-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

টস জিতে ফিল্ডিং নিয়ে ভালো সূচনা করে লাহোর। প্রথম ওভারেই শূণ্য রানে আউট হয়ে যান লুক রনকি। পার্ট টাইম বোলার ফখর জামানের বলে বোল্ড হয়ে ফেরত যান এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। চতুর্থ ওভারের শেষ বলে আউট হন আরেক ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। সোহেল খানের বলে নারাইনের তালুবন্দী হন ১৬ বলে ৬ রান করা এই ওপেনার।
ছয় ওভারে তাদের স্কোরবোর্ডে জমা হয় দুই উইকেটে ২৫ রান। নবম ওভারের শুরুর বলে অধিনায়ক মিসবাহ উল হক আউট হন। সালমান এর বলে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। দলীয় ৪৪ রানে সামিত প্যাটেল এর উইকেট হারিয়ে বিপদের পরে ইসলামাবাদ। এরপর আসিফ আলি ও আন্দ্রে রাসেল জুটি বাঁধেন। কিন্তু সে জুটি টিকে নি বেশিক্ষণ। ইয়াসির শাহ এর বলে বোল্ড হয়ে ৮ বলে ১৬ রান করে ফিরে যান আসিফ আলি। ৭০ রানে ডুমিনি আউট হলে ১০০ রানের আগে অলআউট হওয়ার শঙ্কা জাগে তাদের।
কিন্তু হুসেইন তালাতের অপরাজিত ৩৩ রানে কোনোরকমে নয় উইকেটে ১২১ রানের সংগ্রহ পায় ইসলামাবাদ। ২১ বলে ২ ছয় আর এক চারে এই রান করেন তালাত। অন্যপাশে বাকি ব্যাটসম্যানরা ছিলেন আসা যাওয়ার মিছিলে। সর্বোচ্চ তিন উইকেট পান ইয়াসির শাহ। চার ওভারে ৩৯ রান দিয়ে এক উইকেট নেয় মুস্তাফিজুর রহমান।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা জুতসই হয় নি লাহোরের। চার রানের মাঝেই উমর আকমল ও ফখর জামানের উইকেট হারিয়ে বসে তারা। দুজনকেই ফেরান ইংলিশ পাসপোর্টধারী সামিত প্যাটেল।
এরপর ম্যাককালাম আর আরঘা সালমান এর জুটিতে জয় যখন চোখের সামনে তখনই টালমাটাল হয়ে যায় লাহোরের ব্যাটিং। বারোতম ওভারে সালমান ৩৫ বলে ৪৮ রানে আউট হলেই শুরু হয় মহামারী। এক পাশ আগলে রাখেন ম্যাককালাম। অন্যপাশে শুরু হয় আসা যাওয়ার মিছিল।
একে একে আউট হয়ে যান রামদিন, সোহেল, নারাইন, ইয়াসির শাহ। শেষ অভারে সাত রান দরকার হয় লাহোরের। কিন্তু ম্যাককালাম আউট হয়ে গেলে জয়ের আশা চলে যায় লাহোরের। সালমান ইরশাদের এক ছয়ে টাই হয়ে যায় ম্যাচ।
ম্যাককালামের ক্যাচ মিসে হওয়া ছক্কাটি-
সুপার ওভারে এক উইকেট হারিয়ে ১৫ রান তোলে লাহোর। লাহোরের কাপ্তান বল তুলে দেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজের হাতে। ২য় বলে ম্যাককালামের ক্যাচ মিসে ছয় হয়ে যায়। এরপর মুস্তার বাউন্সারে কানায় লেগে চার আর শেষ বলে ছয় মেরে ম্যাচ জিতে ইসলামাবাদ। টানা চার ম্যাচ হেরে এখনো জয়ের দেখা পায় নি লাহোর।
সুপার ওভারে মুস্তাফিজের করা শেষ বলে রাসেলের ছক্কাটি-
এই ম্যাচের আগেও পিএসএলে এবারের আসরে এখন পর্যন্ত জয়ের দেখা পাচ্ছিল না লাহোর কালান্দার্স। মুলতানের বিপক্ষে ৩৪ রানের হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করে লাহোর। এরপর কোয়েটার কাছে হেরেছে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে। নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে করাচির কাছে হার ২৭ রানের। তিন ম্যাচে তিন হারে পয়েন্ট টেবিলের একদম নিচে অবস্থান মুস্তাফিজদের। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে আজকের ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না লাহোরের।
এদিকে লাহোর ছন্দে না থাকলেও ছন্দে ছিলেন 




