচ সেরাঃ মোহাম্মদ শরীফ (লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ)

আরও পড়ুনঃ পুরনো দায়িত্বে ফিরছেন সুজন

1 of 1

Related Articles

উপরের দিকে চোখ শান্ত’র

অসুস্থ রুবেল, দোয়া চাইলেন সবার কাছে

বোলিং অ্যাকশন নিয়ে বাড়ছে সচেতনতা

দুঃসময়ে তরুণদের পাশে মাশরাফি

নির্ভার থাকার জন্যই অধিনায়কত্ব করেননি মাশরাফি