SCORE

সর্বশেষ

কষ্টটা মনে রেখেই এগিয়ে যেতে চায় বাংলাদেশ

১৮তম ওভারে মুস্তাফিজের করা প্রত্যেকটি বল যেন বাংলাদেশকে নতুন করে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিল। সেই ওভার থেকে এলো মাত্র এক রান, সেই সাথে বোনাস হিসেবে একটি উইকেট। এই যেন পুরনো মুস্তাফিজ। তবে রুবেলের করা পরের ওভারটিতে যেন স্বপ্নভঙ্গ হলো বাংলাদেশ। প্রথম তিন বল থেকে কার্তিক তুলে নিয়েছেন ১৬ রান, মেরেছেন দুইটি ছয় ও একটি চার।

কষ্টটা মনে রেখেই এগিয়ে যেতে চায় বাংলাদেশ

চতুর্থ বল ডট, পঞ্চম বলে দুই এবং শেষ বলে চার। মোট ২২ রান এসেছিলো রুবেলের ওভার থেকে। শেষ ওভারে ভারতের ১২ রান প্রয়োজন হলে সৌম্যর করা প্রথম পাঁচ বল যেন স্বপ্ন দেখায় টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ভারত বধের। কিন্তু শেষ বলে কার্তিকের হাঁকানো ছয় যেন আক্ষেপের গল্পটা আরও একটু বড় হলো বাংলাদেশের জন্য।

Also Read - শ্রীলঙ্কানদের সমর্থন না পাওয়ায় অবাক নন সাকিব

এর আগে ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে এত বড় সুযোগ পেয়েও হাতছাড়া করেছিল বাংলাদেশ। সেই বেঙ্গালুরু যেন আবারো ফিরে এলো প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে। তবে এখান থেকে এগিয়ে যেতে চান মুশফিক। নিদাহাস ট্রফির মিশন শেষে সোমবার সকালে নিজ দেশের বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায় পুরো দল। সেখানেই জানান এই কষ্ট থেকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চায় দল।

‘ভারতকে এভাবে হারানোর সুযোগ সবসময় আসে না। আমরা শেষ দুটো সুযোগই মিস করে ফেললাম কিন্তু এই যে কষ্টটা আমরা মনে রাখবো এবং এখান থেকেই ইনশাহআল্লাহ্‌ আমরা যেন এগিয়ে যেতে পারি।’

নিদাহাস ট্রফি না জিতলেও এখান থেকে প্রাপ্তির অনেক কিছু আছে বাংলাদেশের। হারের বৃত্তে ঘুরপাক খাওয়া দলটি যে বাইরের দেশে ফাইনাল খেলবে সেটি হয়ত কেউ ভাবতেও পারেনি। তবে ভালো খেলার আশা নিয়েই লঙ্কায় গিয়েছিলো বাংলাদেশ। এই সিরিজের প্রাপ্তির কথা জানালেন মুশফিকও।

‘এই কয়টা দিন আমরা যেভাবে ক্রিকেট খেলেছি, ম্যাচ জিতেছি, পুরো বাংলাদেশ দল কৃতিত্ব পাওয়ার যোগ্য। হোম সিরিজে টি-টোয়েন্টিতে আমরা যেভাবে হেরেছিলাম শ্রীলঙ্কার সঙ্গে, এরপর ওদের মাটিতে এভাবে জেতা অনেক বড় প্রাপ্তি। ঘরের মাঠে ক্লোজ ম্যাচ আমরা জিততে পারিনি, কিন্তু ওখানে আমরা ওভারকাম করে জিতেছি। এটাও আমাদের নতুন প্রাপ্তি।’

নিদাহাস ট্রফির ফাইনাল নিয়ে মোট পাঁচবার কোন টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। আর এই পাঁচবারেই দলের সঙ্গে ছিলেন অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। শুধু মুশফিকই নয় এই পাঁচবারেই দলে ছিলেন আরও তিন সিনিয়র ক্রিকেটার সাকিব, তামিম ও মাহমুদউল্লাহ। তার মধ্যে ২০১২ এশিয়া কাপে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মুশফিকই। এত কাছে গিয়েও ট্রফি না ছোঁয়ার বেদনা একটু বেশিই।

‘খারাপ তো লাগবেই, এতো কাছে এসেও আমরা ট্রফিটা পেলাম না। পরবর্তী সময়ে এমন পরিস্থিতি এলে আমরা নার্ভটা যেন আরও শক্ত রাখতে পারি, যেন তখন ওভারকাম করতে পারি।’

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের লড়াকু পারফরম্যান্সে প্রশংসার জোয়ার

1 of 1

Related Articles

রুবেল হোসেনের সমস্যা কোথায়?

নিদাহাস ট্রফি থেকে ৪৮২ শতাংশ লাভ!

অসুস্থ রুবেল, দোয়া চাইলেন সবার কাছে

যেখান থেকে শুরু ‘নাগিন ড্যান্স’ উদযাপনের

‘খারাপ করছি দেখেই বেশি চোখে পড়ছে’