SCORE

সর্বশেষ

১৭৬ রান করে থামলেন মুমিনুল

বাংলাদেশের চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকানোর সুযোগ ছিল মুমিনুল হকের সামনে।  প্রথম দিন শেষ করেছিলে ১৭৫ রানে অপরাজিত থেকে। দ্বিতীয় দিনে মুমিনুল হকের সামনে ছিল ডাবল সেঞ্চুরির হাতছানি। কিন্তু তা আর হলো না।

ডাবল সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ২৫ রান দূরে ছিলেন তিনি।। মুমিনুল হক বিদায় নিলেন এক রান যোগ করেই। ২১৪ বলে ১৭৬ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে ফিরে যান সাজঘরে। চোখ ধাঁধানো ১৬ টি চার আর ১ ছক্কায় সাজিয়েছেন ইনিংস।

Also Read - আগামী বছর আসছে নতুন ক্রিকেট স্টেডিয়াম

দিনের তৃতীয় ওভারেই রঙ্গনা হেরাথের বলে ফিরে যান মুমিনুল হক। মিড উইকেটের দিকে খেলতে চাইলেও সিলিতে দাঁড়ানো কুশল মেন্ডিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি।

প্রথম দিন দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন মুমিনুল হক। শ্রীলঙ্কার বোলাররা পাত্তাই পাননি তার কাছে। নান্দনিক সব শটে এগিয়ে নিয়ে যান রান। করেন মুগ্ধতা ছড়ানো ব্যাটিং। পুরো মাঠ থেকেই বের করছিলেন রান।

মাত্র ৪৬ বলেই পূর্ণ করেন অর্ধশতক। বেশ আগ্রাসী মেজাজে ব্যাট চালাচ্ছিলেন মুমিনুল হক। ব্যাট হাতে ছিলেন ভীষণ দাপুটে।

শতকের পর মুমিনুলের উদযাপন শতকের পর মুমিনুলের উদযাপন
শতকের পর মুমিনুলের উদযাপন

অর্ধশতক থেকে শতকে পা রাখেন মাত্র ৯৬ বলে। গত ১৩ টেস্টে পাননি শতক। সেই শতকের খরা কাটালেন রানের ফোয়ারায়। ডাউন দ্যা উইকেটে এসে বাউন্ডারি মেরে শতক স্পর্শ করেন। উদযাপনের সময় শূন্যে তার মুষ্টিবদ্ধ হাত ও ব্যাট ছুড়ে করেন বহু আকাঙ্ক্ষিত শতকের উল্লাস। মুছে দেন দীর্ঘদিন অপ্রাপ্তির হতাশা। যেন অনেকদিন ধরে বয়ে চলা কোনো বোঝা সরিয়ে হাঁফ ছাড়লেন।

তৃতীয় উইকেটে মুশফিকুর রহিমের সাথে গড়েন ২৩৬ রানের জুটি। এ জুটিই বাংলাদেশকে নিয়ে যায় শক্ত অবস্থানে। দিনশেষে অপরাজিত ছিলেন ১৭৫ রানে। দ্বিতীয় দিন সকালে ২৪ রানের আক্ষেপ নিয়ে বিদায় নেন মুমিনুল। এর আগেও এই চট্টগ্রামে দ্বিশতকের আফসোসে পুড়েছেন মুমিনুল। ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৮১ রানের ইনিংস খেলে আউট হয়েছিলেন তিনি। 


আরো পড়ুনঃ মুমিনুলে মুগ্ধ তামিম  

Related Articles

হৃদয় ভাঙা হারে ম্রিয়মান শততম টেস্ট জয়ের স্মৃতি

গর্বের ম্যাচে নায়ক মাহমুদউল্লাহ-সাকিবদের পার্শ্বনায়ক মানজারুল!

বাংলাদেশের জয়ে টুইটার প্রতিক্রিয়া

ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, দলে ফিরেছেন সাকিব

প্রিভিউ : অলিখিত সেমি-ফাইনালের সামনে বাংলাদেশ