Score

আছে মুগ্ধতা আবার আছে হতাশাও

আবারো শিরোপার এত কাছে গিয়েও ছোঁয়া হলো না বাংলাদেশ দলের। এবারের এশিয়া কাপে বাংলাদেশ দল যে অসাধারণ খেলেছে সেটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। এশিয়া কাপ শেষে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ। দেশে ফিরেই মিডিয়ার মুখোমুখি হয়েছেন বাংলাদেশ দলের হেড কোচ স্টিভ রোডস। তিনি জানিয়েছেন দলের পারফরম্যান্সে আছে মুগ্ধতা আবার হতাশাও।

বাংলাদেশ দল

২০১২, ২০১৬,২০১৮- এশিয়া কাপের এই তিন আসরের ফাইনালিস্ট বাংলাদেশ। তিনবারের মধ্যে দুইবারই শিরোপার অনেক কাছাকাছি গিয়েছে বাংলাদেশ দল। তবে জিততে পারেনি একটিতেও। তিনবারের মধ্যে দুইবারই প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। তবে আগের দুই আসরের চেয়ে এই আসরটা ভিন্ন। কেননা ২০১২ ও ২০১৬ সালে ঘরের মাঠের কন্ডিশনে খেলেছে বাংলাদেশ।

তবে এবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ছিল ভিন্ন রকম চ্যালেঞ্জ। সেখানকার গরম ও টানা ম্যাচ ছিল বাংলাদেশের জন্য অন্যরকম চ্যালেঞ্জ। তবুও এসব ছাপিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলেছে বাংলাদেশ। তবে ফাইনালে এত কাছে এসেও জিততে না পারার আফসোস করছেন দলের হেড কোচ রোডস।

“আমাদের জয়ের সুযোগ ছিল। আমরা সুযোগটা হাতছাড়া করেছি। আমরা ভালো পারফর্ম করেছি। ভারতীয় দল খুবই ভালো, আমরা সবাই জানি। তাদেরকে একদম শেষ বল পর্যন্ত ঠেলে নেওয়া খুবই ভালো পারফরম্যান্স ছিল। শুধু একটু হতাশ, আমরা শেষ পর্যন্ত শিরোপা জয় করতে পারিনি।”

Also Read - রেটিং বাড়ল আফগানিস্তান-ভারতের, কমলো পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কার

এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচেই ইনজুরিতে পড়েন দারুণ ফর্মে থাকা ওপেনার তামিম ইকবাল। ইনজুরির কারণে শুরু না হতেই শেষ হয়ে যায় তামিমের এশিয়া কাপ। তামিমের অভাব বাংলাদেশকে ভুগিয়েছেন সুপার ফোর পর্যন্ত। ওপেনিং থেকে যেন রানই আসছিলো না বাংলাদেশের। তামিমের সাথে ইনজুরির কারণে এশিয়া কাপের শেষ দুই ম্যাচ খেলতে পারেননি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও।

সাকিবকে ছাড়াই অলিখিত সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। সেই সাথে ফাইনালে ভারতের সঙ্গে শেষ বল পর্যন্ত লড়াই করেছে বাংলাদেশ। এশিয়া কাপ জিততে না পারলেও এই আসরে ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছেন রোডস।

“আমরা আমাদের সেরা দল নিয়ে খেলতে পারিনি। সাকিব-তামিমের কেউই ছিল না। কিন্তু ছেলেরা যাদের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়েছে। টুর্নামেন্টে আরও ৪টি দল ছিল, যারা ফাইনালে জায়গা করে নিতে পারেনি। এদের মধ্যে দুটি দল খুবই ভালো ছিল।”

আরও পড়ুনঃ রেটিং বাড়ল আফগান-ভারতের

Related Articles

মেডিকেল রিপোর্টের উপরেই নির্ভর করছে সাকিবের এনওসি

এই মিরাজ অনেক আত্মবিশ্বাসী

মিঠুনের ‘মূল চরিত্রে’ আসার তাড়না

‘আঙুলটা আর কখনো পুরোপুরি ঠিক হবে না’

এক নয় মাশরাফির তিন ইনজুরি