আফগানিস্তানের কাছেও ধরাশায়ী উইন্ডিজরা

0
2241

অথচ এই ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলটাই নাকি দুইবারের বিশ্ব-চ্যাম্পিয়ন! একটা সময় টেস্ট খেলুড়ে দলগুলোর মধ্যেই ছিল উপরের দিকে। গত কয়েক বছর ধরে পারফরমেন্স পড়তির দিকে থাকায় টেস্ট খেলুড়ে দলগুলোর বিপক্ষে কার্যত ‘ছোট দল’ হিসেবেই খেলতে হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। সর্বশেষ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও জায়গা করে নেওয়া হয়নি। ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ের সেরা আটে না থাকায় বিশ্বকাপের বাছাইপর্বেও অংশ নিতে হচ্ছে।

আফগানিস্তানের কাছেও ধরাশায়ী উইন্ডিজরা

Advertisment

তবে এবার বাছাইপর্বের শুরুতেও থাক্কা খেলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাছাইপর্বের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে আইসিসির নব্য টেস্ট খেলুড়ে দল আফগানিস্তানের কাছে হেরে গেছে ২৯ রানে।

জিম্বাবুয়ের হারারেতে ম্যাচে বাঁধ সাধে বৃষ্টি। এতে বাধ্য হয়ে ইনিংসের দৈর্ঘ্য ৩৫ ওভার করে নেন আম্পায়াররা। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৩৫ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৮ রান আসে লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যান গুলবাদিন নায়েবের ব্যাট থেকে। এছাড়া ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন সামিউল্লাহ্‌ শেনওয়ারি। টপ অর্ডার ও মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার দিনে আফগানিস্তানকে পথ দেখান লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানরাই।

ক্যারিবীয়দের পক্ষে শেলডন কটরেল তিনটি এবং জেসন হোল্ডার ও কেসরিক উইলিয়ামস দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দলীয় ২৫ রানে ওপেনার ক্রিস গেইলকে হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপর নিয়মিত বিরতিতে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে দলটি। দলের পক্ষে এভিন লুইস (৩৬) ও মারলন স্যামুয়েলস (৩৪) প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও তা দলের পরাজয় এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। এই দুজন ছাড়া আর কেউই ব্যক্তিগত রান সংখ্যা নিতে পারেননি দুই অঙ্কে। শেষ পর্যন্ত ২৬.৪ ওভার ব্যাট করেই ১১০ রানে অলআউট হয়ে যায় দুইবারের বিশ্ব-চ্যাম্পিয়ন দলটি।

আফগানিস্তানের পক্ষে দাওলাত জাদরান চারটি উইকেট শিকার করেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

আফগানিস্তান ১৬৩/৯ (গুলবাদিন ৪৮, শেনওয়ারি ৪২*; কটরেল ৪৩/৩)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১১০ – ২৬.৪ ওভার (লুইস ৩৬, স্যামুয়েলস ৩৪; দাওলাত ২৬/৪)

ফল- আফগানিস্তান ২৯ রানে জয়ী (ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে)

আরও পড়ুনঃ ভুল শুধরেই নিজেকে প্রমাণ করতে চান সৌম্য