-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

টস জিতে ইসলামাবাদকে ব্যাটিং এ পাঠায় কোয়েটা অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় ইসলামাবাদ। ১৩ রানে হারিয়ে বসে প্রথম উইকেট, ২৫ রানে হারায় দুটি। ওপেনার ওয়ালটনের পর ফিরে যান তিন নম্বরে নামা আসিফ আলি। দুইজনকে ফেরান আলি আনোয়ার ও রাহাত।
এরপর জেপি ডুমিনি আর লুক রনকি মিলে চেষ্টা করেন সামলাতে শুরুর ধাক্কা। ডুমিনির টেস্ট মেজাজের ব্যাটিংয়ে নিজেদের রানের চাকা একদিকে হচ্ছিল ধীর অন্যদিকে রনকির ব্যাটে চড়ে রান বাড়ছিলো দ্রুত। ছয় ওভারের পাওয়ার প্লে থেকে আসে ৫২ রান।
৬৬ রানে রনকি আউট হয়ে গেলে রানের চাকা অচল হয়ে পরে। অধিনায়ক মিসবাহ উল হক ও ডুমিনির কুতকুত ব্যাটিংয়ে বলের সাথে পাল্লা দিয়ে রান হচ্ছিল না মোটেই। ৯৩ রানে ডুমিনি ও ৯৯ রানে মিসবাহ আউট হয়ে উদ্ধার করেন ইসলামাবাদকে। ১৬.২ ওভারে শতক ছোঁয় ইসলামাবাদ।
২৬ বলে ১৪ রানের অসাধারণ টেস্ট ইনিংস উপহার দেন টেস্ট থেকে অবসর নেয়া জেপি ডুমিনি। মারতে পারেন নি একটি বাউন্ডারিও। অন্যদিকে ২৫ বলে এক চার আর এক ছয়ে ২২ রানের ওয়ানডে ইনিংস খেলেন মিসবাহ উল হক। ওয়াটসনের বলে মিসবাহ এর অসাধারণ ক্যাচ ধরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
শেষদিকে ফাহিম আশরাফের ১৩ বলে ২১ রানের ইনিংসে কোনোমতে ১৩৪ রানের সম্মানজনক স্কোর পায় পাকিস্তানের রাজধানীর দলটি। একটি করে উইকেট পান আনোয়ার আলি, রাহাত আলি, জন হেস্টিংস, হাসান খান ও শেন ওয়াটসন। সবচেয়ে খরুচে ছিলেন দুই অজি রিক্রুট ওয়াটসন ও হেস্টিংস।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভালো সূচনা করে কোয়েটা। ৩.৩ ওভারে প্রথম উইকেট জুটিতে আসে ৩১ রান। দুইবার আউট হয়ে বেঁচে যান ওয়াটসন। পরপর দুই তিন ওভারে টপ অর্ডারের তিনজন আউট হয়ে গেলে চাপে পড়ে কোয়েটা। এরপর জুটি বাঁধেন কেভিন পিটারসেন ও মোহাম্মদ নেওয়াজ। ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাটিং শুরু করেন নাওয়াজ ও পিটারসেন। দশ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে জমা হয় ৭৩ রান।
খোলস ছেড়ে বের হতে সময় নেন নি অভিজ্ঞ পিটারসেন। বলের সাথে পাল্লা দিয়ে রান করেছেন। দলীয় ১১৮ রানে ড্রেসিংরুমে যান ফিফটি থেকে দুই রান বাকি থাকতে। চার চার আর তিন ছয় আসে কেপির ব্যাট থেকে।
এরপর নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে বেগ পেতে হয় নি। দুই ওভার পাঁচ বল আর ছয় উইকেট হাতে রেখেই সেখানে নোঙ্গর ফেলে কোয়েটা। ৩১ বলে দুই ছয়ে ২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন মোহাম্মদ নাওয়াজ। সাত বলে সাত করেন আরেক অপরাজিত অধিনায়ক সরফরাজ। ব্যাট করতে নামতে পারেন নি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কোয়েটার হয়ে তিন উইকেট নেন ইংলিশ পেসার স্টিভেন ফিন। অন্য উইকেটটি যায় মোহাম্মদ সামির পকেটে।
পিএসএলের তৃতীয় আসরে রিয়াদকে নেয়ার আগ পর্যন্ত দুই ম্যাচ খেলেছিল রিয়াদের কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স। প্রথম ম্যাচে করাচি কিংসের বিপক্ষে ১৯ রানে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে কোয়েটা।
অন্যদিকে পেশোয়ারের কাছে ৩৪ রানের হার দিয়ে এবারের আসরে সূচনা হয়েছিল ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে মুলতানের বিপক্ষে ১৪ বল আর ৫ উইকেট হাতে রেখে জিতে যায় ইসলামাবাদ।
এই ম্যাচে জয় দিয়ে টেবিলের দুইয়ে উঠে আসল রিয়াদের কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটরস।
স্কোরঃ





