আইসিসির সূচিতে ১৫০ এর বেশি ম্যাচ পাচ্ছে বাংলাদেশ

আগামী পাঁচ বছরের জন্য আইসিসির দেওয়া এফটিপি অনুযায়ী তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ১৫০ এর অধিক ম্যাচ খেলার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০১৮ এর জুলাই থেকে ২০২৩ সালের মার্চ পর্যন্ত দল গুলোকে ম্যাচের সংখ্যা বেঁধে দিয়েছে আইসিসি। এফটিপি অনুযায়ী ভারতই একমাত্র দল যারা কিনা খেলবে ২০০ এরও বেশি ম্যাচ।

আইসিসির সূচিতে ১৫০ এর বেশি ম্যাচ পাচ্ছে বাংলাদেশ
আইসিসির বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট এবং এশিয়া কাপ সহ ম্যাচ সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ২০০’তে! ছবিঃ বিডিক্রিকটাইম

আইসিসির দেওয়া এই এফটিপি বাংলাদেশের জন্য সুখবরই বটে। তবে রয়েছে চ্যালেঞ্জও। ২০১৮-২০২৩ সাল পর্যন্ত মোট ৪৪টি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। যার সিংহভাগই বিদেশের মাটিতে। আইসিসির দেওয়া এফটিপি অনুযায়ী ওয়ানডে খেলবে ৫৭টি ও টি-টোয়েন্টি খেলবে ৫৪টি। টেস্টের মত ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টির বেশিরভাগ ম্যাচই খেলবে দেশের বাইরে।

এফটিপিতে রাখা হয়েছে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজও। আইসিসির দেওয়া সূচি অনুযায়ী টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের প্রথমটি খেলবে আগামী মাসে উইন্ডিজের বিপক্ষে। এফটিপিতে রাখা হয়নি এশিয়া কাপ  এবং আইসিসির কোন বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট। ফিরতি সিরিজ খেলতে ডিসেম্বরে বাংলাদেশে আসবে উইন্ডিজরা।

Also Read - ‘যে জিনিস আমার হাতে নেই, সেটা নিয়ে ভেবে লাভ নেই’

তবে এফটিপির বাইরে দুই ক্রিকেট বোর্ড চাইলে সিরিজ আয়োজন করতে পারবে। এফটিপি বাদে আইসিসির বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট এবং এশিয়া কাপ সহ বাংলাদেশের ম্যাচ সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াবে ১৮০ এর উপরে। বিগ ‘থ্রি’ ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া-ভারতের পরেই সর্বোচ্চ টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। তবে আগামী পাঁচ বছরে এফটিপি অনুযায়ী ইংল্যান্ডের মাটিতে নেই কোন সিরিজ।

এফটিপি অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে মোট ১০৩ ম্যাচ খেলবে আফগানিস্তান। যার মধ্যে রয়েছে ১২টি টেস্ট, ৪৯ ওয়ানডে এবং ৪২টি টি-টোয়েন্টি। অস্ট্রেলিয়া পাচ্ছে ১৬৬টি ম্যাচ। ৪৯টি টেস্ট, ৬৩টি ওয়ানডে ও ৫৪টি টি-টোয়েন্টি। ইংল্যান্ডও পাচ্ছে অজিদের সমান ম্যাচ। তবে অজিদের চেয়ে ৮টি টেস্ট বেশি খেলবে ইংল্যান্ড।

ভারত খেলবে ২০২টি ম্যাচ। এফটিপি অনুযায়ী তারা পাচ্ছে ৫০টি টেস্ট, ৮৩টি ওয়ানডে ও ৬৯টি টি-টোয়েন্টি। আয়ারল্যান্ড খেলবে ১৩১টি। ওয়ানডের তুলনায় টি-টোয়েন্টিই পাচ্ছে বেশি দলটি। এফটিপি অনুসারে নিউজিল্যান্ড পেয়েছে ১৫৯টি ম্যাচ। ৩৮টি টেস্ট, ৬২টি ওয়ানডে এবং ৫৯টি টি-টোয়েন্টি খেলবে কিউইরা। পাকিস্তান পেয়েছেন ১৫৫টি ম্যাচ।

দক্ষিণ আফ্রিকারা খেলবে ১৫৯টি ম্যাচ। শ্রীলঙ্কাও পেয়েছে ১৫০ এর বেশি ম্যাচ। উইন্ডিজ পেয়েছে ১৮৩ ম্যাচ। জিম্বাবুয়ে ১২৬টি।

আরও পড়ুনঃ ‘মেসি একাই শেষ করে দিবে’