*রবিউল ইসলাম
বয়স যখন ঠিক ৬ বছর তখনই ক্রিকেটের সঙ্গে পরিচয় হয় রিজান হোসেনের। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই সম্পর্ক পরিণত হয় ভালোবাসায়। ১০ বছর বয়স থেকে টাঙ্গাইলের অলিগলিতে নিয়মিত খেলতেন টেপ টেনিস ক্রিকেট। বড় ভাইদের সঙ্গে খেলতে খেলতেই নিজের প্রতিভার ঝলক দেখাচ্ছিলেন। এই প্রতিভাই নজরে আসে এলাকার বড় ভাই আবিদ হোসেন শক্তির। একদিন মাঠেই শক্তি পরামর্শ দেন, "তুই তো ভালো খেলিস, একাডেমিতে ভর্তি হয়ে ক্রিকেট বলে অনুশীলন শুরু কর।" সেই পরামর্শই বদলে দেয় রিজানের ক্রিকেট জীবন। শুরু হয় তার পেশাদার ক্রিকেটের যাত্রা। [গুগল নিউজে বিডিক্রিকটাইম ফলো করুন]
বিশ্বকাপের মঞ্চে যাচ্ছেন রিজান। ২০১৫ সালের ঘটনা, রিজানের ওই বছর পিএসসি পরীক্ষা (প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা)। বই-খাতা মেলে বসে থাকলেও তার মন পড়ে থাকতো ক্রিকেটে। পরীক্ষার প্রস্তুতি বাদ দিয়ে ক্রিকেট কোচিংয়ে ভর্তি হওয়ার কথা বাবা-মাকে বলার সাহস ছিলো না! তাইতো বাবা-মাকে কিছু না জানিয়েই নিজের স্বপ্নের পথে হাঁটা শুরু করেন রিজান। ২০১৫ সালে টাঙ্গাইল স্পোর্টস একাডেমিতে ভর্তি হয়ে যান স্বপ্নবাজ এই কিশোর। সেখানেই স্থানীয় কোচ আরাফাত রহমানের অধীনে শুরু হয় তার পেশাদার ক্রিকেট শেখার যাত্রা।
তবে বাবা আবুল হোসেনের মন জয় করতে খুব বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি। ভর্তি হওয়ার পর মা একটু আকটু টের পেলেও বাবা কিছুই জানতো না। মা রাবিয়া বেগমের সঙ্গে রিজানের বড় দুই ভাই রিয়েল হোসেন ও হৃদয় হোসেন মূলত ছোট ভাইকে আগলে রেখেছেন। পড়াশোনার চাপে বড় দুই ভাই বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে আর এগোতে পারেননি। কিন্তু রিজানকে সেই পথ থেকে সরতে দেননি তারা। বাবার শাসনের ভয় থেকে তাকে আগলে রেখেছেন দুই ভাই। ভর্তির মাত্র পাঁচ মাসের মাথায় অনূর্ধ্ব-১২ ক্রিকেট কার্নিভালে অংশ নেন রিজান, হন টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটার। সেই ম্যাচ দেখতে গিয়েই প্রথমবারের মতো ছেলের খেলা দেখেন রিজানের বাবা। ছেলেকে টুর্নামেন্ট সেরার পুরষ্কার নিতে দেখে গর্বে বুকটা ভরে যায় আবুল হোসেনের। সেই থেকে ছেলের ক্রিকেটের সঙ্গে আছেন ছায়া হয়ে। বাবাই এখন রিজানের বড় প্রেরণার নাম।
একটু একটু করে বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের ধাপ পার করে ২০২৪ সালের বিশ্বকাপের খুব কাছেই পৌঁছে গিয়েছিলেন রিজান। কিন্তু হুট করেই ছন্দপতন, পারফরম্যান্স খারাপ হওয়ায় দল থেকে ছিটকে পড়েন তিনি। তবে হাল ছাড়েননি রিজান। মানসিকভাবে ভেঙে পড়লেও নিজের ভুলগুলো খুঁজে বের করে, শুধরে নিয়েছেন। নতুন মৌসুমে নিজেকে গুছিয়ে ফেরেন আরও শক্তভাবে, হয়ে উঠেছেন দলের প্রাণভোমরা। বিশ্বকাপ সামনে রেখে আইসিসি যে ‘প্লেয়ার্স টু ওয়াচ’ তালিকা করেছে, সেখানে বাংলাদেশ থেকে জায়গা পেয়েছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার রিজান। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে যারা ‘প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট’ হন, তাদের অনেকেই পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বড় তারকা হয়ে ওঠেন। এবার সেই সম্ভাবনার তালিকায় রিজান। সম্ভবত এবার নিজের নামটাই চেনাবেন বিশ্ব মঞ্চে!
অনূর্ধ্ব-১৯ যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ১৫ যোদ্ধাকে নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে বিডিক্রিকটাইমে। আজ থাকছে পেস বোলিং অলরাউন্ডার মো: রিজান হোসেনের সাক্ষাৎকার।
প্রশ্ন: শুরুতেই জানতে চাই, ক্রিকেটে শুরুর গল্পটা কেমন ছিল?
রিজান হোসেন: পঞ্চম শ্রেণিতে উঠেই এলাকার বড় ভাইদের সঙ্গে নিয়মিত ক্রিকেট খেলতাম। অল্প বয়সেই তাঁদের সঙ্গে দাপটের সঙ্গে খেলতে পারতাম। একদিন শক্তি ভাই (আবিদ হোসেন) আমাকে বললেন, ‘তুই খুব ভালো খেলিস, একাডেমিতে গিয়ে ক্রিকেট বল দিয়ে অনুশীলন শুরু কর। অনেক দূর যেতে পারবি।’ তাঁর সেই কথায় ভীষণ অনুপ্রাণিত হই। এরপর আমার দুই বড় ভাইও উৎসাহ দেয়। পিএসসি পরীক্ষার ঠিক আগে আব্বাকে না জানিয়েই ভর্তি হয়ে যাই একাডেমিতে। সেখান থেকেই শুরু হয় আমার পেশাদার ক্রিকেট যাত্রা।
প্রশ্ন: এমন একটা পাবলিক পরীক্ষার আগে, আপনি একাডেমিতে ভর্তি হলেন, তাও আবার বাবাকে না বলে। আপনার তো সাহস অনেক?
রিজান: সাহস অনেক ছিল বলবো না। তবে তখন একটু জেদ কাজ করেছিল। আসলে একাডেমিতে ভর্তি হওয়ার আগে আব্বু-আম্মুকে বলেছিলাম, আমি ভর্তি হতে চাই। কিন্তু তারা রাজি হয়নি। আব্বু বলেছিলেন, ‘পিএসসি পরীক্ষা শেষ করো, তারপর ভর্তির কথা ভাববো।’ কিন্তু আমি চেয়েছিলাম, এখনই যদি শুরু করি, তাহলে সামনে অনূর্ধ্ব-১৪ খেলতে পারবো। তখন আম্মু কিছুটা বুঝলেও আব্বু একেবারেই আগ্রহ দেখাননি। পরে আমি বাসায় অনেক জোড়াজুড়ি করি। সাহস করে নিজের সিদ্ধান্তেই একাডেমিতে ভর্তি হয়ে যাই।
প্রশ্ন: তারপর কী হলো?
রিজান: আমার এমন আচরণ দেখে আব্বা কিছুটা বিরক্ত ছিলেন। তাই আমি ঠিক করলাম, বাবাকে না জানিয়ে একাডেমিতে ভর্তি হবো। ২০১৫ সালে আমি টাঙ্গাইল স্পোর্টস একাডেমিতে ভর্তি হয়ে আরাফাত স্যারের তত্ত্বাবধানে অনুশীলন শুরু করি। কয়েক দিনের মধ্যেই আমি অনূর্ধ্ব-১২ ক্রিকেট কার্নিভালে অংশগ্রহণ করি।
প্রশ্ন: কার্নিভালে অংশ নেওয়ার পরও আপনার বাবা টের পাননি?
রিজান: না। অংশ নেওয়ার বিষয়টি আব্বা কিছুই জানতেন না। অনূর্ধ্ব-১২ ক্রিকেট কার্নিভালে আমি সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী ছিলাম। টুর্নামেন্টের শেষ দিনে আমার বাবা সেই খবর জানতে পারেন। কার্নিভালে অংশ নেওয়ার আগে আমি প্রায় ৪-৫ মাস অনুশীলন করেছিলাম। ওই সময়টাতে আম্মু জানতেন, কিন্তু আব্বা কিছুই জানতেন না। কার্নিভালের ফাইনালে বড় আয়োজন করা হয়েছিল। আমি টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হয়েছি। ফাইনাল ম্যাচে বাবাও মাঠে গিয়েছিলেন।
প্রশ্ন: এরপর বাবার প্রতিক্রিয়া কী ছিল?
রিজান: বাবা খুব খুশি হয়েছিলেন। ওই কার্নিভালের পর থেকে বাবা সব ক্ষেত্রেই আমাকে উৎসাহ দিয়ে আসছেন। মাঝে মধ্যে কোচদের সাথেও কথা বলতেন এবং নানা ভাবে আমাকে মোটিভেট করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
প্রশ্ন: অনূর্ধ্ব-১২ ক্রিকেট কার্নিভাল সম্পর্কে বলুন, টুর্নামেন্টে আপনার পারফরম্যান্স কি ছিল?
রিজান: আমি টাঙ্গাইল স্পোর্টস একাডেমির হয়ে খেলেছিলাম। সেখানে চারটি টিম ছিল, আর আমি তিনটি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলেছি। মোট চারটি ম্যাচে অংশ নিয়েছিলাম, যার মধ্যে ফাইনাল ম্যাচও ছিল। ফাইনালে আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। আমি ৪ ম্যাচে মোট ১২ উইকেট নিয়েছি এবং টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার হয়েছি। ব্যাটিংও ভালো হয়েছে, দুটি ৫০ প্লাস রানের ইনিংস ছিল। সবমিলিয়ে রান করেছি প্রায় ১৩০।
প্রশ্ন: শুনেছি আপনার বড় দুই ভাইও ক্রিকেট খেলতেন, তারা কেন খেলা ছেড়ে দিয়েছেন?
রিজান: আমার মোট তিন ভাই। আমি সবার ছোট। আমার মেজো ভাই অনূর্ধ্ব-১৪ থেকে অনূর্ধ্ব-১৮ পর্যন্ত ক্রিকেট খেলেছে। বড় ভাইও বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের অনেকগুলো ধাপ পেরিয়েছিল।
প্রশ্ন: বড় ভাইরা বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের গণ্ডি পেরুতে পারেনি, বাবার মনে নিশ্চয়ই এই ভয়টাই ছিল আপনাকে নিয়ে?
রিজান: হ্যাঁ, এটা হয়তো সত্যি। তবে বড় ভাইরা পড়াশোনার চাপের কারণে ক্রিকেটে মনোযোগ দিতে পারেনি। বাবা তাদের ক্রিকেট খেলতে বেশি সুযোগ দিতেন না, কিন্তু আমাকে স্বাধীনভাবে ক্রিকেট খেলতে দিয়েছেন। ছোটবেলায় আমি প্রায়ই দেখতাম, ভাইদের অনুশীলন করার জায়গা থেকে বাবা ডেকে নিয়ে যেতেন, কারণ বাসায় শিক্ষক এসে বসেছিল। দুটো একসাথে সমান তালে চালানো কঠিন। আমার বেলায় এরকম কোন কিছু করেনি। আমাকে স্বাধীন ভাবে ক্রিকেট খেলতে দেওয়া হয়েছে।
প্রশ্ন: এমনিতেও আপনাদের এলাকার মানুষ ক্রিকেট প্রেমী, এটা কি কোনোভাবে আপনার ক্রিকেটার হওয়ার পেছনে প্রেরণা যুগিয়েছে?
রিজান: হ্যাঁ অবশ্যই। আমি যে এলাকায় বড় হয়েছি ওই এলাকার বেশিরভাগ সবাই ক্রিকেট প্রেমী এবং সবাই ক্রিকেট খেলছে। অনূর্ধ্ব-১৪ হোক, অনূর্ধ্ব-১৬, অনূর্ধ্ব-১৮ বা জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়, সবাই অংশ নিচ্ছে। হয়তো সবাই পরের ধাপে যেতে পারছে না, কিন্তু সবাই ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত। এলাকার মানুষ, বড় ভাইরা এবং আমার পরিবার আমাকে সবসময় উৎসাহ যুগিয়েছে। এছাড়া আমার বড় ভাইয়েরা যেহেতু ক্রিকেট খেলছে, ফলে আমার জন্য জিনিসগুলো আরও সহজ হয়ে গেছে।
প্রশ্ন: যে বাবার ভয়ে আপনি তটস্থ থাকতেন, সেই বাবাই এখন আপনার প্রেরণা কেন?
রিজান: আমার বাবাই আমার সবচেয়ে বড় প্রেরণায় জায়গা। উনি আমার সবকিছু দেখা শুনে করেছেন। হ্যাঁ, এক সময় তার ভয়েই আমি তটস্থ থাকতাম। কিন্তু অনূর্ধ্ব-১২ কার্নিভালের পর থেকে উনি আমাকে আর বাঁধা দেয় নাই। এমনও হয়েছে, আমি অনুশীলনে যাইনি, উনি আমাকে পুশ করেছ যে অনুশীলন যাও। কখনো কখনো বলেছি, আজকে আমি যাব না। তখন উনি রাগ করতেন। অনেকের চেয়ে আমি নিজেকে তাই ভাগ্যবান মনে করি।
প্রশ্ন: আগেরবারও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্যাম্পে ছিলেন, তবে বিশ্বকাপে যেতে পারেননি। স্ট্যান্ডবাই তালিকায় ছিলেন। নিশ্চয়ই হতাশ হয়ে পড়েছিলেন, নিজেকে কিভাবে বোঝালেন?
রিজান: এটা অবশ্যই হতাশাজনক ছিল। আমার খুব খারাপ একটা মৌসুম কেটেছিল এবং শেষ দিকে পারফরম্যান্সটা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। আমার জন্য এটা টাফ ছিল। তবে আমার মধ্যে জেদ তৈরি হয়েছিল। আমার কিছু ভুল-ত্রুটি ছিল, যার জন্য হয়তো বিশ্বকাপে সুযোগ পাইনি। আমি আনন স্যার এবং সিজান স্যারের সাথে কথা বলেছি, তারা আমাকে বলেছে কোথায় ইমপ্রুভ করতে হবে, কী করলে ভবিষ্যতে ভালো খেলতে পারব। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী আমি কঠোর পরিশ্রম করেছি। এখন পর্যন্ত সবকিছুই ভালো চলছে।
বিশ্বকাপ মাতাতে প্রস্তুত রিজান হোসেন। প্রশ্ন: আপনি যেহেতু একজন অলরাউন্ডার, সেক্ষেত্রে আপনার দায়িত্বটা খানিকটা বেশি। পুরো দলের প্রত্যাশাও বেশি আপনার ওপর? কিভাবে ভাবছেন?
রিজান: আমি এটাকে চাপ হিসেবে নিচ্ছি না। এটা আসলে উপভোগ করছি। আমি হচ্ছি বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান, এরপর মিডিয়াম পেস বোলার। অবশ্যই আমাকে ব্যাটিংয়ে বেশি ভালো করতে হবে, পাশাপাশি বোলিংয়ে অবদান রাখা লক্ষ্য। দুই রোলে দায়িত্ব থাকার কারণে আমি এটাকে চাপ না নিয়ে দায়িত্ব হিসেবে নিচ্ছি।
প্রশ্ন: বিশ্বকাপ বড় মঞ্চ, এখানে পারফরম্যান্স করলে পরের ধাপে যাওয়া সহজ হবে। আপনার ব্যক্তিগত লক্ষ্য কী?
রিজান : আমি ব্যক্তিগত লক্ষ্যটা সেট করে ফেলেছি। বিশ্বকাপে আমি ভালো খেলতে চাই। দেশকে জিতাতে চাই। ব্যাটিং-বোলিংয়ে পারফরম্যান্স করে টুর্নামেন্ট সেরা হওয়ার স্বপ্ন আমার। আমার বিশ্বাস আমি সেটি করতে পারব।
প্রশ্ন: আপনার পছন্দের ক্রিকেটার বাবর আজম ও বেন স্টোকস, কেন তাদের পছন্দ করেন?
রিজান: এমনিতে বাবর আজমের খেলা আমার ভালো লাগে। এর বাইরে অলরাউন্ডারের মধ্যে বেন স্টোকসেরটা ভালো লাগে। তিনি চাপের মধ্যে যেভাবে ম্যাচ বের করতে পারে, তার এটা আমাকে অনুপ্রাণিত করে।
একনজরে
নাম: মো: রিজান হোসেন
ডাক নাম: বাবু
জন্ম: ২ অক্টোবর, ২০০৬
জন্মস্থান: প্যারাডাইস পাড়া, টাঙ্গাইল
বাবার নাম: মো: আবুল হোসাইন
মায়ের নাম: মোসাম্মৎ রাবিয়া বেগম।
উচ্চতা: ৬ ফিট ১ ইঞ্চি
পড়াশোনা: এইচএসসি প্রথমবর্ষ
প্রথম ক্লাব: টাঙ্গাইল স্পোর্টস একাডেমি।
বর্তমান ক্লাব: গাজী টায়ার্স ক্রিকেট একাডেমি
প্রথম কোচ: আরাফাত রহমান
ব্যাটিং স্টাইল: ডানহাতি
প্রিয় শর্ট: কাভার ড্রাইভ
যুব ওয়ানডেতে রান: ৩৩ ইনিংসে ৯৪৩ রান
বোলিং স্টাইল: ডানহাতি মিডিয়াম পেসার
প্রিয় ডেলিভারি: ইয়র্কার।
যুব ওয়ানডেতে উইকেট: ২৯ ইনিংসে ২৯ উইকেট
প্রিয় মানুষ: বাবা
প্রিয় ক্রিকেটার: বাবর আজম ও বেনর স্টোকস
আর ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত: ২০২৪ এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন
স্কুল ক্রিকেট: ২০১৯-২০ মৌসুমে টাঙ্গাইল স্কুল এন্ড কলেজের হয়ে খেলেছি। দুইবার খেলেছি, দুইবার চ্যাম্পিয়ন হইছি।