আশরাফুলের ব্যাটে ভর করে কলাবাগানের জয়

আশরাফুলের ব্যাটে ভর করে জিতলো কলাবাগানডিপিএলে ব্যাত হাতে রান পাচ্ছিলেন না মোহাম্মদ আশরাফুল। অবশেষে হাসলো তার ব্যাট। তার ব্যাটে ভর করে জয়ের হাসি হেসেছে কলাবাগানও।

বিকেএসপিতে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। বৃষ্টির কারণে দুই দলের ইনিংস থেকে কেটে নেওয়া হয় ৫ ওভার করে। ৪৫ ওভারের ম্যাচে দুই ওপেনার ফজলে মাহমুদ ও মাহবুবুল করিম ১৭ রান সংগ্রহ করেন। চতুর্থ ওভারে আবুল হাসান রাজুর বলে বোল্ড হন ফজলে। ঐ ওভারে চোপড়াকেও সাজঘরে ফেরান রাজু।

Advertisment

এক ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে শেখ জামাল। মাহবুবুল করিম ও আব্দুল্লাহ আল মামুন ৩৮ রানের জুটি গড়েন। বড় স্কোড়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন করিম। ৬ চারে ৩২ রান করে মুক্তার আলির বলে আউট হন তিনি। নিজের পরের ওভারে তানবির হায়দারকে ফেরত পাঠান মুক্তার। পরের ওভারে আব্দুল্লাহ আল মামুনকে এলবিডব্লিউ করেন সাদ নাসিম। ৬২ রানেই ৫ উইকেটের পতন ঘটলে খাদের কিনারায় চলে যায় শেখ জামাল। এক চার ও এক ছক্কায় জিয়াউর ১৮ রান তুলেন। ৮৫ রানেই ৬ উইকেট হারায় শেখ জামাল।

শেখ জামালকে লড়াকু অবস্থানে নিয়ে যান রাজিন সালেহ। এক প্রান্ত আগলে রেখে ৪৫ রান করেন তিনি। তাকে দারুণ সঙ্গ দেন লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা। ৩৯ রানের মূল্যবান ইনিংস খেলেন সোহাগ গাজী। গাজীর বিদায়ের পর ইলিয়াস সানিকে নিয়ে ৬৭ রান যোগ করেন রাজিন। ৪০ বলে ৩ চারে ৩৬ রান করেন তিনি। এ তিন ব্যাটসম্যানের ব্যাটে ভর করে ২১৩ রান দাঁড় করায় শেখ জামাল।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কলাবাগানকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান জসিমউদ্দিন ও তাসামুল হক। উদ্বোধনী জুটিতে ৬২ রান তুলেন দুই ব্যাটসম্যান। ৩৮ বলে ২৯ রান করে জসিমউদ্দিন ফিরে যান। তিনে ব্যাট হাতে নামেন আশরাফুল। ডিপিএলে বেশ কয়েক ম্যাচ ধরে ব্যাট হাতে বিবর্ণ ছিলেন আশরাফুল। তবে কলাবাগানের বিপক্ষে ৮৭ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। এবারের ডিপিএলে এটিই তার প্রথম অর্ধশ্তক।

৪৮ রান করে রান আউট হন তাসামুল। তুষার (১০) দ্রুত বিদায় নিলে আশরাফুল আগলে রাখেন এক প্রান্ত। মেহরাব হোসেনকে নিয়ে ১১১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন আশরাফুল। ৯ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলে কলাবাগান। আশরাফুলের সঙ্গী মেহরাব জুনিয়র অপরাজিত থাকেন ৪৩ রান করে।

-আজমল তানজীম সাকির, প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটাইম ডট কম