-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

৫ম বারের মতো বিশ্বকাপ তুলল ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ দল।[/caption]
ফাইনালে ভারতকে ছোট লক্ষ্যই দিয়েছিল ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দল। টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। দলীয় ৪ রানে প্রথম উইকেটের পতনের পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে ইংল্যান্ড। স্কোরবোর্ডে ৯১ রান জমা করতেই হারিয়ে বসে ৭ উইকেট।
ইংলিশ ব্যাটারদের চাপে রাখেন রবি কুমার ও রাজ বাওয়া। দু’জনের বোলিং ঘূর্ণিতে টিকতে পারেনি ইংলিশ ব্যাটাররা। ব্যতিক্রম ছিলেন জেমস রিও ও জেমস সেলস। রবি ও রাজের বলে যেখানে কুল-কিনারা পাচ্ছিল না অন্যরা, সেখানে লড়াই করেন জেমস রিও। অষ্টম উইকেট জুটিতে সেলসের সঙ্গে ৯৩ রানের জুটি গড়েন জেমস।
রিও-র লড়াই থামে ৯৫ রানে। তাঁকে সেঞ্চুরি-বঞ্চিত করেন রবি কুমার। আরেক জেমসের অপরাজিত ৩৪ রানে ১৮৯ রানের স্কোর দাঁড় করায় ইংল্যান্ড। ভারতের হয়ে পাঁচ উইকেট নেন রাজ ও চারটি উইকেট নেন রবি।
ইংল্যান্ডের দেওয়া লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বয়ডেনের বলে শুরুতেই অঙ্গক্রিশকে হারায় ভারত। স্কোরবোর্ডে কোনো রান না করে উইকেট হারানোর পর প্রতিরোধ গড়েন হারনুর ও রাসেল। দ্বিতীয় উইকেটে তারা যোগ করেন ৪৯ রানের জুটি। হারনুরের বিদায়ের পর অধিনায়ক যশ ঢুলের সঙ্গে জুটি গড়েন রাশেদ। লক্ষ্য ছোট থাকায় কোনো ধরনের ঝুঁকি নেননি এই দুই ব্যাটার।
রাশেদ পঞ্চাশ হাঁকানোর পর সাজঘরে ফিরেন। দলীয় সংগ্রহে দুই রান যোগ করতেই সাজঘরে ফিরেন অধিনায়ক যশ ঢুলও। ৯৭ রানে চার উইকেট হারিয়ে বিপদেই পড়ে ভারতের যুবারা। সেখান থেকে দলকে উদ্ধার করেন নিশান্ত সিন্ধু ও রাজ বাওয়া। বল হাতে পাঁচ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাট হাতে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেন রাজ।
[caption id="attachment_190963" align="aligncenter" width="612"]
ফাইনালে ব্যাট ও বলে হাতে অবদান রাখায় ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন রাজ।[/caption]
দু’জন যেন চেপেই বসেছিলেন ইংলিশ বোলারদের ওপর। এই দু’জনের ব্যাটে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পাওয়ার সম্ভাবনা জাগায় ভারত।পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৬৭ রান যোগ করার পর ৫৪ বলে ৩৫ রান করে আউট হন রাজ। কৌশালকেও হারায় ভারত।
দল যখন শিরোপা জয়ের খুব কাছাকাছি ছিল তখন একটু চাপে পড়ে ভারত। ১৮ বলে ১২ রানের প্রয়োজন হলেও সেই চাপকে জয় করেন উইকেটরক্ষক দীনেশ বানা। প্রথম দুই বলে ৫ রান নেওয়ার পর তৃতীয় বলে ৬ হাঁকান বানা। ব্যবধান কমে আসে ভারতের।
ব্যবধান কমে আসলে শ্যাডসের বলে ২০১১ বিশ্বকাপে ধোনি যেমন ছয় হাঁকিয়ে ভারতকে শিরোপা এনে দিয়েছিল ঠিক তেমনি করে ছয় হাঁকিয়ে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে শিরোপা এনে দেন বানা। নিশান্ত অপরাজিত থাকেন ৫০ রান করে অন্যদিকে ৫ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন বানা।





