SCORE

সর্বশেষ

দাপুটে জয়ে শিরোপা পুনরুদ্ধার আবাহনীর

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের (ডিপিএল) শিরোপা পুনরুদ্ধার করতে হলে সুপার লিগের শেষ ম্যাচে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে জিততে হবে এমন সমীকরণকে মাথায় নিয়ে খেলতে নেমে ৯৪ রানের দাপুটে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আবাহনী লিমিটেড। একইসাথে তাই শিরোপা পুনরুদ্ধারের ষোলকলাও পূর্ণ হলো মাশরাফি মুর্তজা-নাসির হোসেনদের মতো তারকা ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া আবাহনী লিমিটেডের।

আগে ব্যাট করা আবাহনীর দেওয়া ৩৭৫ রানের পাহাড়সম রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে ম্যাচে থাকলেও, শেষ দিকে গিয়ে জয়ের আশা এলোমেলো হয়ে যায় রূপগঞ্জের। আবাহনীর বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৪১তম ওভারের প্রথম চার বলে শেষ তিন উইকেট হারালে ২৮০ রানে থামে রূপগঞ্জের ইনিংস। আর এতেই ৯৪ রানের জয়ের সাথে লিস্ট ‘এ’ স্বীকৃতি পাওয়ার পর দ্বিতীয়বারের মতো ও ডিপিএলের ইতিহাসে সর্বাধিক ১৮বারের মতো শিরোপা জয়ের আনন্দে মাতে আবাহনী।

Also Read - হারে শেষ শেখ জামাল

রূপগঞ্জের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৬ রান আসে অধিনায়ক নাঈম ইসলামের ব্যাট থেকে। অধিনায়ক সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার দিন অর্ধশতকের দেখা পেয়েছেন আরও দুই ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ নাইম ও মুশফিকুর রহিম। নাইম ৭০ ও মুশফিক খেলেছেন ৬৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। যদিও শেষ পর্যন্ত দলের ব্যর্থতায় আড়ালেই থেকে গেছে তাদের লড়াকু মানসিকতার ইনিংস।

আবাহনীর বোলারদের মধ্যে মিরাজ, সন্দীপ, সানজামুল ও নাসির প্রত্যেকেই নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। পাশাপাশি একটি উইকেট পেয়েছেন মাশরাফি মুর্তজা।

এর আগে বিকেএসপিতে প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ পেয়ে অধিনায়ক নাসির হোসেনের ৯১ বলে করা ১২৯ ও নাজমুল হোসেন শান্ত’র ১০৭ বলের ১১৩ রানের পর শেষ দিকে মাশরাফি মুর্তজার ঝড়ো ৮ বলের অপরাজিত ২৮ রানে চড়ে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে রূপগঞ্জের বিপক্ষে ৬ উইকেটে ৩৭৪ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় আবাহনী।

নাসির-শান্ত'র জোড়া শতকে বড় সংগ্রহের পথে আবাহনী
আবাহনীর রান পাহাড়ে চড়ার দিন শতক হাঁকান নাসির ও শান্ত।

শুরু থেকে দ্রুতগতিতে রান তুলতে থাকা দুই ওপেনার এনামুল হক বিজয় নাজমুল হোসেন শান্ত মিলে উদ্বোধনী জুটিতে যোগ করেন ১২.১ ওভারে ৯২ রান।

অর্ধশতক পেরোনোর পর দলীয় ৯২ রানে ভারতীয় বোলার পারভেজ রাসুলের শিকারে পরিণত হলে থামে এনামুল হকের ইনিংস। আউট হওয়ার আগে ৮ চার ও ১ ছয়ে ৫১ বলে ৫৭ রানের ইনিংসটি সাজান তিনি। এরপর দ্রুততম সময়ে বিহারী (৬) ও, মোহাম্মদ মিঠুনকে (১) পারভেজ সাজঘরে ফেরালে ১২৩ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে আকাশী-নীল জার্সি ধারীরা।

সেখান থেকে দলের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে শান্ত’র সাথে লড়তে থাকেন আবাহনীর অধিনায়ক নাসির হোসেন। চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১৮৭ রান যোগ করে দলকে বড় সংগ্রহের পথ দেখানোর পর ইনিংসের ৪৪তম ওভারে আউট হন নাসির। ১৫ চার ও ৪ ছয়ে ৯১ বলে ১২৯ রান করা নাসির আসিফ হাসানের বলে মুশফিকের হাতে স্টাম্পড হন। এর দুই ওভার পর ১১৩ রানের ইনিংস খেলা শান্তকে ফেরান মোহাম্মদ শহীদ।

দুই সেট ব্যাটসম্যানকে ফেরালেও রানের লাগাম ধরে রাখতে ব্যর্থ হয় রূপগঞ্জ। শেষদিকে মাশরাফির ৮ বলে ৪ চারে করা ২৮ ও মোসাদ্দেকের ১৪ বলের অপরাজিত ১৯ রানের ইনিংসে স্কোরবোর্ডে ৩৭৪ রান যোগ করে আবাহনী।

রূপগঞ্জের বোলারদের মধ্যে পারভেজ রাসুল ৪২ রানে তিনটি ও মোহাম্মদ শহীদ ৮১ রানের বিনিময়ে নেন দুটি উইকেট।

স্কোরকার্ড-

আরও পড়ুনঃ শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করবেন না ওয়ার্নার

1 of 1

Related Articles

‘খারাপ করছি দেখেই বেশি চোখে পড়ছে’

মাশরাফির ‘অন্যতম স্মরণীয় ও সেরা’ ডিপিএল

নাসির, শান্ত তাণ্ডবের পর মাশরাফি ঝড়

নাসির, শান্ত’র জোড়া শতক

শিরোপার জন্য সেরাটাই দেবে আবাহনী