SCORE

সর্বশেষ

‘ছোট ফরম্যাটের জন্য আফগানিস্তান ভালো দল’

নিদাহাস ট্রফিতে জাতীয় দলের মূল স্কোয়াডে সুযোগ পেয়েছিলেন আরিফুল হক। টিম কম্বিনেশনের কারণে সুযোগ পাননি। তবে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেছিলেন একটি ম্যাচ।

Image result for afghan cricket teamওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে তাকে ঘিরে রয়েছে পরিকল্পনা। প্রাথমিক দলে থাকা এ ক্রিকেটার উড়ে যাবেন ক্যারিবীয়ান দ্বীপপুঞ্জে। থাকবেন আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও।

মিরপুরে আজ ফিটনেস ক্যাম্পের দ্বিতীয় দিন শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন আরিফুল। নিজের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানান, ‘আমাদের বিপক্ষে যারা যারা বোলিং করবে তাদের আইপিএলে খেলা দেখছি। আফগানিস্তানের সঙ্গে খেলা। তাদের মুজিব (মুজিব-উর-রহমান) আছে। ওকে আমরা ওইভাবে দেখিনি। রশিদ খানকে বিপিএলে দেখেছি। সব মিলিয়ে ওদের কীভাবে খেলা যায় তা নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

Also Read - প্রতিযোগিতাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন এনামুল

‘আমার লক্ষ্য হলো জাতীয় দলে থিতু হওয়া। কারণ, আমি এখনো থিতু না। তারপর আমার যেটা ভূমিকা সেটা ঠিক মতো করার চেষ্টা করব। হয়তবা পরিস্থিতি নির্ভর করবে কোথায় ব্যাট করব, কীভাবে ব্যাট করব। সব ডিফেন্ড করে আমাকে আসলে জাতীয় দলে পাকাপোক্ত অলরাউন্ডার হিসেবে নিজেকে তৈরি করে নিতে হবে। ঘরোয়াতে বোলিং করি, জাতীয় দলে সে সুযোগ এখনো হয়নি। বিপিএলেও ওইভাবে সুযোগ হয়নি। যদি সুযোগ পাই আমার আগের সব অভিজ্ঞতা দিয়ে চেষ্টা করব।’ – এভাবেই জানান নিজের লক্ষ্য।

আইপিএল খেলার কারণে আফগানরা এগিয়ে থাকছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে আরিফুল বলেন, ‘দেখেন ছোট ফরম্যাটের জন্য আফগানিস্তান ভালো দল। ওদের বোলিং ভালো। ব্যাটিং আমার মনে হয় না অত ভালো। আমাদের দুইটা দিকই ভালো। ওদের বোলাররা দুজন খেলে (আইপিএলে)। ব্যাটসম্যানরা কেউ খেলে না।  সিরিজটা জমজমাট হবে। ওদের বোলিং নিয়ে পরিকল্পনা করছি। আমার মনে হয় তিনটাতেই জিতব।
কন্ডিশন নিয়ে জানতে চাইলে আরিফুল বলেন, ‘এর আগে আমি একবার দেরাদুনে খেলতে গেছিলাম। ওখানে প্রচুর গরম থাকে। আবার মাঝেমাঝে বৃষ্টি হলে আবার প্রচুর গরম পড়ে। গরম নিয়ে আসলে মাথা ঘামানোর কিছু নেই। আমাদের এখানেও গরম পড়ে। কন্ডিশন বলতে একটা নতুন জায়গা। অন্যথায় কোন সমস্যা নেই।’


উইকেটে থিতু হয়ে শেষদিকে বড় শট খেলার চেষ্টা করে বলে জানান আরিফুল। ‘শেষদিকে আমি যখন ব্যাট করতে নামি আমি চিন্তা করি একাই খেলার চেষ্টা করব। বাজে বল পেলে মারব। ডট বল করব না, স্ট্রাইক রোটেট করব। বিগ শট বলতে আমি চিন্তা করি শেষ করার। এতে শেষ পর্যন্ত খেলতে হয়। শেষের দিকে নিয়ে গেলে আমি দুই তিন ওভার মেরে খেলতে পারব। মাইন্ডসেট এভাবে থাকে।’

বিপিএলের সঙ্গে আন্তর্জাতিকের পার্থক্য কি এমনটা জানতে চাইলে এই হার্ডহিটারের মত, ‘বিপিএল একটা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ। আর এটা দেশের হয়ে খেলা, অনেক ক্রাউড থাকে। একটা চাপ থাকে। এই চাপটা যে নিতে পারে সে সফল হয়। একটা ম্যাচেই আমি ব্যাট করেছি। আর ওইরকম সুযোগ হয়নি। পরিস্থিতির সঙ্গে অভ্যস্ত হওয়ার ব্যাপার আছে। পরিস্থিতির সঙ্গে মানাতে পারলেই ভালো খেলা সম্ভব। ঘরোয়াতে আমি অনেক পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছি। আমার কাছে পরিস্থিতিগুলো সহজ লাগে। যখন আন্তর্জাতিকে ওরকম ফেস করতে থাকব তখন সেটাও সহজ লাগবে।

নিজের উন্নতির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন বলেও জানান আরিফুল, ‘উন্নতির আসলে শেষ নাই। আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রতিপক্ষরা অনেক পরীক্ষা, অনেক ভিডিও দেখে। আমাদের বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের পেস বোলার দিয়ে বেশি অ্যাটাক করে। লোয়ার অর্ডারে শর্ট বল বেশি করে। আমার মনে হয় এইগুলা ভালোভাবে ব্যবহার করার দিকে নজর দেওয়া দরকার।’
সিলেটে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার মধ্যকার টি-২০ সিরিজে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে অভিষেক হয় আরিফুল হকের। প্রথম টি-২০-তে শেষদিকে মাঠে নেমে ১ বলে ১ রান করে অপরাজিত ছিলেন এই অলরাউন্ডার। যদিও ম্যাচে বল হাতে পারফর্ম করার সুযোগই হয়নি তার। একই নিয়তি ছিল দ্বিতীয় ম্যাচেও। অভিজ্ঞ ও স্পেশালিষ্ট বোলারে ঠাসা স্কোয়াডে তার হাতে বল তুলে দেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। ঐ ম্যাচে ব্যাট হাতে নেমে ৩ বলের মোকাবেলায় মাত্র ২ রান করেই জীবন মেন্ডিসের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফিরেছিলেন আরিফুল।

 

আরো পড়ুনঃ অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচকের দায়িত্বে আর নন মার্ক

 

1 of 1

Related Articles

ছুটি কমেছে টাইগারদের

শৃঙ্খলার জন্য বাদ পড়েছিলেন সাব্বির!

শীর্ষে রশিদ, উন্নতি রিয়াদ-মুশফিকের

বাংলাদেশ আফগানিস্তান সিরিজের সেরা তিন

ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে তিন পরিবর্তন